যেভাবে সংযম শেখায় রোজা
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৯
না খেয়ে থাকার নামাই রোজা নয়। রোজার মূল তাৎপর্য সংযমে। শুধু ক্ষুধার সংযম নয়, মুখের সংযম, কানের সংযম, মনের সংযমসহ সকল রিপু দমনের প্রশিক্ষণকেই রোজা বলে। অর্থাৎ আত্মসংযমে নামা রোজা।
মিথ্যাচারিতা, আজেবাজে, অহেতুক কথা বলা, চোখের গিবত এবং কটু বাক্য হতে জিহ্বাকে সংযত রাখা, প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের হেফাজত করা এবং হারাম মাল না খাওয়া সর্বক্ষেত্রেই সংযত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
রোজা প্রকৃতই রোজাদারদের হাত, পা, মুখ ও অন্তঃকরণকে সংযত করে। সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তিদের রোজা চক্ষু, কান, জিহ্বা, হাত, পা এবং দৈহিক সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে যাবতীয় গুনাহের কাজ থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে অর্জিত হয়। যেমন চোখকে অবৈধ দৃষ্টিপাত থেকে ফিরিয়ে রাখা। এ প্রসঙ্গে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘মন্দ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টিপাত করা শয়তানের একটি বিষ মিশ্রিত তির। যে আল্লাহর ভয়ে এটা বর্জন করে, আল্লাহ তাকে ঈমানের এমন নূর প্রদান করেন, যার আস্বাদন সে অন্তরে অনুভব করে।’
মাহে রমজান হলো সংযম সাধনার একটি সুবর্ণ সুযোগ। আর নিরলস সাধনা হলো নিজের বিরুদ্ধে, নফ্স, রিপু ও লালিত কামনা-বাসনার বিরুদ্ধে। তাই রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘প্রকৃত মুজাহিদ তো সে-ই, যে তার নিজের নফ্স ও রিপুর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে।’ (মুসনাদে আহমাদ)
রোজা পালন বা সিয়াম সাধনার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অনর্থক কথাবার্তা, মিথ্যাচার, পরনিন্দা, গিবত, কটু বাক্য ব্যবহার প্রভৃতি গর্হিত কাজ থেকে জিহ্বাকে সংযম অবস্থায় রাখতে হবে।
নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘রোজা ঢালস্বরূপ! তোমাদের কেউ যখন রোজা রাখে, তখন যেন মুখ দিয়ে অশ্লীল ও খারাপ কথা না বলে, কেউ তার সঙ্গে ঝগড়া করলে অথবা গালি দিলে সে যেন বলে আমি রোজাদার।’ (বুখারি)
দেহকে আত্মনিয়ন্ত্রণে আনতে হলে দৈহিক প্রেরণাকে সংযত করে আত্মিক শক্তিকে সমৃদ্ধ করতে হয়। কামনা-বাসনাকে সংযত করার জন্য একদিকে ক্ষুধা, তৃষ্ণার কষ্ট সহ্য ও রিপুর তাড়নাকে পরিত্যাগ করতে হয়, অন্যদিকে জিহ্বা ও মনের চাহিদা এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এভাবে দৈহিক আকাক্সক্ষা ও প্রেরণাকে যত সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, অন্য কোনোভাবে তা সম্ভব নয়। তাই হারাম জিনিস দেখা, নিষিদ্ধ কথা শ্রবণ করা ও হারাম কাজ সম্পাদন করা প্রভৃতি থেকে নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে অবশ্যই বিরত রাখা উচিত। তবেই রোজার স্বাদ অনুভূত হবে এবং সিয়ামও প্রাণবন্ত হবে।
মাহে রমজানে ত্যাগ ও সংযম সাধনার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘পাঁচটি বিষয় রোজাদারের রোজা বিনষ্ট করে দেয় মিথ্যা বলা, কূটনামি করা, পশ্চাতে পরনিন্দা করা, মিথ্যা শপথ করা এবং খারাপ দৃষ্টিতে তাকানো।’
রোজাদারকে কু-কথা শ্রবণ করা থেকে নিজের কানকে বিরত রেখে সাধনা করতে হবে। কেননা, যেসব কথা বলা হারাম, সেগুলো শ্রবণ করাও হারাম। এ জন্যই মিথ্যা শ্রবণকারী ও হারাম ভক্ষণকারীদের পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘গিবতকারী ও শ্রবণকারী উভয়ই গুনাহের অংশীদার।’
সুতরাং সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকা, রুটিনমাফিক উপবাস করা, মসজিদে যাওয়া, তারাবি নামাজ পড়া, ইফতার আর সেহির খাওয়াতেই রোজা পালন সম্পন্ন হয় না, এর সঙ্গে রোজাদার ব্যক্তির দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সংযম সাধনা করা বাঞ্ছনীয়।
রোজাদারদের চোখকে খারাপ জিনিস দেখা থেকে বিরত রাখতে হবে। পা-কে অসৎ কাজে অগ্রসর হতে বাধা দিতে হবে। হাতকে চুরি, ডাকাতি, ঘুষ-দুর্নীতি, ছিনতাই, রাহাজানি, খুন-খারাবি, ধর্ষণ, অপহরণ, মজুতদারি, চোরাকারবারিসহ সকল প্রকার অবৈধ কাজকর্ম থেকে বা ভেজাল মিশ্রণ ও হারাম খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে হবে। কানকে নিষিদ্ধ কোনো কিছু শোনা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। মনকে কামনা-বাসনা, হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসামুক্ত রেখে মৃত্যু ও পরকালীন হিসাব-নিকাশের কথা সর্বদা স্মরণে রেখে তাকওয়া অর্জনে উন্মুখ হতে হবে।
এভাবে মাহে রমজানের কঠোর সংযম সাধনা ও নিয়ন্ত্রণ রক্ষার প্রশিক্ষণ নিতে হবে। তাহলেই সিয়াম পালন ও সংযম সাধনা পূর্ণাঙ্গ হবে।
- ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর
- চাঁদা না পেয়ে হামলা-ককটেল বিস্ফোরণ
- ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছ
- সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
- ইরান যুদ্ধে ‘আটকে’ গেছেন ট্রাম্প
- ‘পাকিস্তানে এক প্লেট বিরিয়ানির জন্য বিক্রি হয়ে যায় মানুষ’
- কান নষ্ট ভয়ংকর শব্দে
- বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নেই কোনও ট্রাফিক সিগন্যাল
- ফিলিস্তিনের দুটি মসজিদে ইসরায়েলিদের অগ্নিসংযোগ
- এবার কি ভারতে!
‘পোস্ট ডিলিট করো, নয়তো সমস্যা হবে’ - পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
- দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ!
- ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’ দিচ্ছে বিনামূল্যে কাপড় শুকানোর ড্রায়া
- জামালপুর সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ইয়েলো সোসাইটির বনভোজন অনুষ্ঠিত
- লং আইল্যান্ডে বৃহত্তম ইসলামিক হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
- এনসিপি ডায়াসপোারার স্মরণসভা ১ আগস্ট
- জ্যামাইকায় ‘জল খাবার’ রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন
- নিউইয়র্ক সিনিয়র ডে কেয়ারের বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ৯ আগস্ট সাউথ এশিয়ান প্যারেড জ্যাকসন হাইটসে
- মুনার বনভোজন অনুষ্ঠিত
- জামায়াতে ইসলামীতে নজীরবিহীন কান্ড!
- সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা
- মোদি সরকার বেকায়দায়
- কে হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তি রাষ্ট্রপতি
- রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বললেন: কোথায় কি, কোথায় পদত্যাগ!
- আজকাল ৯৩২
- ভারতের আন্দোলনে রসদ যোগাচ্ছে ব্যাঙ্গাত্মক মিম ও রিলস
- ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ
- কানাডায় বন্দুক সহিংসতা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯২১
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯০৭
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯০৮
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- বিয়ে করছেন রাফসান-জেফার!
- আজকাল ৯০৯
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯১২
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- স্বামী-স্ত্রী সর্বোচ্চ কতদিন কথা না বলে থাকা জায়েয?
- শিয়া সুন্নী দ্বন্দ্বের আদ্যোপান্ত
- পাঁচ অবস্থার আগে পাঁচ অবস্থার মূল্যায়ন করুন
- দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী
- মৃতের আত্মা কখনও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসে না
- কবরে কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্নোত্তর করা হবে?
- কেমন হবে হাশরের ময়দান
- হিজামার স্বাস্থ্য উপকারিতা
- পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য সম্পর্কে নবীজির ১০ বাণী
- ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসার কুফল
- জীবনে সুখী হওয়ার পাঁচ পরামর্শ
- মুসলিম হিসেবে মৃত্যু লাভের দোয়া
- পথ চলার আদব!
- কোরআন-হাদিসের আলোকে কবর জিয়ারতের দোয়া
- সন্তানের প্রতি লোকমান হাকীমের ১১ উপদেশ (প্রথম পর্ব)
