মুখের ঘা নিরাময়ের উপায়
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর ২০১৮
চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণা থেকে জানা গেছে, মুখ গহ্বরে প্রায় দুই শ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ পায়। মরণঘাতী রোগ এইডস থেকে শুরু করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হূদরোগ এবং গর্ভাবস্থায় অনেক লক্ষণ মুখের ভিতরে প্রকাশ পায়।
যেমন একটি রোগীর মুখ পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় যে, তার মাড়িতে তীব্র প্রদাহ রয়েছে, মাড়ি ফুলেছে, তাতে পূঁজ জমা হয়েছে, মাড়ি থেকে দাঁত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং সামান্য আঘাতে রক্ত বের হয়ে আসছে তবেই তাকে আমরা পেরিওডেন্টাল ডিজিজ বা মাড়ির রোগ হিসেবে বলতে পারি।
অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্ত রোগীর ইতিহাস নিয়ে দেখা যায় যে, কয়েক বত্সর যাবত তাদের ডায়াবেটিস এবং তারা নিয়মিতভাবে ইনসুলিন নেন। এই সমস্ত রোগীদের ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন থেকে একটি সুন্দর বই দেয়া হয়, তাতে তার একটা মোটামুটি ইতিহাস পাওয়া যায় যেমন- তার রক্তচাপ, অন্যান্য রোগের উপস্থিতি, খাদ্যাভাস সম্পর্কে কিছু প্রয়োজনীয় উপদেশ এবং নিয়মিতভাবে তার রক্তের শর্করা পরীক্ষার ফলাফল- দেখা যায় প্রতিমাসেই তার শর্করা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং প্রায়ই রক্তের শর্করা স্বাভাবিকের চাইতে বেশী।
জেনে রাখা প্রয়োজন রক্তের শর্করার স্বাভাবিক পরিমাণ হচ্ছে-অভুক্ত অবস্থায় ৬.৪ মিঃ মোল এবং খাবার দু’ঘন্টা পর ৭.৮ মিঃ মোলের কম। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, যে সমস্ত ডায়াবেটিক রোগী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখেন না তাদেরই মাড়ির রোগের প্রদাহ বা পেরিওডেন্টাল ডিজিজ অধিকমাত্রায় লক্ষ্যণীয়। তবে তার অর্থ এই নয় যে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদেরই এই রোগ বেশী হবে।
পরীক্ষা করে দেখা গেছে যাদের মুখে ডেন্টাল প্লাক রয়েছে এবং জিনজিভাইটিস রয়েছে তাদের ডায়াবেটিস-এর কারণে মুখের এবং মাড়ির রোগ আরও বেড়ে যায় এবং প্রদাহ আরও তীব্রতর আকার ধারণ করে পরবর্তীতে দাঁতগুলো পড়ে যায় এবং ফেলে দিতে হয়। তাছাড়া আরও একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে মাড়ির প্রদাহের কারণেই ডায়াবেটিস রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় না এবং রক্তের শর্করাও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে পারে।
সুতরাং ভালোভাবে খাদ্যদ্রব্য চিবিয়ে খাওয়ার জন্য যেমন সুস্থ্য মাড়ি ও দাঁতের প্রয়োজন তেমনি ডায়াবেটিস রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও মাড়িকে প্রদাহমুক্ত বা সুস্থ্য রাখা প্রয়োজন। মুখের আরও একটি বিশেষ রোগ মুখের ঘা। মুখের এই ঘা নানা কারণে হতে পারে- যাদের বিভিন্ন রোগ রয়েছে যেমন- ডায়াবেটিস, হূদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, রিউমাটিক, রক্তস্বল্পতা, ক্যান্সার, এইডস ইত্যাদি।
যে সমস্ত ঘা হতে পারে সেগুলোর মধ্যে লিউকোপ্লাকিয়া, লাইকেন প্লানাস ইত্যাদি রয়েছে। যারা নিয়মিতভাবে অন্যান্য রোগের চিকিত্সার সাথে ওষুধ খান তাদের মুখেও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা রোগ প্রতিরোধক শক্তি কম হওয়ায় মুখের ঘা সাময়িকভাবে দেখা দিতে পারে- যা ওষুধ বন্ধের সাথে সাথেই নিরাময় হতে পারে।
যেমন গর্ভবর্তী মায়েদের গর্ভাবস্থায় মাড়ির প্রদাহ দেখা যায় এবং গর্ভপাতের সাথে সাথেই তা নিরাময় হয়। তবে এটি সাধারণতঃ হয় হরমোনের তারতম্যের কারণে, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, মাড়িতে প্লাক জমা রয়েছে কিনা, যদি থাকে তবে তা অবশ্যই স্কেলিং করিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মুখে আরও একটি ঘা সব বয়সেই হতে পারে এর নাম ‘এপথাস আলসার’। বিশেষ কোনো (বি) ভিটামিন স্বল্পতা, কোনো দুঃচিন্তা, অনিদ্রা মুখের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা, মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদির কারণে এপথাস আলসার বেশী হয়। অনেক সময় এই ঘা আরও প্রকট হয়ে দেখা যায়।
তবে উপযুক্ত সময়ে এই ঘায়ের চিকিত্সা করাতে পারলে ভালো। এই রোগের চিকিত্সা হলো দুশ্চিন্তা দূর করা, ঘুম যাতে স্বাভাবিক হয় তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া এবং এক ধরণের ষ্টেরয়েড জাতীয় মলম ব্যবহার করলে স্থানীয়ভাবে ঐ স্থানে লেগে থেকে ঘা টিকে তাড়াতাড়ি শুকাতে সহায্য করে। আরও একটি কারণে মুখের ঘা দেখা দিতে পারে, সেটি ক্ষয়ে যাওয়া দাঁতের ধারালো অংশ ক্রমাগতভাবে যদি জিহ্বাতে অথবা গালের মাংসে ঘষতে থাকে তবে ঐ স্থানে ঘা হতে পারে। তাছাড়া কৃত্রিম দাঁত, ক্রাউন বা মুকুট, ফিলিং মেটিরিয়াল ইত্যাদির ধারালো অংশের ঘর্ষণেও ঘা হতে পারে।
সুতরাং প্রয়োজন হবে খুব তাড়াতাড়ি ঐ সমস্ত ধারালো দাঁতের চিকিত্সা করা। যেমন ধারালো দাঁতকে যদি ঘষে একটু মসৃণ করে দেয়া যায় অথবা কৃত্রিম দাঁতের ধারালো অংশকে যদি ঘষে দেয়া যায় তবেই নিরাময় সম্ভব এর জন্য বিশেষ কোনো ওষুধের প্রয়োজন নাই। সম্প্রতি আমাদের দেশে এবং পাশ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোতে (বিশেষতঃ ভারতে) গবেষণায় দেখা যায় যে, যাদের ধূমপান এবং জর্দ্দা পান ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তাদের মধ্যে মুখের ঘা খুব বেশী হয় এবং সেই সাথে মুখের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা বেশি। তবে, যাদের রক্ত পরীক্ষার পর ভিটামিন স্বল্পতা পাওয়া যাবে, তাদেরকে সেই ভিটামিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেয়া যেতে পারে।
- ঢাকার সড়ক মগের মুল্লুক
- আরেক প্রমোদতরীতে ভাইরাস ছড়ানোর সন্দেহ, ফ্রান্সে অবরুদ্ধ ১৭০০
- ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন মিডিয়ার সংবাদকে ‘ভার্চুয়াল বিশ্বাসঘাতকতা’
- হামে আক্রান্ত সেই শিশুর পাশে দাঁড়ালেন জুবাইদা রহমান
- ইরান যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস
- সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান
- প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ
- ইরানে এক রাতে ৯ বার ভূমিকম্প, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা
- তোরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবি বাংলাদেশ থেকে: সারজিসকে নীলা ইসরাফিল
- এশিয়ার অর্থনীতিতে জ্বালানি সংকটের দ্বিতীয় ধাক্কা আসছে
- হান্টাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয়, সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য
- বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ সরকারের ব্যাংকঋণ
- ৪ মন্ত্রীর পদত্যাগ, গভীর সংকটে কিয়ার স্টারমার
- দম্ভ ছেড়ে শি জিনপিংয়ের দরবারে যাচ্ছেন ট্রাম্প
- আমি আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন মানুষ: সিদ্দিকুর রহমান
- রাষ্ট্রপতির হার্টে ব্লক শনাক্ত, বসানো হয়েছে রিং
- ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে উড়িয়ে টাইগারদের ইতিহাস
- হাম ওয়ার্ডে ধুঁকছে শিশু বাড়ছে মৃত্যু, আহাজারি
- ৫৮ ঘণ্টা চুমুর রেকর্ড, ভাঙল সেই দম্পতির সংসার
- পড়ে থাকা আম কুড়ালে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
- মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ সুপার
- বরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই
- ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা `সাজানো` মনে করেন অনেক মার্কিন নাগরিক
- সড়কে অটোরিকশার নৈরাজ্য
- বাংলাদেশ কখনোই ভারতের জন্য হুমকি ছিল না
- আইআরজিসির অর্থের উৎস জানতে কোটি ডলারের পুরস্কার ঘোষণা
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ : ট্রাম্প
- ইসরায়েলি হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত
- হামে কেন এত মৃত্যু
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯৪
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- আজকাল ৮৯৭
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- আজকাল ৮৯৬
- সেক্স কমে গেলে যেসব শারীরিক সমস্যা হয় (ভিডিও)
- নবজাতকের মায়েদের স্তনের পাঁচটি সমস্যা এবং তার সমাধান
- ‘ওরাল সেক্স’র আগে-পরে দাঁত ব্রাশ করতে নিষেধ চিকিৎসকদের
- দেহ বিষমুক্ত রাখতে গরম পানি পানের উপকারিতা
- স্যানিটারি প্যাড তরুণ প্রজন্মের ভয়াবহ নেশা!
- ফ্যাটি লিভারের যত সমস্যা
- প্লাস্টিক বা কাচ নয় পানি পান করুন স্বাস্থ্যকর মাটির বোতলে
- দেশের প্রধান তেলবীজ সরিষা : অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প
- মিষ্টি বা টক দই কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?
- ৬ মেডিকেল কলেজের নতুন নামকরণ
- দেশে কম বয়সে হৃদরোগ-মৃত্যু বাড়ছে
- দায়িত্বে অবহেলা হলে চিকিৎসকদের ওএসডির নির্দেশ
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার সাতটি সহজ উপায়
- শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি বুঝবেন কীভাবে?
- মাত্র ১০ মিনিটে ক্যানসার শনাক্ত! এরপর চিকিৎসা…
