রোববার   ১৫ মার্চ ২০২৬   চৈত্র ১ ১৪৩২   ২৬ রমজান ১৪৪৭

সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতীয় শিক্ষার্থীর হাত-পা বাঁধার ভিডিও অস্ট্রিয়ায় স্কুলে সন্ত্রাসী হামলায় ৭ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতীয় শিক্ষার্থীর হাত-পা বাঁধার ভিডিও রুশ-যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় দফা আলোচনা শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ড কী, কখন মোতায়েন করা হয়? যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটির সবাইকে বরখাস্ত করলেন কেনেডি ফ্রান্সগামী উড়োজাহাজে চড়ে ইসরাইল ছাড়লেন গ্রেটা থুনবার্গ না ফেরার দেশে চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ সিঙ্গাপুরের ঘাম ঝরিয়েও হার বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ মার্কিন যুদ্ধবিমানের ওপর উপসাগরীয় দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উত্থাপন ইরান-ইয়েমেনের কাছাকাছি পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়েন কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা! নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধে বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে ভূমিকম্পে ১৭০ প্রিয়জন হারালেন এক ইমাম ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪২ ফিলিস্তিনি নিহত ট্রাম্প কি আসলেই তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন লিবিয়ায় অপহৃত ২৩ বাংলাদেশি উদ্ধার দুদিনে নিহত ১৩, চট্টগ্রামের জাঙ্গালিয়া যেভাবে মরণফাঁদ হয়ে উঠলো বাংলাদেশের অর্থপাচার তদন্তে ব্রিটিশ এমপিদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ভেনিজুয়েলার তেল-গ্যাস কিনলেই শুল্কারোপের হুমকি ট্রাম্পের সাভারে চলন্ত বাসে আবার ডাকাতি, চালক ও সহকারী আটক ছুটিতে এটিএম সেবা সবসময় চালু রাখার নির্দেশ উসকানিতে প্রভাবিত না হতে বললেন সেনাপ্রধান রেড ফ্ল্যাগ সতর্কতার আওতায় ২৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ এনসিপি নেতা হান্নানের পথসভায় হামলা, আহত ‘অর্ধশতাধিক’ নির্বাচনী ট্রেনে বাংলাদেশ বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্র্রঙ্কসের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাবওয়ে ট্রেনে সন্তান প্রসব নিউইয়র্কে আইস পুলিশের বিশাল অফিস উদ্বোধন মেয়রের মামলা প্রত্যাহারে প্রসিকিউটরের পদত্যাগ হাসিনা নিজেই হত্যার নির্দেশদাতা জন্ম নাগরিকত্ব বাতিল আদেশ আটকে দিল আদালতে নিউইয়র্কে ডিমের ডজন ১২ ডলার নিউইয়র্কে ভালোবাসা দিবস উৎযাপন আমেরিকান বাংলাদেশী টেক কোয়ালিশন’র আত্মপ্রকাশ জামালপুর সমিতির সভাপতি সিদ্দিক ও সম্পাদক জাস্টিস শেখ হাসিনার আমলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে বাংলাদেশিদের অস্ত্রোপচার বাতিলে কলকাতাজুড়ে হাসপাতালে হাহাকার দি‌ল্লি যাওয়া ছাড়াই পাওয়া যাবে মে‌ক্সি‌কান ভিসা বাজার থেকে উধাও বোতলজাত সয়াবিন কেউ আপনার স্ত্রীকে ‘হট’ বললে সেটা কি ভালো লাগে, প্রশ্ন সানার পাচারের ১৭ লাখ কোটি ফেরাবে কে এবাদুলের মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হংকং-দুবাইয়ে পাচারকারীরা বেপরোয়া ছিল শেখ পরিবারের প্রশ্রয়ে সোনার দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা আবু সাঈদের মৃত্যু নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য কতটুকু সত্য? দিনে মাত্র একবেলা খাচ্ছে গাজার অনেক মানুষ পছন্দের লোক নিয়োগ দিতে বদলে দেয়া হয় মেট্রোরেলের নিয়োগবিধি যানজটের কারণে নষ্ট হচ্ছে দৈনিক ১৩৯ কোটি টাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নজর চার খাতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন হাথুরুসিংহের অপকর্ম ধামাচাপা দেন পাপন ‘ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ আমেরিকার জন্য বিশাল হুমকি হবে’ নীরবে সরবে চাঁদাবাজি পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ ইন্টারনেট ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহারের উপায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বাইডেনের ভাড়া ফাঁকিবাজদের ধরতে চলছে সাঁড়াশি অভিযান সীমান্তে বাংলাদেশি কিশোরীকে গুলি করে মরদেহ নিয়ে গেল বিএসএফ ভিসা ফি ছাড়াই এবার পাকিস্তান যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা ঢাকার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাফি আটক সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ব্যয়বহুল সফরে ২৬ ব্যাংক এমডি যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ সাবেক সেনাপ্রধান ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা দিনের বেলায় মরুভূমির চেয়েও উত্তপ্ত চাঁদ ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩২৭ ৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠির সত্যতা চ্যালেঞ্জ করে ২৬৭ প্রবাসী বাংলাদেশি অক্টোবরের মধ্যেই ‘আন্দোলনের ফসল’ ঘরে তুলতে চায় বিএনপি শর্তসাপেক্ষে নিউইয়র্কে মসজিদে আজানের অনুমতি বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া গেলেন ৩১ কর্মী খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর নির্দেশ জার্মানে পাঁচ বছর বাস করলেই পাওয়া যাবে নাগরিকত্ব বিএনপি-জাপা বৈঠক সিঙ্গাপুরে বাইডেন প্রশাসনকে হাসিনার কড়া বার্তা এবার হাসিনার পাশে রাশিয়া বঙ্গ সম্মেলনের ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক ঘটনা স্টুডেন্ট লোন মওকুফ প্রস্তাব বাতিল বাংলাদেশিদের ওপর উপর্যুপরি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের উচিত আগে নিজ দেশে মানবাধিকার রক্ষা করা: শেখ হাসিনা তামিমের অবসর অভিযোগের তীর পাপনের দিকে নিউইয়র্কে এখন চোরের উপদ্রুব যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে হাতিরঝিলের ক্ষতি হবেই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি, পাঁচ দিনে নিহত ৩৫ যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটছে বাখমুত থেকে পিছু হটেছে সেনারা, স্বীকার করল রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণ ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ সুপার সাইক্লোন হবে না, দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের সুদানে যুদ্ধে সাড়ে ৪ লাখ শিশু বাস্তুচ্যুত : জাতিসংঘ পারস্য উপসাগরে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় খেলাপি ঋণে দ্বিতীয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে সারা দেশে ভোগান্তি রুশ হামলা সামলে ফের বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে যাচ্ছে ইউক্রেন রিজার্ভ সংকট, খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের দুর্বল নীতিও দায়ী পূজার ‘জিন’ একা দেখতে পারলেই মিলবে লাখ টাকা! সিরিয়ায় আর্টিলারি হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল বাইডেন না দাঁড়ালে প্রার্থী হবেন কে নাইজেরিয়ায় ৭৪ জনকে গুলি করে হত্যা ভারতে বাড়ছে করোনা, বিধিনিষেধ জারি তিন রাজ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুলা যে কোনো দিন খুলবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল দেশে করোনার নতুন ধরন, সতর্কতা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করবো: মাহিয়া মাহি মর্মান্তিক, মেয়েটিকে ১২ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেল ঘাতক গাড়ি! স্ট্যামফোর্ড-আশাসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বর্ষবরণে বায়ু-শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যে ধাক্কা কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
৫৬

বিস্মিত আফগান নেতৃত্ব ও পশ্চিমা সহযোগীরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ ডিসেম্বর ২০১৮  

আফগানিস্তানে মোতায়েন থাকা ১৪ হাজার সেনা সদস্যের মধ্যে পাঁচ হাজার সেনা সদস্যকে প্রত্যাহারের যে সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়েছেন, তাতে যেমন বিস্মিত হয়েছে আফগান নেতৃত্ব, তেমনি বিস্মিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা সহযোগীরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে পশ্চিমা কূটনীতিকদের একজন বলেছেন, ট্রাম্প যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেবেন সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনও কথা হয়নি। এখন সিদ্ধান্ত যখন হয়েই গেছে, তখন তারা পরিস্থিতি বুঝে এগোবেন।

নাইন ইলেভেনের হামলার পর ২০০১ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নির্দেশে আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর অভিযান শুরু হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শেষ হয় ২০১৪ সালে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী এখনও আফগান সেনাদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। আফগানিস্তানে এখনও ১৪ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা রয়েছে।

রয়টার্স লিখেছে, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে ক্রমেই অসহিষ্ণু হয়ে উঠছেন সে সম্পর্কে কাবুলবাসী বেশ কিছু দিন ধরেই অবগত ছিলেন।  কিন্তু প্রতিরক্ষা  মন্ত্রী জিম ম্যাটিসের পদত্যাগ ও তার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে তারা তারা বিস্মিত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাটিসকে এক রকম গ্যারান্টার হিসেবে দেখা হতো। তার চলে যাওয়া ও সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে আফগান কর্মকর্তাদের অনেকের মধ্যেই দুশ্চিন্তার জন্ম হয়েছে।

সম্প্রতি আবুধাবিতে আফগান তালেবানসহ অন্যান্যদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি খলিলজাদের। সেখানে তারা শান্তি আলোচনার জন্য কিছু পূর্ব শর্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা করেছেন। কিন্তু সেসব আলোচনার বিষয় এখন নিশ্চিত নয় এবং সেগুলো বাস্তবায়িতও হয়নি।  এটা স্পষ্ট নয়, অস্ত্রবিরতির বিষয়ে কোনও সমঝোতা হয়ে গেছে কি না। বা আরও বড় কোনও সমঝোতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে কি না, যার কারণে ট্রাম্প ১৪ হাজারের মধ্যে পাঁচ হাজার জনকেই আফগানিস্তান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী জানুয়ারি মাসে সৌদি আরবে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির মুখপাত্র হারুন চাকানসুরি বলেছেন, পাঁচ হাজার মার্কিন সেনা চলে যাওয়ায় সামগ্রিক নিরাপত্তায় কোনও ঘাটতি হবে না। কারণ এখনও  মার্কিন বাহিনী মূলত আফগান বাহিনীকে সহায়তা ও পরামর্শ দানের কাজ করে। কিন্তু মার্কিন সেনাবল কমে যাওয়ার বিষয়ে এক আফগান কর্মকর্তা বলেছেন, তালেবান যোদ্ধারা কি প্রতিক্রিয়া দেখাবে তার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হবে অভিযানের সংখ্যা কমানো লাগবে কি না।

আফগানিস্তানে ৩৮টি দেশের প্রায় আট হাজার সেনা মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীতে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধের মাধ্যমে পরিস্থিতি এখন যতটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করলে সে নিয়ন্ত্রণ নাও থাকতে পারে। একদিকে যেমন তালেবান যোদ্ধাদের কাছে শান্তি চুক্তির আবেদন কমে যেতে পারে, অন্যদিকে তেমনি তাদের ওপর হামলা হলে আফগান বাহিনীর যুদ্ধ করার মনোবল হ্রাস পেতে পারে।

আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীনে থাকা আন্তর্জাতিক বাহিনীর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পশ্চিমা বন্ধু দেশের কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমরা সবাই জানি, এ সময়ে আফগান সেনাবাহিনী মনোবল অত্যন্ত কম। তাদের যেমন অস্ত্রপাতির সংকট, তেমনি তাদের বেতন কম। তাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতাও রয়েছে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে এভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সে বিষয়ে কাবুলে নিয়োজিত আরেকজন  পশ্চিমা কূটনীতিক বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি। আমরা আজ এ বিষয়ে সভায় বসব। সবকিছু গুছিয়ে নিতে একটু সময় লাগবে। কয়েকটি দেশ এখনই তাদের সেনা প্রত্যাহারের জন্য প্রস্তুত। তারা হয়তো আগে চলে যাবে।’

আরেকজন পশ্চিমা কূটনীতিক বলেছেন, আফগানিস্তানের প্রতি তাদের যে সামরিক-অর্থনৈতিক ওয়াদা ছিল সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই পূরণ করতে হবে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীগুলোর মধ্যে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে, ‘আমাদের কি আফগানিস্তানে থাকা উচিত?’

আফগানিস্তানে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে আফগানিস্তানের অভিজাতরা কেঁপে উঠবেন। তার ভাষ্য,  ‘আমরা তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি। নীতিনির্ধারকরা অনেকেই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন। তারা কি করেন, কীভাবে করেন তার দিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি।

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর