কোরিয়ার আকাশে শান্তির পায়রা
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮
১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল। তিন বছরব্যাপী প্রাণক্ষয়ী যুদ্ধ। লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু। এরপর প্রায় সাত দশক বিচ্ছিন্নতা আর সম্পর্কের টানাপোড়েন। বিশাল এ সময়ে শুধু উত্তেজনার উত্তাপই ছড়িয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে সশস্ত্র সীমান্তে থেকে থেকেই মারণাস্ত্রের ঝনঝনানি।
যুদ্ধের দামামা। উত্তরের দফায় দফায় পরমাণু অস্ত্র আর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা।
ভয়-আশঙ্কায় কত নির্ঘুম রাত কেটেছে উপদ্বীপের বাসিন্দাদের। শত্রুশক্তি নির্মূলে পরাশক্তির হাত ধরা। ৬৮ বছর ধরে একে অন্যকে টপকানোর এই রেষারেষিই ছিল দুই কোরিয়ার দৈনন্দিন চালচিত্র। চলতি বছরের শুরু পর্যন্তও ছিল ভয়ংকর পরমাণু যুদ্ধের শঙ্কা।
কখন যুদ্ধ বাধে- সারাবেলায় থমথমে থাকত সীমান্ত। একের পর এক সামরিক মহড়া। পরমাণু বোমা নিক্ষিপ্ত হলে কত প্রাণহানি হতে পারে, সেই হিসাবও কষা হচ্ছিল। অবশেষে সেই ভয় কাটল। শান্তির দূত হয়ে উদয় হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন।
এক ঐতিহাসিক শান্তি প্রক্রিয়া দেখল সারা দুনিয়া। শত্রুতা ভুলে শান্তির পায়রা উড়ল কোরিয়ার ‘বোমারু’ আকাশে। বারবার জেগে উঠেছে পিতৃ-পুরুষের নাড়ির টান। ফের একে অপরের সঙ্গে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে ‘এক উঠানের’ দুই কোরিয়া। ২০১৭ সালের মে’তে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপরই উত্তরের সঙ্গে চলা দীর্ঘদিনের শত্রুতার অবসানের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
মূলত তার আগ্রহ ও প্রচেষ্টাতে চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হয় শান্তি প্রক্রিয়া। দু’দেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম পানমুনজমে প্রথমবারের জন্য উত্তরের নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হন মুন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈঠকটি ঐতিহাসিক হওয়ার প্রথম কারণ হল, দুই কোরিয়ার পুনর্মিলনের পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয়টি হল, এতে দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণের আবেগময় ইতিবাচক সম্মতি।
২৭ এপ্রিল সকালে শান্তির বার্তা নিয়ে সীমান্তগ্রাম ‘পানমুনজমে’ পা রাখেন কিম ও মুন। ‘প্রতিপক্ষের’ অবস্থান থেকে আসন ছেড়ে প্রথমে উত্তরের ‘যুদ্ধংদেহি’ প্রেসিডেন্ট কিমই স্বদেশের সীমারেখা পেরিয়ে ‘পানমুনজমে’ এগিয়ে যান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুন। কোরিয়া যুদ্ধের পর উত্তরের প্রথম কোনো নেতা হিসেবে দক্ষিণে পদার্পণ করা কিমকে দেয়া হয় গার্ড অব অনার।
যে বাড়িটিতে এই ঐতিহাসিক বৈঠক করেন, সেটির নাম দেয়া হয়েছে ‘পিস হাউস’ বা শান্তির বাড়ি। এই শান্তির বাড়িতে বৈঠকের পর কিম ও মুন অসামরিকীকৃত অঞ্চলে গাছের চারা রোপণ করেন। চারা রোপণকালে কিম ব্যবহার করেন দক্ষিণের মাটি, আর মুন ব্যবহার করেন উত্তরের মাটি। কিম এবং মুনের হাত মেলানো, চওড়া হাসি আর একে অপরকে জড়িয়ে ধরার দৃশ্যগুলো শান্তির বার্তা দেয়।
দূই কোরিয়ার দুই নেতা পানমুনজম বিবৃতিতে কোরীয় উপদ্বীপের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং একত্রীকরণের বিষয়ে একমত হন। এরপর মে ও সেপ্টেম্বরে আরও দুইবার কিমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুন। পিয়ংইয়ং সফরকালে বিশেষ ওই বৈঠকগুলোয় বিভিন্ন ইস্যুতে একমত হন তারা।
২০১৭ সালেই ষষ্ঠবারের মতো পরমাণু পরীক্ষা চালায় পিয়ংইয়ং। আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য অস্ত্রের পরীক্ষা ছিল নিয়মিতই। কিন্তু ২০১৮ সালে একটি ক্ষেপণাস্ত্রেরও পরীক্ষা চালায়নি উত্তর।
শান্তিপ্রক্রিয়ার এগিয়ে নিতে দুই দেশ আরও যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে রয়েছে- দুই কোরিয়ার মধ্যে রেল ও সড়কপথে আন্তঃযোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা। এরই মধ্যে দুই দেশের সীমান্ত থেকেই সরিয়ে নেয়া হয়েছে প্রচারণা মাইক। ভেঙে ফেলা হচ্ছে পাহারা চৌকি।
- আলোচনায় না এলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা: ট্রাম্প
- ১৯৬৬ সালে স্পেনে যেভাবে চারটি পারমাণবিক বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র
- নিউইয়র্কে বেকারত্ব ভাতা জালিয়াতি তদন্তে ফেডারেল "স্ট্রাইক টিম"
- জনমতের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিছিয়ে পড়ছে ইসরাইল: ভ্যান্স
- বিশ্বে ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে ৫৩তম বাংলাদেশ, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র
- আমিরাতে চালু হলো ৫ বছর মেয়াদি মাল্টিপল ভিসা
- যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প
- ঝুঁকিপূর্ণ মেট্রোরেলের ৪ পিলারের বিয়ারিং প্যাড
- প্রতারণা মামলায় আদালতে অভিনেত্রী ববি, পেলেন জামিন
- ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত
- ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বিল আটকে দিলেন ডেমোক্র্যাটরা
- মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে, কারবারিরা সংসদে যায়
- অস্ত্রের মজুত কমছে যুক্তরাষ্ট্রের
- হরমুজ দখলে নিয়ে ২০ শতাংশ শুল্ক চালুর ঘোষণা ট্রাম্পের
- বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা
- ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি, মাসে দিবি ১০ লাখ’
- এবার জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন সাদিক কায়েম
- ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে আরও হামলা, পাল্টা আঘাত তেহরানের
- প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় থাকবে ৪০ কিমি জুড়ে মানবপ্রাচীর
- ইরানে পানির পাম্পে মার্কিন হামলা, হতাহত ৫
- প্রতারণা মামলায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি
- ওয়াশিংটন পোস্টের বিশ্লেষণ
- মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রেল সেতু পুনরায় চালু করল ইরান
- ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭
- ‘হরমুজ প্রণালি কয়েক ডজন পারমাণবিক বোমার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ’
- আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ঢুকছে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পালটাপালটি হামলায় ফের ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
- রাষ্ট্রায়ত্ত ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা
- থামছে না বৃষ্টি, আজও ভারি বর্ষণের আভাস
- নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সমন
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- কোচ জাকির মৃত্যুতে মাশরাফি-তাসকিনদের শোক
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- ‘জেনা করা পাপ তবে পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় পেশার অংশ’
