একাত্তরে লড়েছেন, এবার প্রাণের টানে ছুটে এলেন বাংলাদেশে
প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল ২০১৯
‘৪৭-এ দেশভাগের সময় অনেকেই দেশ ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভারতে। তাদের অনেকেই আবার যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। কিন্তু জন্মভূমির প্রতি একটা টান থেকেই যায়। যে দেশে জন্মেছেন সে দেশকে স্বাধীন করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা পেয়ে বসেছিল এমনই এক তরুণ সৈন্যের। তিনি যখন শুনলেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী মিত্রবাহিনী হিসেবে কাজ করবেন তখন আর এক মুহূর্তও চিন্তা না করে ঝাঁপিয়ে পড়লেন যুদ্ধে। বলছিলাম একাত্তরের ভারতীয় বীর সেনানী সুকৃতি কর্মকারের কথা। সুকৃতি কর্মকারের জীবনের গল্প লিখেছেন রিফাত কান্তি সেন -
একাত্তরে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালি দামাল ছেলেরা শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই মহান মুক্তিসংগ্রামে বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। মিত্রবাহিনী হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন ভারতীয় অনেক সৈন্য। নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে সেদিন তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে। ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্য ছিলেন সুকৃতি কর্মকার। যুদ্ধের শেষ দিকে ৬ ডিসেম্বর সহযোদ্ধাদের নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন তিনি। বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করতে যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন রনাঙ্গণে যুদ্ধ করেছেন। একের পর এক শত্রুকে পরাস্ত করে সামনে এগিয়ে গেছেন মিত্রবাহিনীর সদস্যরা।
মিত্রবাহিনীর একজন গর্বিত সদস্য সৃকুতি কর্মকার। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের সময়টা আমার কাছে বেশ স্মরণীয়। আমি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি করলেও মনটা কিন্তু মাতৃভূমির প্রতিই ছিল। দেশটাকে স্বাধীন করতে হবে সে চিন্তা থেকেই যখন শুনলাম যুদ্ধে যেতে হবে তখন আর একটি মুহূর্তও দেরি করিনি।’

তিনি মূলত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছত্রীসেনা (প্যারাট্রুপার) ছিলেন। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় শত্রুবাহিনীর মোকাবেলা করে রাজধানী ঢাকার রেসকোর্স মাঠে পৌঁছান ১৬ ডিসেস্বর ভোরে। ওই দিন পরাজিত পাকিস্তানি সৈন্যরা সেখানে আত্মসমর্পণ করে। একথা স্মরণ করতে গিয়ে সৃকুতি কর্মকার বলেন, ‘এ দৃশ্য সত্যি আনন্দের। শত্রুরা আত্মসমর্পণ করছে। একে একে আর আমরা বাঙালি মুক্তিকামী মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতে পেরে বেশ আনন্দে ছিলাম। এ যেন- দুঃখের পরেই সুখের পরশ।’
কে এই সুকৃতি কর্মকার?
ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করলেও সৃকুতি কর্মকার ছিলেন মেঘনাপাড়ের সন্তান। তার পৈতৃক বাড়ি ছিল চাঁদপুর জেলায়। তার বাবার নাম মনোরঞ্জন কর্মকার এবং মা হরপ্রিয়া কর্মকার। ’৪৭-এ দেশভাগের সময় তারা সপরিবারে চলে যান ভারতের আসানসোলে। ১০ ভাই-বোনের মধ্যে সুকৃতি কর্মকার সবার ছোট।
এই পরিণত বয়সে প্রাণের টানে ছুটে এসেছেন বাংলাদেশে। তিন সন্তানের বাবা সুকৃতি কর্মকার স্ত্রী কনিকা কর্মকারকে নিয়ে ঘুরে দেখেন প্রিয় জন্মস্থান চাঁদপুর শহর। রোববার (২১ এপ্রিল) বিকেলে চাঁদপুর শহরের বড়স্টেশন এলাকার তিন নদীর মোহনা ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় কথা প্রসঙ্গে ফিরে যান ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে। বাংলাদেশের এত উন্নতি দেখেও বেশ অভিভূত তিনি।

অন্যদিকে, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এমন একজন বিদেশি সেনার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি শুনে ভালো লাগার কথা জানালেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মিজানুর রহমানও।
সুকৃতি কর্মকারের প্রত্যাশা :
যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকে দেখলেও তার কন্যা ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখা হয়নি সুকৃতি কর্মকারের। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশটাকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সে দৃশ্যপট নিজ চোখে দেখে তিনি বলেন, ‘একাত্তরে যখন বাংলাদেশে আসি তখনকার দৃশ্য আর এখনকার দৃশ্য যেন আকাশ-পাতাল পার্থক্য। কী ছিল বাংলাদেশ, আর এখন কী হয়েছে। এতটাই উন্নতি করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা যে, সেকথা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। খুব ইচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যার সঙ্গে দেখা করার। এ দেশটাকে স্বাধীন করেছি তারই পিতার ডাকে। যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসূরি কে কাছ থেকে দেখতে কার না ইচ্ছা জাগে বলুন। যদি সুযোগ থাকতো তবে দেখা করতাম ওনার সঙ্গে।’

বড় কোনো পুরস্কার পাননি তিনি :
সুকৃতি কর্মকার চাকরি থেকে অবসর নিয়ে নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধারা ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেলেও মিত্রবাহিনীর সদস্যরা সেসব সুবিধা পান না। তবে এতে তার কোনো আক্ষেপও নেই। যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ওয়্যার মেডেল পেয়েছিলেন এই যোদ্ধা। এছাড়া আর কোনো সম্মাননা পাননি তিনি।
- `বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো নারীরা অশুভ`
- পশ্চিমা সম্প্রসারণবাদই ইউক্রেন সংকটের মূল: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- সাত মাসে ৪০০ ধর্ষণ, শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা ৬০৬
- মন্ত্রিসভায় পাস হলেও গেজেট হচ্ছে না পে-স্কেলের
- র্যাব বিলুপ্ত, যাত্রা শুরু এসআরবির
- মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ‘দুর্বল’ ট্রাম্প
- জ্বালানিসংকট সমাধানে কয়লা উত্তোলনে জোর
- যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড, আগস্টেই প্রবৃদ্ধি ২৫.৬৫ শতা
- ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে ধ্বংস শত শত ভবন ও ড্রোন
- রেলের জমিতে দখলের রাজত্ব
- এয়ারলাইন্সের বিল ডলারে নেওয়ার সিদ্ধান্ত
- হুতিদের ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সৌদি-ইসরায়েল যোগাযোগ
- গুজব ছড়ানো পেজ ও অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ
- গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ৫৫% নিটওয়্যার রপ্তানি আদেশ বাতিল বা কমেছে
- পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন
নিচের গ্রেডে ৫% ইনক্রিমেন্ট - রাজধানীতে বাড়ছে অজ্ঞাত লাশ
- ভাঙনের পথে যুক্তরাজ্য
- এআই নিয়ে সমালোচকদের কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
- এআই নিয়ে সমালোচকদের কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
- ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা পুতিনের পরিকল্পিত উসকানি
- সিন্ডিকেটে বন্দি খাদ্যগুদাম
- ৮৯৩ বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের নথি গায়েব!
- নেতার মোটরসাইকেল আটক,পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও
- বিদেশে ১ পয়সা বিনিয়োগের প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দিবো
- তিন মাসে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৫ হাজার
- মমেকে আগুনের পর ৬ মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
- ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেলের দখল চান ট্রাম্প
- দেশ জুড়ে ঘরে ঘরে জ্বর, হাম-ডেঙ্গুর সঙ্গে টাইফয়েড
- রাশিয়ার হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন
- ভাড়াটিয়ার তথ্য যাচাই ছাড়া ফ্ল্যাট ভাড়া নয়, হাউজিং মালিকদের র্যাব
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- আজকাল ৯১২
- আজকাল ৯১৩
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- আজকাল ৯২৪
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯১৬
- এবার স্টেডফাস্টের ১০ লাখ গ্রাহকের তথ্য ফাঁস
- আজকাল ৯১৪
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- বট বাহিনীর নৃত্য, আমিনুলের তেল ও বিব্রত জাইমা
- শেখ রাসেলের একটি প্রিয় খেলা
- ঢাকার ২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
- বিকাশের কাছে জিম্মি এজেন্টরা
- আবার ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগ: ইআইইউ
- ‘নগদ’কে অনুসরণ করে এগুচ্ছে বিকাশ!
- জাতিসংঘে অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা গৃহীত
- ৫০ হাজার আসনের ‘শেখ হাসিনা’ ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে পূর্বাচলে
- শেষ ঠিকানা আজিমপুর কবরস্থান
- শেখ হাসিনার হাতটি ধরে পথের শিশু যাবে ঘরে
- জাতীয় চেতনার স্মারক ‘দোয়েল চত্বর’
- ভেনামি চিংড়ি চাষে প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
- সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় কোভিডের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে: প্
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দিকে মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ
- প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি
- আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা স্মারক সই
