সন্তান জন্ম দিলেই টাকা!
নিউজ ডেক্স
প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮
জনসংখ্যা নিয়ে একেক দেশের একেক পরিস্থিতি। বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীনের মতো দেশগুলো জনসংখ্যার ভারে ‘হেলে’ পড়ছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কর্মসূচি নিতে হয় এসব দেশে। জাপানসহ ইউরোপের দেশগুলোতে ঠিক এর বিপরীত চিত্র।
জাপানে শিশুজন্মের হার কমতে কমতে ২০ বছর পর কোনো কোনো শহরে শূন্যের ঘরে চলে আসবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এভাবে সন্তান নিতে তরুণ দম্পতিদের উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি সন্তান প্রতিপালনে ব্যয়, স্কুলের খরচ, বিনা খরচে ছুটি কাটাতে ঘুরে বেড়ানো ও আবাসনে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।
তরুণ দম্পতিদের সন্তান নিতে উৎসাহ দিতে জাপানের স্থানীয় সরকারগুলো নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে নাগি শহর যেন কিছুটা বেশি এগিয়ে। ওকাইয়ামা বিভাগের কাতসুতা জেলার একটি শহর নাগি।
গত শুক্রবার সিএনএন অনলাইনের খবরে জানানো হয়, নাগিতে সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য দম্পতিদের অর্থ দেওয়া হয়। যত বেশি সন্তান, তত বেশি অর্থ। প্রথম সন্তানের জন্য ১ লাখ ইয়েন বা ৮৭৯ মার্কিন ডলার (প্রায় ৭৩ হাজার ৩৫৮ টাকা), দ্বিতীয় সন্তানের জন্য ১ হাজার ৩৩৫ ডলার (প্রায় ১ লাখ সাড়ে ১১ হাজার টাকা) এবং ধাপে ধাপে পঞ্চম সন্তান পর্যন্ত ৩ হাজার ৫১৮ ডলার ( প্রায় ২ লাখ সাড়ে ৯৩ হাজার টাকা)। ২০০৪ সাল থেকে নাগি এ অর্থ দিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে কাতসুনোরি ও কায়োরি ওসাকা নামে এক দম্পতির ঘটনা তুলে ধরে বলা হয়, ওই দম্পতি জাপানের উত্তরাঞ্চলে ২০ লাখ অধিবাসীর শহর নাগোয়ায় একটি ছোট ফ্ল্যাটে এক সন্তান নিয়ে বাস করতেন। আরও অনেক তরুণ দম্পতির মতো তাঁরাও চেয়েছিলেন সন্তান বড় শহরে বেড়ে উঠুক। কিন্তু দেখলেন, সেখানে জীবন খুবই কঠিন। অ্যাপার্টমেন্ট ভবনটিতে অনেক বেশি লোক থাকে। আর সেটা ব্যয়বহুলও। শিশুসেবা যত্নের সুবিধাও কম। একসময় তাঁরা ওই শহর ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করলেন।
কাতসুনোরি বলেন, ‘২০-৩০ বছর বয়সে বড় শহরে বাস করা সত্যিই কঠিন। আমরা জানতাম, যদি আমরা আরও সন্তান নিতে চাই, তাহলে এখানে বাস করার মতো সামর্থ্য থাকবে না আমাদের।’
সেখানে বসবাসের ১৪ বছর পর ওসাকা পরিবার নাগি শহরে চলে আসে। এই শহরে কাতসুনোরি জন্মেছিলেন। জাপানের এ শহরটি জন্মহারের দিক দিয়ে সফল। শহরটিতে প্রায় ছয় হাজার লোকের বসবাস রয়েছে। সন্তান জন্মদানে বিপুল পরিমাণে অর্থ দেওয়াসহ নানা ভর্তুকি দিয়ে শহরটি দম্পতিদের আকৃষ্ট করতে পেরেছে। ওসাকা পরিবারের প্রতিবেশীদের বেশির ভাগেরই তিনটি বা তার চেয়েও বেশি সন্তান রয়েছে। কারণ সেখানে তাঁরা সন্তান লালন–পালন করতে পারেন সহজে।
২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে শহরটিতে জন্মহার দ্বিগুণ বেড়ে ১ দশমিক ৪ থেকে ২ দশমিক ৮ হয়েছে। বর্তমানে সেখানে জন্মহার কিছুটা কমে ২ দশমিক ৩৯ হলেও তা দেশটির মোট জন্মহারের চেয়ে অনেক বেশি। জাপানের জাতীয় জন্মহার এখন ১ দশমিক ৪৬। ১৯৭০ সাল থেকেই জাপানে জন্মহার কমে আসছে। দেশটির স্বাস্থ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ২০১৭ সালে সাড়ে ৯ লাখের মতো শিশু জন্ম নিয়েছে। দেশটির মোট জনসংখ্যা ১২ কোটি ৭০ লাখ। এর মধ্যে মাত্র ১২ দশমিক ৩ শতাংশ শিশু। ২০৬৫ সাল নাগাদ জাপানে লোকসংখ্যা কমে ৮ কোটি ৮০ লাখে নেমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জাপানে মোট ৪৭টি প্রশাসনিক বিভাগ (প্রিফেকচার) রয়েছে। প্রতিটি বিভাগের আলাদা সরকার ও বিচার বিভাগ রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী জাপানে ৯০ লাখের বেশি লোক বসবাস করে। পুরো দেশের মধ্যে টোকিওতে জন্মহার সবচেয়ে কম, ১ দশমিক ১৭।
এ ব্যাপারে টোকিওর মেইজি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক হিরোকাজু কাতো বলেন, প্রথাগতভাবে জাপানের সরকারের নীতি এমন যে, এখানে কর্মজীবী নারী-পুরুষ পারিবারিক জীবনের সঙ্গে পেশাগত জীবনের ভারসাম্য রাখতে গিয়ে হিমশিম খায়। কম জন–অধ্যুষিত এলাকার চেয়ে প্রধান প্রধান বড় শহরে জীবনযাত্রার ব্যয়ে পার্থক্য অনেক বেশি। শহরে বসবাসকারী দম্পতিদের থেকে তাদের পরিবারগুলো অনেক দূরে বসবাস করে। ফলে পরিবারের সদস্যরাও তাদের কোনো সহায়তা করতে পারেন না।
বলা হয়, সন্তান দেখভালের জন্য যথাযথ ব্যবস্থার সংকট তো রয়েছেই, পাশাপাশি পেশাগত চাহিদাও জন্মহারে প্রভাব ফেলছে। পেশার কারণে অনেক নারী-পুরুষ দেরিতে বিয়ে করা বা বিয়ে না করার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। দেশটির জাতীয় জনসংখ্যা ও সামাজিক সুরক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুসারে, ২০১৫ সালে ৫০ বছর বয়সেও বিয়ে করেননি এমন সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। ওই বছর ৫০ বছর বয়সে বিয়ে করেননি এমন পুরুষের সংখ্যা ২৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং নারীর সংখ্যা ১৪ দশমিক ০৬ শতাংশ ছিল।
জাপানে ৯৩ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করে। সেখানে একটি বা তার চেয়ে বেশি সন্তান পালন রীতিমতো কঠিন ব্যাপার।
ঐতিহ্যগতভাবে জাপানে ছেলেরা চাকরি করবেন এবং মেয়েরা ঘরে থাকবেন এবং পরিবারের লোকজনকে দেখভাল করবেন—এমন প্রবণতা ছিল। ধীরে ধীরে সেই মনোভাবে পরিবর্তন এসেছে। এখন সেখানে মেয়েরা চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে থাকেন না। বেশি উপার্জনের আশায় স্বামীরাও চান স্ত্রী চাকরি করুক। এখন সন্তান জন্মের পর যে নারীরা ঘরে থাকেন, সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত পছন্দ, আগের মতো সমাজের চাপিয়ে দেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
নাগিতে এখনো জাপানের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাপনের চল রয়েছে। বড় পরিবারগুলো কখনো এক ছাদের নিচে থাকে, অথবা পাশাপাশি বাড়িতে থাকে; যাতে কর্মজীবী বাবা–মায়েরা কাজে গেলে দাদা-দাদি, নানা-নানি তাঁদের সন্তানদের দেখতে পারেন। নাগিতে বসবাসকারী নারীরা জানেন, সেখানে পেশাগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ সম্ভব না, তবে কাজ ও পরিবারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব। সেখানের ৭০ শতাংশ নারী কর্মজীবী। শিশুদের জন্য সীমিতসংখ্যক দিবাযত্নকেন্দ্র শহরটিতে কোনো সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় না। পরিবারিক সেবা খাতের জন্য নাগির নির্দিষ্ট পরিমাণ বাজেট রয়েছে।
ওসাকা পরিবারের এখন চার সন্তান রয়েছে। কায়োরি চাকরির চেয়ে বাড়িতে থাকাকেই বেছে নিয়েছেন। তবে নিজের মেয়েরা চাকরি না করে তাঁর মতো বাড়িতে থাকুক, তা তিনি চান না। তবে তাঁর সন্তানেরা বড় হয়ে নাগিতেই থাকুক, সেটাও তিনি চান না। তিনি চান, তাঁর সন্তানেরা ছোট্ট গণ্ডি থেকে বেরিয়ে বিশ্ব চিনুক, বড় বড় শহর চষে বেড়াক।
- আলোচনায় না এলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা: ট্রাম্প
- ১৯৬৬ সালে স্পেনে যেভাবে চারটি পারমাণবিক বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র
- নিউইয়র্কে বেকারত্ব ভাতা জালিয়াতি তদন্তে ফেডারেল "স্ট্রাইক টিম"
- জনমতের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিছিয়ে পড়ছে ইসরাইল: ভ্যান্স
- বিশ্বে ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে ৫৩তম বাংলাদেশ, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র
- আমিরাতে চালু হলো ৫ বছর মেয়াদি মাল্টিপল ভিসা
- যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প
- ঝুঁকিপূর্ণ মেট্রোরেলের ৪ পিলারের বিয়ারিং প্যাড
- প্রতারণা মামলায় আদালতে অভিনেত্রী ববি, পেলেন জামিন
- ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত
- ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বিল আটকে দিলেন ডেমোক্র্যাটরা
- মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে, কারবারিরা সংসদে যায়
- অস্ত্রের মজুত কমছে যুক্তরাষ্ট্রের
- হরমুজ দখলে নিয়ে ২০ শতাংশ শুল্ক চালুর ঘোষণা ট্রাম্পের
- বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা
- ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি, মাসে দিবি ১০ লাখ’
- এবার জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন সাদিক কায়েম
- ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে আরও হামলা, পাল্টা আঘাত তেহরানের
- প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় থাকবে ৪০ কিমি জুড়ে মানবপ্রাচীর
- ইরানে পানির পাম্পে মার্কিন হামলা, হতাহত ৫
- প্রতারণা মামলায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি
- ওয়াশিংটন পোস্টের বিশ্লেষণ
- মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রেল সেতু পুনরায় চালু করল ইরান
- ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭
- ‘হরমুজ প্রণালি কয়েক ডজন পারমাণবিক বোমার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ’
- আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ঢুকছে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পালটাপালটি হামলায় ফের ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
- রাষ্ট্রায়ত্ত ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা
- থামছে না বৃষ্টি, আজও ভারি বর্ষণের আভাস
- নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সমন
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- কোচ জাকির মৃত্যুতে মাশরাফি-তাসকিনদের শোক
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- ‘জেনা করা পাপ তবে পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় পেশার অংশ’
