বিস্মিত আফগান নেতৃত্ব ও পশ্চিমা সহযোগীরা
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ ডিসেম্বর ২০১৮
আফগানিস্তানে মোতায়েন থাকা ১৪ হাজার সেনা সদস্যের মধ্যে পাঁচ হাজার সেনা সদস্যকে প্রত্যাহারের যে সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়েছেন, তাতে যেমন বিস্মিত হয়েছে আফগান নেতৃত্ব, তেমনি বিস্মিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা সহযোগীরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে পশ্চিমা কূটনীতিকদের একজন বলেছেন, ট্রাম্প যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেবেন সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনও কথা হয়নি। এখন সিদ্ধান্ত যখন হয়েই গেছে, তখন তারা পরিস্থিতি বুঝে এগোবেন।
নাইন ইলেভেনের হামলার পর ২০০১ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নির্দেশে আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর অভিযান শুরু হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শেষ হয় ২০১৪ সালে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী এখনও আফগান সেনাদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। আফগানিস্তানে এখনও ১৪ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা রয়েছে।
রয়টার্স লিখেছে, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে ক্রমেই অসহিষ্ণু হয়ে উঠছেন সে সম্পর্কে কাবুলবাসী বেশ কিছু দিন ধরেই অবগত ছিলেন। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জিম ম্যাটিসের পদত্যাগ ও তার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে তারা তারা বিস্মিত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাটিসকে এক রকম গ্যারান্টার হিসেবে দেখা হতো। তার চলে যাওয়া ও সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে আফগান কর্মকর্তাদের অনেকের মধ্যেই দুশ্চিন্তার জন্ম হয়েছে।
সম্প্রতি আবুধাবিতে আফগান তালেবানসহ অন্যান্যদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি খলিলজাদের। সেখানে তারা শান্তি আলোচনার জন্য কিছু পূর্ব শর্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা করেছেন। কিন্তু সেসব আলোচনার বিষয় এখন নিশ্চিত নয় এবং সেগুলো বাস্তবায়িতও হয়নি। এটা স্পষ্ট নয়, অস্ত্রবিরতির বিষয়ে কোনও সমঝোতা হয়ে গেছে কি না। বা আরও বড় কোনও সমঝোতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে কি না, যার কারণে ট্রাম্প ১৪ হাজারের মধ্যে পাঁচ হাজার জনকেই আফগানিস্তান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী জানুয়ারি মাসে সৌদি আরবে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির মুখপাত্র হারুন চাকানসুরি বলেছেন, পাঁচ হাজার মার্কিন সেনা চলে যাওয়ায় সামগ্রিক নিরাপত্তায় কোনও ঘাটতি হবে না। কারণ এখনও মার্কিন বাহিনী মূলত আফগান বাহিনীকে সহায়তা ও পরামর্শ দানের কাজ করে। কিন্তু মার্কিন সেনাবল কমে যাওয়ার বিষয়ে এক আফগান কর্মকর্তা বলেছেন, তালেবান যোদ্ধারা কি প্রতিক্রিয়া দেখাবে তার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হবে অভিযানের সংখ্যা কমানো লাগবে কি না।
আফগানিস্তানে ৩৮টি দেশের প্রায় আট হাজার সেনা মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীতে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধের মাধ্যমে পরিস্থিতি এখন যতটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করলে সে নিয়ন্ত্রণ নাও থাকতে পারে। একদিকে যেমন তালেবান যোদ্ধাদের কাছে শান্তি চুক্তির আবেদন কমে যেতে পারে, অন্যদিকে তেমনি তাদের ওপর হামলা হলে আফগান বাহিনীর যুদ্ধ করার মনোবল হ্রাস পেতে পারে।
আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীনে থাকা আন্তর্জাতিক বাহিনীর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পশ্চিমা বন্ধু দেশের কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমরা সবাই জানি, এ সময়ে আফগান সেনাবাহিনী মনোবল অত্যন্ত কম। তাদের যেমন অস্ত্রপাতির সংকট, তেমনি তাদের বেতন কম। তাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতাও রয়েছে।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে এভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সে বিষয়ে কাবুলে নিয়োজিত আরেকজন পশ্চিমা কূটনীতিক বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি। আমরা আজ এ বিষয়ে সভায় বসব। সবকিছু গুছিয়ে নিতে একটু সময় লাগবে। কয়েকটি দেশ এখনই তাদের সেনা প্রত্যাহারের জন্য প্রস্তুত। তারা হয়তো আগে চলে যাবে।’
আরেকজন পশ্চিমা কূটনীতিক বলেছেন, আফগানিস্তানের প্রতি তাদের যে সামরিক-অর্থনৈতিক ওয়াদা ছিল সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই পূরণ করতে হবে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীগুলোর মধ্যে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে, ‘আমাদের কি আফগানিস্তানে থাকা উচিত?’
আফগানিস্তানে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে আফগানিস্তানের অভিজাতরা কেঁপে উঠবেন। তার ভাষ্য, ‘আমরা তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি। নীতিনির্ধারকরা অনেকেই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন। তারা কি করেন, কীভাবে করেন তার দিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি।
- ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- বিয়ানীবাজার সমিতির সম্পাদক অপুর পিতার ইন্তেকাল
- কবিরহাট সমিতির নাসির উদ্দিনের স্ত্রীর ইন্তেকাল
- ক্যালিফোর্নিয়ায় ইরানের ড্রোন হামলার আশংকা!
- অধিকার আদায়ে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহবান
- একধাপ এগিয়ে গ্লোবাল ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস
- গ্রি মেকানিক্যাল এর জমজমাট ইফতার
- মঈন চৌধুরীর উদ্যোগে হবিগঞ্জের ৯ সংগঠনের মিলনমেলা
- নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন জাকির চৌধুরী
- জালালাবাদ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্টদের ইফতার পার্টি
- অলকাউন্টি হোম কেয়ারের ইফতার
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের জমজমাট ইফতার
- আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে: রাষ্ট্রপতি
- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
- ট্রাম্পের কাছে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলার ফেরত চাইলেন হোকুল
- গণতন্ত্রের শৃঙ্গ জয়ের অভিযাত্রা
- কমিউনিটির ভালবাসায় অভিসিক্ত শাহ নেওয়াজ গ্রুপ
- আজকাল ৯১৩
- এভারকেয়ারে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মির্জা আব্বাস
- ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় দ্য হানড্রেডে দল পেলেন মোস্তাফিজ
- মার্কিন রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডে আগুন, আহত দুই সেনা
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সঙ্গে ‘প্রতারণা’ করেছেন ট্রাম্প
- তেলের দাম বাড়লে লাভবান হয় যুক্তরাষ্ট্র: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আজকের সংসদ জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়ানো
- বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী— ইরানি গণমাধ্যম
- বাগেরহাটে নিহত বেড়ে ১৪, নববধূকে নিয়ে ফেরা হলো না বরের
- প্রাণবন্ত সূচনা
- সৌদি আরব থেকে আসা খেজুর কোন জেলায় কত বরাদ্দ, দেখে নিন
- ‘তেলের দাম ২৪ হাজার টাকা হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন’
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
