আল-জাজিরার বিশ্লেষণ
জামায়াত কি দেশ চালাতে সক্ষম?
আজকাল ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের ৪৫ বছর বয়সী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক তার জীবনে প্রথমবারের মতো বিশ্বাস করছেন যে, তার সমর্থিত রাজনৈতিক দল একটি শাসক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে ক্ষমতায় আসার প্রকৃত সুযোগ পেয়েছে। নিজের শহরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণাকালে রাজ্জাক বলেন, সাধারণ মানুষ এবার জামায়াতকে ভোট দিতে ‘ঐক্যবদ্ধ’। বিশ্বের অষ্টম জনবহুল মুসলিম প্রধান বাংলাদেশে দলটি ‘জামায়াত’ নামেই সমধিক পরিচিত।
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম নির্বাচন। অভ্যুত্থানের পর নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। ফলে আসন্ন নির্বাচন মূলত দুই শক্তির লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। যেখানে একদিকে রয়েছে বর্তমানে অগ্রগামী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), আর অন্যদিকে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। চব্বিশের অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রদের দ্বারা গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য ইসলামপন্থি দলগুলোর সমন্বয়ে নির্বাচনী জোট করেছে দলটি।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে জামায়াতের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির চিত্র রাজ্জাকের মতো কর্মীদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কয়েক দশক ধরে বিএনপি’র জোটসঙ্গী হিসেবে থাকা জামায়াত এবার জনপ্রিয়তায় বিএনপি’র ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)-এর ডিসেম্বরের এক জরিপে দেখা গেছে, বিএনপি’র প্রতি সমর্থন ৩৩ শতাংশ এবং জামায়াতের প্রতি ২৯ শতাংশ।
গত সপ্তাহে বাংলাদেশি সংস্থা ন্যারেটিভ, প্রজেকশন বিডি, আইআইএলডি এবং জাগরণ ফাউন্ডেশন পরিচালিত যৌথ জরিপে দেখা গেছে, বিএনপি ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং জামায়াত ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ সমর্থন নিয়ে প্রায় সমানে সমান অবস্থানে রয়েছে।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট যদি বিজয়ী হতে পারে, তবে তা হবে দলটির জন্য এক অভাবনীয় ঘুরে দাঁড়ানো। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে জামায়াতকে চরম দমনপীড়নের শিকার হতে হয়েছে। ওই সময়ে দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়, শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেয়া হয় অথবা কারারুদ্ধ করা হয় এবং হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়।
হাসিনা সরকারের আমলের বিতর্কিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের ভিত্তিতেই এই দমন-পীড়ন চালানো হয়। যা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালে গঠিত হয়েছিল।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, গত নভেম্বরে সেই একই ট্রাইব্যুনাল ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনাকে চব্বিশের ছাত্র আন্দোলনে ১৪০০-এর বেশি মানুষকে হত্যার আদেশ দেয়ার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে বর্তমানে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ভারতে নির্বাসনে আছেন হাসিনা। ড. ইউনূস সরকারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও নয়াদিল্লি এখন পর্যন্ত হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য হস্তান্তরে রাজি হয়নি।
দশকের পর দশক দমনপীড়ন শেষে জামায়াতের পুনরুত্থান: ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন দেয়ার বিষয়টি আজও বাংলাদেশের অনেক মানুষকে ক্ষুব্ধ করে। তবে ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়া এবং পরে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের কারামুক্তি দলটিকে রাজনীতিতে আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও সক্রিয় করে তুলেছে।
ফরিদপুরের ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক আল জাজিরাকে বলেন, হাসিনার শাসনামলে আমাদের নেতাকর্মীরা অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন। অনেক নেতাকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের অসংখ্য কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে এবং আমাদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এখন পরিস্থিতি বদলেছে। মানুষ আমাদের ওপর হওয়া অন্যায়ের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং তারা আমাদের সততাকে মূল্যায়ন করছে। এ কারণেই তারা আমাদের ভোট দেবে।
১৯৪১ সালে বৃটিশ শাসনামলে ইসলামী চিন্তাবিদ সৈয়দ আবুল আলা মওদুদীর হাত ধরে জামায়াতের যাত্রা শুরু হয়। এরপর এটি একটি আঞ্চলিক আন্দোলন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি স্বতন্ত্র শক্তিতে পরিণত হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা ও পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে অবস্থানের কারণে ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে।
১৯৭৯ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জামায়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। খালেদা জিয়ার আমলেই জামায়াতের তৎকালীন নেতা গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পুনর্বহাল করা হয়। ২০০১ সালে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে যোগ দেয় এবং সরকারের দু’টি মন্ত্রিত্ব লাভ করে।
২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচার শুরু করেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, সাবেক আমীর মতিউর রহমান নিজামী ও সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এই ক্র্যাকডাউন দলটির নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেয় এবং টানা ১৫ বছর তাদের রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে রাখে।
চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর দলটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমান আমীর ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এবং সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে দলটি আগামী নির্বাচনের জন্য শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে।
জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. তাহের আল জাজিরাকে বলেন, গত ৫৫ বছর ধরে বাংলাদেশ মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দ্বারা শাসিত হয়েছে। মানুষ উভয়ের শাসনের অভিজ্ঞতা নিয়েছে এবং অনেকের মধ্যেই হতাশা তৈরি হয়েছে। তারা এখন দেশ পরিচালনার জন্য নতুন একটি রাজনৈতিক শক্তি চায়।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, জামায়াত সেখানে নিজেদের বিএনপি’র প্রধান বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সাফল্য এই ধারারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।
ডা. তাহেরের দেয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশে জামায়াতের প্রায় ২ কোটি সমর্থক রয়েছে, যার মধ্যে নারীসহ নিবন্ধিত সদস্য বা ‘রুকন’ সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার। এই বিশাল সাংগঠনিক কাঠামোই নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি’র মতো শক্তিগুলোকে জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হতে আগ্রহী করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের এই আগ্রহ বজায় থাকলে আমরা বিশ্বাস করি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবো।
ইসলামপন্থি শক্তির উত্থান ও উদ্বেগ: জামায়াতের এই শক্তিশালী পুনরুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে- বাংলাদেশ কি একটি ইসলামপন্থি শক্তির নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত? সমালোচকদের শঙ্কা, ক্ষমতায় এলে দলটি শরিয়াহ আইন কার্যকর করতে পারে কিংবা নারীদের অধিকার ও স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে।
তবে জামায়াত নেতারা এসব আশঙ্কা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তাদের দাবি, তারা দেশের বিদ্যমান ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের আলোকেই রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন এবং সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেবেন। দলটির নায়েবে আমীর ডা. তাহের বলেন, আমরা ক্ষমতায় এলে সবার সম্মতিক্রমে গৃহীত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবো। সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি দমনে যেখানে নতুন আইনের প্রয়োজন হবে, আমরা তখন তা পর্যালোচনা করবো।
তিনি জামায়াতকে একটি ‘রক্ষণশীল’ দল হিসেবে তকমা দেয়ার বিরোধিতা করে নিজেদের ‘মডারেট’ বা মধ্যপন্থি ইসলামী শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন। তার মতে, আদর্শ চাপিয়ে দেয়ার চেয়ে সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমেই তারা দেশ পরিচালনা করতে চান।
ডা. তাহের জানান, এনসিপি এবং ১৯৭১-এর যুদ্ধজয়ী বীর অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে তাদের জোট মূলত একটি প্রজন্মের মেলবন্ধন। এটি একাত্তরের স্বাধীনতার স্পৃহার সঙ্গে চব্বিশের গণ-আকাংক্ষাকে একীভূত করার প্রচেষ্টা, যা কোনো কট্টর আদর্শিক অবস্থান নয়।
নিজেদের মুসলিম সমর্থক গোষ্ঠীর বাইরেও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে জামায়াত এবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে। দলটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তারা একজন হিন্দু প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে। খুলনা-১ আসন থেকে কৃষ্ণ নন্দী নামে এক হিন্দু নেতাকে প্রার্থী করে দলটি বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিফ বিন আলী মনে করেন, বাংলাদেশের ভোটাররা আগের চেয়ে অনেক বেশি ধর্মপ্রাণ হলেও তারা রাজনৈতিকভাবে বেশ বাস্তববাদী। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, সমাজের একটি বড় অংশ ইসলামী ভাবধারার দিকে ঝুঁকছে ঠিকই, কিন্তু এর মানে এই নয় যে, তারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব কোনো রক্ষণশীল ইসলামী নেতৃত্বের হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত। বাংলাদেশে মধ্যপন্থি ও বাম ঘরানার ভোটারদের সংখ্যা এখনো অনেক বেশি, যারা রাষ্ট্রকে কট্টর ইসলামী ধাঁচে পুনর্গঠনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করবে।
আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক থমাস কিন মনে করেন, জামায়াতের বড় সুযোগ তাদের ইসলামী পরিচয়ে নয়, বরং একটি সুশৃঙ্খল ও ‘পরিচ্ছন্ন’ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের ভাবমূর্তি তুলে ধরার মাঝে। বিশেষ করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রতি বীতশ্রদ্ধ ভোটারদের কাছে এটি একটি বড় আকর্ষণ হতে পারে।
তবে কিন সতর্ক করে বলেন, দলটির অতীত বিতর্ক এবং কিছু আদর্শিক অবস্থান এখনো অনেক ভোটারের মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কারণ। তার মতে, আগামী নির্বাচনে জামায়াত হয়তো তাদের ইতিহাসের সেরা ফল করতে যাচ্ছে। কিন্তু জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আমি এখনো সন্দিহান। কারণ এর আগে কোনো নির্বাচনেই তারা ২০টির বেশি আসন বা ১২ শতাংশের বেশি ভোট পায়নি।
বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অগ্নিপরীক্ষা: আসন্ন নির্বাচন এবং সেখানে জামায়াতের ফলাফল প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে- বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে গণ্য হতে পারে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের থমাস কিন সতর্ক করে বলেছেন, হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে বিএনপি’র চেয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন সরকার বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ভারত নির্বাচনের পর একটি নতুন শুরুর অপেক্ষায় আছে, কিন্তু ক্ষমতায় জামায়াত থাকলে বিএনপি’র তুলনায় সেটি বেশি কঠিন হবে। উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মারপ্যাঁচে জামায়াত এবং ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি’র (নরেন্দ্র মোদির হিন্দুত্ববাদী দল) পক্ষে একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত দুরুহ হবে।
কিন আরও উল্লেখ করেন যে, ঢাকায় যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং পানি বণ্টনের মতো দীর্ঘস্থায়ী ইস্যুগুলো ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে উত্তাপ ছড়াবেই।
অন্যদিকে, চব্বিশের আগস্টে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে উভয় দেশ কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও পরিবহন সংযোগ চালুর বিষয়ে আলোচনা এবং উচ্চপর্যায়ের সরকারি সফর শুরু করেছে।
জামায়াত সমর্থকদের মতে, ১২ই ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচন কেবল একটি ভোট নয়, বরং এটি একটি গণভোটের মতো। দীর্ঘদিন ধরে বর্জন ও বিতর্কের মুখে থাকা একটি দল তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতাকে জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য শাসন ক্ষমতায় রূপান্তর করতে পারে কিনা, এটি তারই পরীক্ষা।
সোয়াস (এসওএএস) ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক খান মনে করেন, এবারের লড়াই আদর্শের চেয়ে সুশাসনের প্রতিশ্রুতির ওপর বেশি নির্ভর করবে। তিনি বলেন, এই নির্বাচন ইসলাম বনাম ধর্মনিরপেক্ষতা কিংবা বাম বনাম ডানপন্থার লড়াই হবে না। এটি হবে মূলত সংস্কার বনাম স্থিতাবস্থার লড়াই। যে জোট স্থিতিশীলতা বজায় রেখে সংস্কারের একটি বিশ্বাসযোগ্য রূপরেখা দিতে পারবে, তারাই নির্বাচনে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে।
- ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স বাবা হতে চলেছেন
- নিউইয়র্কে জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মদিবস পালন
- ব্রংকসে এসেন্ড এবিএ ও চিশতি সিপিএ অফিস উদ্বোধন
- আরও ৩৬ বাংলাদেশি ডিপোর্ট
- গাড়ির ইন্স্ুেরন্স ও চুরি কমানোর উদ্যোগ
- ব্রংকসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাকির চৌধুরীর পেছনে ঐক্যবদ্ধ। নিউইয়র্
- যাদের ভোটে বদলে যেতে পারে সমীকরণ
- ৩০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ তুষারঝড় নিউইয়র্কে!
- আল জাজিরাকে সজীব ওয়াজেদ জয়
‘হাসিনা আর রাজনীতি করবেন না’ - আল-জাজিরার বিশ্লেষণ
জামায়াত কি দেশ চালাতে সক্ষম? - কুফরি ও হঠকারিতার বিরুদ্ধে তারেক
- রব ও মান্না নেই বিএনপির সাথে
- নিউইয়র্কের খোকন তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বি
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- পাকিস্তানী পুলিশ তালহা অফিসার যৌন হয়রানীর অভিযোগে সাসপেন্ড
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ
বেপড়োয়া ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধ্বস - আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- নতুন রেকর্ড গড়ে স্বর্ণের ভরি আড়াই লাখ টাকা ছাড়াল
- ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ
- গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সিদ্ধান্ত বদলালেন ট্রাম্প
- অভিবাসন ইস্যুতে মানবিক হওয়ার আহ্বান মামদানির
- ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
- শ্বশুরবাড়ি গিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান
- মাঠের ভোটযুদ্ধ শুরু
- সরকারি বেতন দ্বিগুণ করার সুপারিশ
- ফ্রান্স ও ন্যাটো প্রধানের বার্তার স্ক্রিনশট ফাঁস করলেন ট্রাম্প
- ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর
- রাশিয়ার হামলায় কিয়েভের প্রায় অর্ধেক এলাকা বিদ্যুৎবিহীন: ইউক্রেন
- গাজায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাস
- ভিসা বন্ড আজ থেকে চালু
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- সরাসরি কাবার ওপর সূর্য, বিরল মহাজাগতিক ঘটনা
- আজকাল ৮৮২ তম সংখ্যা
- ১৮ জুলাই সবাইকে বিনা মূল্যে ১ জিবি ইন্টারনেট দেবে সরকার
- আজকাল সংখ্যা ৮৭৯
- এক কোটি আইডি ডিলিট করল ফেসবুক, শুদ্ধি অভিযানের ঘোষণা
- কবির জন্য একটি সন্ধ্যা
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৭৮
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- ট্রাম্পের চাপে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা অ্যাপলের
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮১ তম সংখ্যা
- রেকর্ড দামের পর ক্রিপ্টোকারেন্সির দরপতন
- আজকাল ৮৮৯
- প্রথমবারের মতো ১ লাখ ২০ হাজার ডলার ছাড়াল বিটকয়েনের দাম
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
