ইরানে ট্রাম্পের অবস্থান বদল, বিপাকে বিক্ষোভকারীরা
প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানের চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া বহু মানুষ এখন নিজেদের প্রতারিত মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য ও অবস্থান পরিবর্তনের পর বিক্ষোভকারীদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা আরও গভীর হয়েছে।
৩৮ বছর বয়সি সিভাস শিরজাদ ছিলেন তেহরানের এক বিক্ষোভকারী। পরিবারের সতর্কতা উপেক্ষা করে তিনি আন্দোলনে যোগ দেন, কারণ ট্রাম্পের বক্তব্যে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু ৮ জানুয়ারি তেহরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন শিরজাদ। তার ১২ বছর বয়সি সন্তান এখনো বাবার ফেরার অপেক্ষায়।
শিরজাদের এক আত্মীয় জানান, আন্দোলনে না যাওয়ার জন্য পরিবার থেকে বারবার নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্পের আশ্বাসের কথা উল্লেখ করে শিরজাদ বলেছিলেন, ‘আমাদের পাশে যুক্তরাষ্ট্র আছে।’ বাস্তবে সেই আশ্বাস আর কার্যকর হয়নি।
১৩ জানুয়ারি ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে লেখেন, ‘আন্দোলন চালিয়ে যান, সাহায্য যাচ্ছে।’ এতে আন্দোলনে নতুন করে উৎসাহ তৈরি হয়। কিন্তু পরদিনই তার সুর পালটে যায়। তিনি জানান, ইরানের শাসকদের কাছ থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার আশ্বাস পেয়েছেন। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ থেকেও সরে আসে।
এই অবস্থানে হতাশ হয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। হত্যাকাণ্ড বন্ধের আশ্বাস থাকলেও বাস্তবে দমন-পীড়ন থামেনি। তেহরানের রাজপথ ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যায়। অন্য শহরগুলোতে বিচ্ছিন্নভাবে বিক্ষোভ চললেও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সেসব আন্দোলনের প্রকৃত চিত্র জানা যাচ্ছে না।
এক মানবাধিকারকর্মীর মাধ্যমে দ্য গার্ডিয়ানকে পাঠানো বার্তায় তেহরানের এক বাসিন্দা জানান, বর্তমানে ব্যাপক গণগ্রেফতার চলছে। তার আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক মনোযোগ কমে গেলেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু হবে।
তেহরান কর্তৃপক্ষ ২৬ বছর বয়সি এরফান সোলতানির ফাঁসি স্থগিত করে আপাতত নমনীয়তার ইঙ্গিত দিলেও বিদেশে অবস্থানরত বহু ইরানি বিক্ষোভকারী নিজেদের প্রতারিত মনে করছেন। অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত এলহাম বলেন, এবার মনে হয়েছিল পরিস্থিতি বদলাবে। কিন্তু সেই আশা ভেঙে গেছে।
অনেক প্রবাসী ইরানি মনে করছেন, ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তনের ফলে শাসকরাই সুবিধা পেল। তারা আশা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র সরকার পতনের আন্দোলনে সহায়তা করবে। কিন্তু তার বদলে ট্রাম্প শাসকদের সঙ্গে আলোচনার পথে হাঁটছেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির কূটনীতির আহ্বান বিক্ষোভকারীদের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এলহাম বলেন, ট্রাম্প যদি শাসকদের টিকে থাকার সুযোগ দেন, তাহলে সাধারণ ইরানিদের ভরসা চিরতরে ভেঙে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিলেও সেটি বিক্ষোভকারীদের জন্য কতটা সহায়ক হতো তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বরং এতে শাসকগোষ্ঠী আরও কঠোর হতে পারত এবং আন্দোলনকারীদের বিদেশি শক্তির দালাল হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ পেত।
তবুও ইরানের ভেতরে ও বাইরে কিছু মানুষ এখনো আশা করছেন, বিশ্ব একদিন তাদের পাশে দাঁড়াবে। কানাডায় বসবাসরত আজম জাংরাবি বলেন, ট্রাম্পের কথায় মানুষ আস্থা রেখেছে। কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত পদক্ষেপ না নিলে সেই বিশ্বাস ভেঙে যাবে, যা ইরানিরা আজীবন মনে রাখবে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি সামরিক বিকল্প বাতিল করেনি। জাতিসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ জানিয়েছেন, সব বিকল্প এখনো খোলা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দিকে মার্কিন রণতরীর যাত্রা ও ইসরাইলের প্রতিরক্ষা জোরদারের ঘটনাও ইঙ্গিত দেয় ইরানে হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়নি।
তবে আপাতত ইরানের আন্দোলনকারীরা আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন। ইন্টারনেট বন্ধ, গ্রেফতার আর দমন-পীড়নের মধ্যে ফের রাজপথে নামা নিয়ে দ্বিধায় তারা। তেহরানের এক বাসিন্দা দ্য গার্ডিয়ানকে লিখেছেন, আন্দোলন থেমে গেছে। এখন সবাই দেখছে ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত কী করেন।
সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান
- ইরানে হামলার জন্য ক্ষমা চাইবেন না ট্রাম্প
- নিউইয়র্কে নাহার এর অ্যাপ্রিসিয়েশন লাঞ্চ
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই’র আহবায়ক কমিটি গঠিত
- নিউইয়র্কে গ্লোবাল শর্ট ফিল্ম ফেস্ট অনুষ্ঠিত
- হিলসাইড কমিউনিটির সঙ্গে কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টর সভা
- জ্যাকসন হাইটসে ওয়াহেদ আলী মন্ডলের ওপর হামলা
- প্যাট্রিয়ট অব বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লব বর্ষপূর্তি পালন
- মক্কা চুক্তি ঘিরে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে উত্তেজনা
- সবিতা ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন
- চলে গেলেন মির্জা আজম
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি
- সাইবার লায়ন্স ক্লাবের রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- কবিরহাট উপজেলার বার্ষিক বনভোজন
- বিয়ানীবাজারের ভোটাদের সঙ্গে ৪ প্রার্থীর মতবিনিময়
- বাড়ির মালিকদের ওপর কর বাড়াতে আদালতের না
- বাংলাদেশিদের নেতৃত্বে সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড অনুষ্ঠিত
- শিবিরের সেই নেতার কাছে কনস্যুলেটের দুঃখ প্রকাশ
- মন্তব্য প্রতিবেদন
কর্নেল অলির প্রার্থীতা ও কাজি মন্টুর কলাম - বঙ্গভবনের পথে দুঃসময়ের কান্ডারী
- আল কায়েদা ‘নেটওয়ার্ক’ নিয়ে হুঁশিয়ারি
- কন্ট্রাক্ট মেরিজে গ্রিনকার্ডঃ অনেক বাংলাদেশি উদ্বিগ্ন
- সংবর্ধনা ও মিলাদে ডুবে আছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি
- সোসাইটি নির্বাচন ১৮ অক্টোবর
- আজকাল ৯৩৫
- ট্রাম্পকে ঘুম থেকে জাগাতে নারী ‘নিয়োগ’?
- ‘ট্রাম্পকে গুপ্তহত্যার ছক ইসরাইলের সাজানো নাটক’
- খোঁজা হচ্ছে শূন্য পাশের কারণ, বাতিল হতে পারে এমপিও
- শিল্পের গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতির চেষ্টা
- ঢাকায় এলো ‘গ্রামের লোডশেডিং’
- বাংলাদেশে সিরিজ খেলতে আসছে না ভারত
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৯০৭
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকাল ৯১০
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯০৯
- আজকাল ৯১২
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- আজকাল ৯১৩
- আজকাল ৯২৪
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- আজকাল ৯১৬
- অবৈধদের সন্তানরা নাগরিকত্ব পাবে না
- আমি আমার ৩টি টার্গেট ঠিক করে নিয়েছে : এসপি হারুন
- নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের পাশে নেই বিএনপি
- নতুন ইমিগ্র্যান্ট ঠেকাতে সিনেটে বিল পাস
- রোববার থেকে স্টুডেন্ট লোন মওকুফ কার্যক্রম শুরু
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তালিকায় ১১ বাংলাদেশির নাম
- কাল ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিন
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাতভর ফ্লাইট উড্ডয়ন বন্ধ
- ডিপোর্টেশন আতংকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
- ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত গ্যাস
- ট্রাম্প-বাইডেন দু’জনই বুড়ো, কাউকে পছন্দ না ভোটারদের
- নাগরিকত্ব পেতে ইন্টারভিউ দিতে হবে না
- ইংরেজিতে দুর্বলদের জন্য দুঃসংবাদ
নাগরিকত্ব পরীক্ষায় পরিবর্তন আসছে - অনিশ্চয়তার মুখে ২ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি আমলা-পুলিশের
