শুভ জন্মদিন মহানায়ক
প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯
উত্তম কুমার যখন ‘দৃষ্টিদান’ ছবিতে প্রথম দেখা দিয়েছিলেন তার মধ্যে উত্তম কুমার হয়ে ওঠার সম্ভাবনা কতোটা নিহিত ছিল, তা বলা কঠিন। কিন্তু তার প্রতিভার ক্রম উন্মেষে সমৃদ্ধ হয়েছে সিনেমা জগৎ। তার মতো রোমান্টিক হিরো আর আসেনি বাংলা সিনেমায়। ১৯২৬ সালের আজকের এই দিনে কলকাতার ভবানীপুরে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহানায়ক উত্তম কুমার।
তার পিতার নাম সাতকড়ি চট্টোপাধ্যায় এবং মায়ের নাম চপলা দেবী। তিন সন্তানের মধ্যে উত্তম কুমার ছিলেন সবার বড়। উত্তম কুমার কলকাতার সাউথ সাবার্বান স্কুল থেকে ১৯৪২ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন। তারপরে গোয়েঙ্কা কলেজে ভর্তি হন। টানাপোড়েনের সংসারে করতে থাকেন চাকরির সন্ধান। কলকাতার পোর্টে ২৭৫ টাকা মাইনের চাকরি নিয়ে শুরু করেন।
তবে তিনি গ্র্যাজুয়েশন শেষ করতে পারেননি। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে চলচ্চিত্র জগৎে প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। উত্তম কুমার ছোটবেলা থেকেই ছিলেন প্রচণ্ড থিয়েটার ও যাত্রার ভক্ত। পড়ালেখা ফাঁকি দিয়ে চুরি করে দেখতেন থিয়েটার ও যাত্রার রিহার্সেল। স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে ছোট গয়াসুরের ভূমিকায় অভিনয় করে হইচই ফেলে দিলেন।
উত্তম কুমার প্রথমে ‘মায়াডোর’ নামে একটি হিন্দি ছবিতে কাজ করেছিলেন কিন্তু সেটি মুক্তি পায়নি। তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল দৃষ্টিদান। কমিশন বাদ দিয়ে এই ছবিতে তিনি পারিশ্রমিক পান সাড়ে ১৩ টাকা। উত্তম-সুচিত্রা ১৯৪৯ সালে মুক্তি পেল ‘কামনা’। কিন্তু সিনেমাটি সুপারফ্লপ হয়। ১৯৫১ সালে সহযাত্রী ছবিতে উত্তম কুমার নামে অভিনয় করলেন। সেটিও সুপারফ্লপ হয়। পরের ছবি ১৯৫১ সালে নষ্টনীড় সেটিও সুপারফ্লপ। এরপর ‘সঞ্জীবনী’ এবং ‘কার পাপে’।
কিন্তু বসু পরিবার চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। এরপর ১৯৫৩ সালে প্রথম অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের বিপরীতে সাড়ে চুয়াত্তর মুক্তি পাবার পরে তিনি চলচ্চিত্রে স্থায়ী আসন লাভ করেন। এই ছবির মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সফল উত্তম-সুচিত্রা জুটির সূত্রপাত হয়।
সাড়ে চুয়াত্তর ছবির মাধ্যমে নায়ক উত্তম কুমার হয়ে উঠলেন মহানায়ক উত্তম কুমার। মহানায়ক উত্তম কুমার ১৯৫৪ সালে উত্তম-সুচিত্রা অভিনীত ‘অগ্নিপরীক্ষা’ জনপ্রিয়তার অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। উত্তম-সুচিত্রার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো- হারানো সুর, পথে হল দেরী, সপ্তপদী, চাওয়া পাওয়া, বিপাশা, জীবন তৃষ্ণা এবং সাগরিকা।
উত্তম কুমার ছিলেন একাধারে চলচ্চিত্র অভিনেতা, সুরকার, প্রযোজক এবং পরিচালক। তার চলচ্চিত্রজীবনের ৩০ বছরে ৩৫ জন অভিনেত্রীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রায় ২০১টি ছবিতে। সুচিত্রা সেনের সঙ্গে ২৯টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। সুপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ৩২টি ছবিতে অভিনয় করেছেন।
হারানো সুর প্রশংসিত হয়েছিলেন সমগ্র ভারতজুড়ে। সেই বছর ‘হারানো সুর’ পেয়েছিল রাষ্ট্রপতির সার্টিফিকেট অফ মেরিট পুরষ্কার। চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য তিনি পেয়েছেন বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, সার্টিফিকেট অব মেরিট, ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, সাংস্কৃতিক সাংবাদিক সংস্থা, প্রসাদ পত্রিকা ও ভরত পুরস্কার।
সুচিত্রা সেন উত্তম কুমার বহু সফল বাংলা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন। তার অভিনীত হিন্দি চলচ্চিত্রের উল্লেখযোগ্য হলো- ছোটিসি মুলাকাত, দেশপ্রেমী ও মেরা করম মেরা ধরম। উত্তম কুমার পরিচালক হিসেবেও সফল। কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী, বনপলাশীর পদাবলী ও শুধু একটি বছর ছবির সাফল্য তাই প্রমাণ করে। সঙ্গীতের প্রতিও তার অসীম ভালবাসা ও আগ্রহ ছিল। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে এবং শ্যামল মিত্রের গানেই সবচেয়ে বেশি ঠোঁট মিলিয়েছেন তিনি।
উত্তম কুমার গৌরী দেবী কে বিয়ে করেন। তাদের একমাত্র ছেলে গৌতম চট্টোপাধ্যায়। ১৯৬৩ সালে উত্তম কুমার তার পরিবার ছেড়ে চলে এসে তৎকালীন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর কাছে। তার সঙ্গে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বসবাস করেন। তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সুপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে ছিলেন।
বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এই ‘মহানায়ক’ ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই মাত্র ৫৩ বছর বয়সে কলকাতায় বেলভিউ ক্লিনিকে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। মহানায়ক উত্তম কুমার তার চলচ্চিত্রজীবনের যা দিয়ে গেছেন তার জন্য যুগ যুগ ধরে মানব হৃদয়ে চিরস্বরনীয় হয়ে থাকবেন।
- গ্রিস উপকূলে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু: ২১ বাংলাদেশি উদ্ধার
- আওয়ামী পরিবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- ব্র্রংকস কমিউনিটির উদ্যোগে আলবেনিতে বাংলাদেশ ডে
- ব্রংকসে ডিটেকটিভ দিদারের নামে রাস্তা
- ‘ড. ইউনূসকে ২০২৯ পর্যন্ত রাখতে চেয়েছিল’
- ট্রাম্পের আঙ্গিনায় ডেমোক্র্যাটদের বিজয়
- বিমানবন্দরে আইস পুলিশ মোতায়েন
- বাংলাদেশিদের ঈদের জামাতে মেয়র মামদানি
- ইরানকে আলোচনায় বাধ্য করার চেষ্টা
- দৃশ্যমান হচ্ছে আওয়ামী লীগ
- মার্কিন সেনাদের রুখতে ইরানের ১০ লাখ যোদ্ধা প্রস্তুত
- ডা. জুবাইদা রহমান প্রশংসিত
- সেন্ট্রাল পার্কে মুসলিম নারীকে হিজাব খুলে ধর্ষণচেষ্টা
- নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৩০ ডলার!
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বৃহত্তম বিক্ষোভ শনিবার
- ৫ লাখ নিউইর্য়কার মেডিকেইড সুবিধা হারাচ্ছেন
- নিউইয়র্ক স্টেট আইনসভা বাংলাদেশময়
- বট বাহিনীর নৃত্য, আমিনুলের তেল ও বিব্রত জাইমা
- ১/১১ কুশীলবরা গা ঢাকা দিচ্ছে
- নিউইয়র্ক সিটিতে ৮ হাজার কলেজ শিক্ষার্থীই হোমলেস
- আজকাল ৯১৫
- ভিয়েতনামে দলের সঙ্গে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী
- সংসার ভেঙে গেল মৌসুমী হামিদের
- যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল সামিটে জুবাইদা রহমান
- ইসরায়েলের অন্যতম বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- শাসক বদলেছে, শোষণের ধারা বদলায়নি: শফিকুর রহমান
- নবীন ফ্যাশনের শোরুম বন্ধের ঘটনায় হাতিরঝিল থানার ওসি ‘ক্লোজড’
- জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত
- ট্রাম্পের শান্তি আলোচনার প্রস্তাবে দুশ্চিন্তায় ইসরায়েল
- টেনে তোলা হয়েছে বাস, বের হচ্ছে একের পর এক মরদেহ
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- শেখ হাসিনা একজন ছোটখাটো হিটলার: মাহমুদুর রহমান
- শেখ রাসেলের একটি প্রিয় খেলা
- ঢাকার ২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
- বিকাশের কাছে জিম্মি এজেন্টরা
- আবার ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগ: ইআইইউ
- ‘নগদ’কে অনুসরণ করে এগুচ্ছে বিকাশ!
- জাতিসংঘে অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা গৃহীত
- ৫০ হাজার আসনের ‘শেখ হাসিনা’ ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে পূর্বাচলে
- শেষ ঠিকানা আজিমপুর কবরস্থান
- শেখ হাসিনার হাতটি ধরে পথের শিশু যাবে ঘরে
- সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় কোভিডের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে: প্
- ভেনামি চিংড়ি চাষে প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দিকে মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ
- প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি
- আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা স্মারক সই
- জাতীয় চেতনার স্মারক ‘দোয়েল চত্বর’
