রোহিঙ্গা সংকট : `চীন ব্যর্থ হলে তাদের মুখ রক্ষা হবে না`
প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০১৯
পাঁচ দিনের এক সরকারি সফরে চীনে গেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা হবে আশা করা হচ্ছে।
টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর চীনে এটাই তার প্রথম সফর। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছেন, চীনের কাছে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সঙ্কটের বিষয়টি তুলে ধরবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এবারের চীন সফরে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে অগ্রগতির সম্ভাবনা আছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন চীনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশী ফয়েজ আহমেদ।
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের নিরাশ হওয়ার সুযোগ নেই। যেহেতু চীন এখানে সংযুক্ত হয়েছে তাই তারা অবশ্যই চেষ্টা করবে যে এটা যেন একটি সফল পরিণতির দিকে যায়।
'তারা চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিষয়টাকে একটা সমাধানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।'
বাস্তবে সেই চেষ্টা এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। কেননা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ এবং চুক্তি হলেও আসল যে কাজ অর্থাৎ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, সেটা এখনও শুরু করা সম্ভব হয়নি।
রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর আগে মিয়ানমার যেন তাদের নিরাপত্তা, সুযোগ-সুবিধা এবং মান-মর্যাদার নিশ্চয়তা দিতে পারে, প্রধানমন্ত্রী সে ব্যাপারে চীনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং চীনও চেষ্টা করবে সমাধান বের করতে কেননা এর সঙ্গে এখন তাদের ভাবমূর্তি জড়িয়ে পড়েছে, বলেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত।
পৃথিবীর অন্যতম শক্তিধর দেশ এই চীন। এখন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তাদের প্রচেষ্টা যদি সফল পরিণতির দিকে না যায়, তাহলে তাদেরও তো মুখ রক্ষা হবে না।
তিনি বলেন, 'পৃথিবীর অন্যতম শক্তিধর দেশ এই চীন। এখন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তাদের প্রচেষ্টা যদি সফল পরিণতির দিকে না যায়, তাহলে তাদেরও তো মুখ রক্ষা হবে না।'
তার মতে, বাংলাদেশে আশ্রিত ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো জন্য বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমারের ওপর আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করতে চীনের সহায়তা চাইতে পারে।
চীনের নেতৃত্বে যদি একটা আন্তর্জাতিক দল তৈরি হয়, যারা এই নিশ্চয়তা দেবে, তাহলে দ্রুত সংকটের সমাধান হবে বলে আশা করেন মুনশী ফয়েজ আহমেদ।
'বাংলাদেশ চীনকে জানাতে পারে যে তারা যেন উদ্যোগ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক দল গঠন করে, যারা রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও তাদের মান-মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো তদারকি করবে'।
এদিকে বিনিয়োগ, ভৌগলিক ও রাজনীতির কারণে চীনের সঙ্গে মিয়ানমারের আগে থেকেই বেশ সু-সম্পর্ক রয়েছে। সেখানে মিয়ানমারের ওপর চাপ তৈরি করার ব্যাপারে চীনের এই ইচ্ছা কতোখানি থাকবে - সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ ব্যাপারে তিনি আরও জানান যে, চীন নিজ স্বার্থেই মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইবে।
কেননা তাদের যেসব অংশীদার রয়েছে, তারাও চায় মিয়ানমারের পরিবেশ যেন শান্তিপূর্ণ ও বিনিয়োগবান্ধব হয়। সেই সঙ্গে চীনও চাইছে মিয়ানমারে তাদের যেসব বিনিয়োগ আছে, সেগুলো যেন শঙ্কামুক্ত থাকে, বলছেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত।
এছাড়া আরাকান রাজ্যে তাদের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে লোকবলের প্রয়োজন রয়েছে। যাদের কেউই এখন সেখানে নেই। সবাই পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসায় আরাকান রাজ্যের অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। যার অর্থ রোহিঙ্গারা ওই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তি ছিল।
মুনশী ফয়েজ বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে ঘিরে সবার স্বার্থই জড়িত। যারা ওখানে কাজ করবে, বিনিয়োগ করবে, এতে তাদেরই লাভ হবে।
মিয়ারমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দফায় দফায় বৈঠক হলেও রোহিঙ্গা প্রত্যবাসন আজও শুরু করা সম্ভব হয়নি।
তবে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগে চীনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তারা এখন পর্যন্ত পুরোপুরি শক্তি প্রয়োগ বা কঠোর হতে পারছে না।
মিয়ানমারের সাধারণ মানুষও এই সংঘাতের অবসান চায়। কেননা এতে চীন ও প্রতিবেশী দেশগুলো মিয়ানমারের মানুষের জন্য নানামুখী সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে মনে তিনি।
- রোনালদো কেন নায়ক থেকে ভিলেন
- অভিবাসী স্থানান্তরে যুক্তরাষ্ট্র-জামাইকার চুক্তি স্বাক্ষর
- প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধের দাবি মজুদারের
- নোয়াখালি সোসাইটির উপদেষ্টা আমানতের ইন্তেকাল
- বাংলাদেশি স্পোর্টস কাউন্সিলের ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- আওয়ামী লীগের রাজনীতির ভবিষ্যৎ কী?
- ২৬ জুন ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি: বাংলাদেশিদের পরীক্ষা
- নাটকীয়তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর
- মেয়রের পদ থেকে মামদানিকে অপসারণের ষড়যন্ত্র
- নিউইয়র্কবাসীরা পাচ্ছেন ৬০০ ডলারের ট্যাক্স রিলিফ
- পিপিএল’র বিরুদ্ধে লাখো ডলার আত্মসাতের মামলা
- বিশ্বকাপে অঘটন ঘটতেই থাকবে।
- আমার দেখা ওয়ার্ড কাপ
- আজকাল ৯২৭
- ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা
- আবারও যুদ্ধ ও অবরোধের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
- পরীমণিকাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর
- এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ
- এমপিরা ‘ঋণখেলাপি’ নন, ‘ঋণগ্রস্ত’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি
- নিউইয়র্কে ভাড়া স্থিতিশীল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ
- শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড
- পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না ইরান, পাবে বিপুল বিনিয়োগ
- বিমানভর্তি অর্থ দিয়ে ইরানকে চুক্তিতে রাজি করিয়েছিলেন ওবামা
- ভারত জোর করে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে, অভিযোগ এইচআরডব্লিউর
- মোদি শান্ত ধীরস্থির এবং একজন জাঁদরেল খেলোয়াড়, আমি তেমন নই:ট্রাম্প
- জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের
- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে
- দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
- বিশ্বকাপে কালিমার সম্মান
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- আজকাল ৯০৪
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৮৯৯
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
