মানবিক চিকিৎসক থেকে দানবিক শাসক
প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়াতে গত ২৭ নভেম্বর থেকে হঠাৎ করেই স্বৈরশাসক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে দেশটির বিদ্রোহীরা। অপ্রতিরোধ্য গতিতে দেশটির বিদ্রোহীরা মাত্র ১২ দিনে পতন ঘটিয়েছে সিরিয়ার আসাদ পরিবারের ৫৪ বছরের এবং বাশার আল আসাদের ২৪ বছরের শাসনামলের।
জনরোষ আর সশস্ত্র বিদ্রোহের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন সিরিয়ার 'স্বৈরশাসক' প্রেসিডেন্ট আসাদ। তবে ক্ষমতার শুরু থেকেই কি এমন ছিলেন আসাদ?
১৯৬৫ সালে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে বাশার আল আসাদের জন্ম। দামেস্কে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি। দামেস্ক ইউনিভার্সিটি থেকে চক্ষুবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করেন।
বড় ভাই বাসিল আল-আসাদ ছিলেন পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার। অন্যদিকে বাশার রাজনীতির বাইরে থেকে লন্ডনে চোখের ডাক্তার হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। চিকিৎসক হয়ে মানুষের মানবিক সেবাই ছিল বাশারের লক্ষ্য।
তবে ১৯৯৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় বড় ভাই বাসিলের মৃত্যুর কারণে চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছাকে বাদ দিয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হতে হয় বাশারকে। ২০০০ সালে বাবার মৃত্যুর পর মাত্র ৩৪ বছর বয়সে উত্তরসূরি হিসেবে দেশের শাসনভার নিজের কাঁধে তুলে নেন বাশার আল-আসাদ।
শাসনামলের শুরুর দিকে বাশার সংস্কারের ভূমিকা রাখেন। প্রশাসনিক-রাজনৈতিক সংস্কারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক উদারীকরণের পথে হাঁটেন। এ ক্ষেত্রে বাবার আমলের বেশ কিছু কঠোর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেন তিনি।
তবে পরিস্থিতি ক্রমেই বদলে যায়। সংস্কারকের ভূমিকা থেকে আসাদ কর্তৃত্ববাদী শাসক হয়ে উঠতে শুরু করেন। বিরোধী মত দমনে তাঁর কুখ্যাতি ছড়াতে থাকে। সিরিয়ায় গ্রেপ্তার করা হয় অনেক সরকারবিরোধী শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবীকে। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমা গণতন্ত্র সিরিয়ার জন্য নয়।’
বাশার ক্ষমতা নেওয়ার আগে থেকেই সিরিয়ার তরুণদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, দুর্নীতি, রাজনৈতিক ও বাক্স্বাধীনতার অভাববোধ থেকে তুমুল হতাশা ছিল, যা উসকে দেয় আরব বসন্ত।
২০১১ সালের মার্চে সিরিয়ার দক্ষিণের শহর দেরাতে প্রথম সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ দমাতে সরকারি বাহিনীকে মাঠে নামান বাশার। ব্যাপক দমন–পীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীরা বাশারের পদত্যাগের দাবি তোলেন। এতে বেড়ে যায় দমন–পীড়ন। সেই সঙ্গে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পুরো সিরিয়ায়।
‘আল্লাহু আকবার’ বলে আসাদের বাবার ভাস্কর্য ভেঙে ফেলে বিদ্রোহীরা‘আল্লাহু আকবার’ বলে আসাদের বাবার ভাস্কর্য ভেঙে ফেলে বিদ্রোহীরা
টানা ১৩ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের কারণে ধন-মান-ঐতিহাসিক পুরাকীর্তিতে সমৃদ্ধ দেশ বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইতিহাসের ভয়াবহতম মানবিক সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে দেশটিকে। দীর্ঘ এই গৃহযুদ্ধে সিরিয়ায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। উদ্বাস্তু হয়েছে দেশটির প্রায় অর্ধেক মানুষ। ইতিহাসের সবচেয়ে করুণ মানবিক সংকট শুরু হয় সিরিয়ায়।
বছরের পর বছর ধরে চলা যুদ্ধ সিরিয়াকে ধ্বংস করে দিয়েছে। একইসাথে দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু, অবকাঠামোকে ধ্বংস এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে চরম দুর্দশায় ফেলেছে। এটি এমন একটি মানবিক সংকট তৈরি করেছে যেখান থেকে পুনরুদ্ধারের কোনো সুস্পষ্ট পথ নেই।
২০২১ সালের জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে সিরিয়ান সরকার কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন নৃশংসতা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক হামলা, জনবহুল এলাকায় বিমান হামলা, বেসামরিক মানুষদের ক্ষুধার্ত রাখতে দেয়া অবরোধ এবং মানবিক সাহায্যে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ।
জাতিসংঘের ধারণা, যুদ্ধের কারণে ২০২২ সাল নাগাদ আনুমানিক তিন লাখ ছয় হাজার ৮৮৭ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। আরও হাজার হাজার মানুষ অনাহার, রোগ এবং স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মারা গেছে।
এছাড়া, সিরিয়ায় যুদ্ধের আগের দুই কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হওয়া ৬৮ লাখ মানুষের মধ্যে ২০ লাখেরও বেশি লোক সীমিত সুবিধা নিয়ে ভিড়ে উপচে পড়া শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছে।
এর বাইরে আরও প্রায় ৬০ লাখ মানুষ দেশটি ছেড়ে পালিয়েছে, যার বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছে লেবানন, জর্ডান এবং তুরস্কে। এসব দেশে সবমিলিয়ে ৫৩ লাখ সিরিয়ান শরণার্থী রয়েছে।
ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা প্রোগ্রামের পরিচালক জুলিয়েন বার্নেস-ডেসি বলেন, "এই যুদ্ধের কেন্দ্রে আছে কর্তৃত্ববাদ"।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা ও ইন্টারনেট
- মহিলারা জামায়াতের আমির হতে পারবেন না
- ওয়াশিংটনের রায়ে বাংলাদেশ পাচ্ছে ৫১৬ কোটি টাকা
- অ্যাসেম্বলী ডিস্ট্রিক্ট৩৬ নির্বাচন ৩ মঙ্গলবার মেরী, ডিয়ানা ও রানা
- ইমিগ্রেশন ভিসা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে ৭৫ কংগ্রেস্যানের চিঠি
- আজকাল সম্পাদকের জন্মদিন পালিত
- ম্যানহাটনে আইস বিরোধী বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার
- হৃদয়ে একুশ
সম্মিলিত একুশ উদযাপন জুইস সেন্টারে - যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘আইস আউট’ ধর্মঘট ৩০-৩১ জানুয়ারি
- আইস নিষিদ্ধের দাবিতে ড্রামের বিশাল মিছিল
- নিউইয়র্কে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বাড়লো
- ‘আইস পুলিশ’ অর্থায়নে বিল সিনেটে বাধাগ্রস্ত
- আইস পুলিশ বিলুপ্তের দাবি জানালেন ওকাসিও কর্টেজ
- ভোটের উত্তাপে কাঁপছে বাংলাদেশ
- স্টেট সিনেটে হাইরাম মুনসেরাতকে সাপ্তাহিক আজকালের এনডোর্সমেন্ট
- আজকাল ৯০৭
- ইরানে জুনের চেয়েও ‘ভয়াবহ’ হামলা চালাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- ‘নীরবে’ বাড়ানো হলো সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর
- ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে স্বীকৃতি দেবে স্পেন
- ‘যে দল নির্বাচিত হবে আমরা তাদের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত’
- ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের কোনো কারণ খুঁজে পাই না
- তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, ২০ জনের মৃত্যু
- উত্তর গাজার বসতি, কৃষিজমি মুছে ফেলছে ইসরায়েল
- সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিনতাই, ঢাবি ছাত্রদল নেতার দায় স্বীকার
- ট্রাম্পের ‘ডনরো মতবাদ’: নির্দেশ মানো, নইলে শাস্তি
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- ইরানে হামলার প্রস্তুতি
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরি মোতায়েন - ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ৫০
- বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করলো আইসিসি
- জন্মগত ত্রুটি নিয়ে শিশু জন্মহার ব্যাপক বাড়ছে
- যুক্তরাজ্যে জনপ্রিয় এআই গার্ল ‘আমেলিয়া’, ছড়াচ্ছে মুসলিম বিদ্বেষ
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- সরাসরি কাবার ওপর সূর্য, বিরল মহাজাগতিক ঘটনা
- আজকাল ৮৮২ তম সংখ্যা
- আজকাল সংখ্যা ৮৭৯
- এক কোটি আইডি ডিলিট করল ফেসবুক, শুদ্ধি অভিযানের ঘোষণা
- কবির জন্য একটি সন্ধ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- ট্রাম্পের চাপে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা অ্যাপলের
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- আজকাল ৮৮১ তম সংখ্যা
- রেকর্ড দামের পর ক্রিপ্টোকারেন্সির দরপতন
- প্রথমবারের মতো ১ লাখ ২০ হাজার ডলার ছাড়াল বিটকয়েনের দাম
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- বাচ্চাগুলোর ড্রপ আউট : দায় কার
- মালিতে অতর্কিত হামলায় ওয়াগনারের ৫০ সৈন্য নিহত
- তালিকা বানাবে পাঁচ প্রতিষ্ঠান ঢাকা অফিস
- খিজির হায়াৎ হত্যার পরিকল্পনাকারী ২ জঙ্গি রিমান্ডে
- ৫ কোম্পানির বোতলজাত পানি মানহীন
- ইসরায়েলের হামলায় ১৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত
- মসজিদ ভাঙা নিয়ে চীনে বিক্ষোভ চলছে
- দণ্ডপ্রাপ্তকে নির্বাচনের সুযোগ দিলে সংবিধান লঙ্ঘন হবে
- আবার ধেয়ে আসছে কানাডার ধোঁয়া
- শ্রীনগরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু
- হাওলাদার-নাসিরের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ
- স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জে মার্কিন জাহাজ ‘অনুপ্রবেশের’ দাবি চীনের
- রানির শেষকৃত্যে যে তিন দেশকে আমন্ত্রণ জানায়নি ব্রিটেন
- যুক্তরাজ্যের শরণার্থী হোটেলের বাইরে সহিংস বিক্ষোভ, গ্রেফতার ১৫
- নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদার হাজিরা সোমবার
- শীতে জবুথবু পুরো ভারত
