শিশুর উচ্চতা কমবেশি কেন হয়
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮
কোনো শিশু বড় হয়ে কতটা লম্বা হবে তা জন্মের পরপরই সঠিকভাবে বলে দেয়া না গেলেও মা-বাবার উচ্চতা মেপে চিকিৎসকরা একটা আন্দাজ করতে পারেন। ষোল-সতেরো বছর পর্যন্ত কারও লম্বা হওয়ার সময়। এরপর পঁচিশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২/১ সেন্টিমিটার উচ্চতা বাড়তে পারে; এরপর আর নয়।
সাবালক হওয়ার পর লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। কোনো শিশু জন্মের সময় ২০ ইঞ্চি লম্বা হলে প্রাপ্ত বয়সে যদি ৬ ফুট (৭২ ইঞ্চি) উচ্চতা হতে হয় তবে তাকে ১৪ বছরে আরও ৫০ ইঞ্চি লম্বা হতে হবে। গড়ে প্রতি বছর ৪ ইঞ্চি করে। বাস্তবে সবসময় একই হারে উচ্চতা বৃদ্ধি পায় না।
জন্মের পরপর কয়েক বছর ও সাবালক হওয়ার সময় দ্রুত উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। অভিজ্ঞ মা-বাবারা অনেকেই তা জানেন। মানুষের উচ্চতা কমবেশি হওয়ার কারণ সাধারণত বংশগত।
অনেক রোগ বিশেষ করে হরমোনজনিত রোগে কারও কারও উচ্চতা অস্বাভাবিকরকম কম বা বেশি হয়। পৃথিবীতে জানামতে সবচেয়ে খর্বাকৃতি মানুষের উচ্চতা মাত্র ২১ ইঞ্চি এবং সবচেয়ে লম্বা মানুষের ১০৭ ইঞ্চি প্রায় পাঁচগুণ তফাৎ! আশ্চর্যজনক বটে। কেন এমন হয় তা নিয়ে গবেষণা হয়েছে।
জানা যায়, মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে পিটুইটারি নামক হরমোন নিঃসরণকারী গ্রন্থি থেকে গ্রোথ হরমোন নামক এক প্রকার হরমোন কমবেশি হওয়ার কারণেই কেউ অস্বাভাবিকরকম খাটো বা লম্বা হয়ে থাকে। এই হরমোন কেন কমবেশি হয় তা চিকিৎসকরাই নির্ণয় করতে পারেন। গ্রোথ হরমোন ছাড়াও আরও কিছু কারণে শৈশবাবস্থায় কারও উচ্চতা বিঘ্নিত হতে পারে।
এর মধ্যে সুষম খাদ্যের অভাব, থাইরয়েড হরমোনের অভাব, কিডনির রোগ, ভিটামিন ডির অভাব, পরিপাকতন্ত্র ও ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি অসুখ ইত্যাদি। চিকিৎসকরা এসব নির্ণয় করে চিকিৎসা প্রদান করলে সাধারণত প্রাপ্ত বয়সে স্বাভাবিক উচ্চতা লাভ করা যায়। তবে কম উচ্চতা নিয়ে কেউ ১৪-১৫ বছর পার হলে চিকিৎসা করেও উচ্চতা আর বাড়ানো সম্ভব হয় না।
স্বাস্থ্যগত দিক থেকে যে রোগের জন্য কেউ অস্বাভাবিক খাটো বা লম্বা হয়ে থাকে তার গুরুত্বই বেশি। সামাজিক ক্ষেত্রে অতি লম্বা বা অতি খাটো হওয়া নানাবিধ কারণে বিব্রতকর হওয়ায় উচ্চতার জন্য অনেকেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে দেখা যায়, দেহের উচ্চতা বাড়ার প্রধান অঙ্গ হাতপায়ের লম্বা অস্থিগুলোর প্রান্তের কাছাকাছি অবস্থিত গ্রোথ প্লেট নামক অপেক্ষাকৃত নরম কার্টিলেজগঠিত অংশ হতেই উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। অস্থির এই গ্রোথ প্লেট নামক অংশেই গ্রোথ হরমোনের ক্রিয়ার ফলে অস্থি বৃদ্ধি পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে দেহের উচ্চতা বাড়তে থাকে।
মস্তিষ্কে অবস্থিত ক্ষুদ্রাকার পিটুইটারি গ্রন্থির হরমোন যাকে গ্রোথ হরমোন বলা হয় ইহাই মূলত আইজিএফ নামক অপর একটি হরমোনের মাধ্যমে উচ্চতা বৃদ্ধির কাজটি করে থাকে। উচ্চতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়া ১৪-১৫ বছর বয়সে সাবালক হওয়ার পর আর থাকে না কারণ তখন অস্থির গ্রোথ প্লেট অস্থির সঙ্গে মিলিয়ে যায়।
উচ্চতার সঙ্গে অন্যান্য হরমোনের যোগসূত্র থাকলেও গ্রোথ হরমোনের প্রভাবই সবচেয়ে বেশি। গ্রোথ হরমোন বাইরে থেকে ওষুধের আকারে প্রয়োগ করে উচ্চতা বৃদ্ধি করা যায়, তবে এখানে শর্ত হল যত কম বয়সে প্রয়োগ করা যায় ততই ফল ভালো হয়ে থাকে। দশ বছরের পরে এর প্রয়োগে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
এ ব্যাপারে অজ্ঞতার কারণে বেশি বয়সে অনেকেই লম্বা হওয়ার জন্য চিকিৎসা করাতে চান যা প্রায় অসম্ভব। বেশি বয়সে কেবলমাত্র শল্যচিকিৎসার (সার্জারি) মাধ্যমেই কিছুটা লম্বা হওয়া সম্ভব।
কোনো শিশুর রক্তে গ্রোথ হরমোন কম থাকলে শিশুটি তার সমবয়স্ক স্বাভাবিক বাচ্চার তুলনায় অনেক কম উচ্চতাপ্রাপ্ত হয়। মা-বাবারা অনেক সময় তা খেয়াল করেন না বা বুঝতে দেরি করেন। শিশুর বৃদ্ধি স্বাভাবিক হচ্ছে কিনা তা গুরুত্বসহকারে লক্ষ্য করা উচিত।
অন্তত প্রতি তিন মাস পরপর শিশুর উচ্চতা মেপে লিখে রাখা প্রয়োজন। কোনো শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি স্বাভাবিক কিনা তা পরীক্ষা করে নিলে সবচেয়ে ভালো হয়। অতীতে গ্রোথ হরমোন ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা যেত না এর মূল্যও অনেক বেশি ছিল তাই এর ব্যবহারও ছিল সীমিত।
আজকাল গ্রোথ হরমোন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি হয়, মানও ভালো এবং সব দেশেই পাওয়া যায় অথচ সচেতনতার অভাবে এর সুফল থেকে অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন বলে ধারণা করা যায়। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এখনও এর দাম কিছুটা বেশি মনে হতে পারে।
তবে সঠিক সময়ে অর্থাৎ আগেভাগেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শানুযায়ী ব্যবহার করা গেলে উচ্চতা নিয়ে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে এরূপ অনেক শিশুই পরিণত বয়সে এ সমস্যাকে এড়াতে পারেন। গ্রোথ হরমোন দিয়ে চিকিৎসায় আর্থিক ব্যায় বেশি হওয়া ছাড়াও কিছু শারীরিক সমস্যা কদাচিৎ লক্ষ্য করা যায় তাই চিকিৎসাকালীন কোনো হরমোন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থাকা বাঞ্ছনীয়।
- ঢাকার সড়ক মগের মুল্লুক
- আরেক প্রমোদতরীতে ভাইরাস ছড়ানোর সন্দেহ, ফ্রান্সে অবরুদ্ধ ১৭০০
- ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন মিডিয়ার সংবাদকে ‘ভার্চুয়াল বিশ্বাসঘাতকতা’
- হামে আক্রান্ত সেই শিশুর পাশে দাঁড়ালেন জুবাইদা রহমান
- ইরান যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস
- সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান
- প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ
- ইরানে এক রাতে ৯ বার ভূমিকম্প, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা
- তোরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবি বাংলাদেশ থেকে: সারজিসকে নীলা ইসরাফিল
- এশিয়ার অর্থনীতিতে জ্বালানি সংকটের দ্বিতীয় ধাক্কা আসছে
- হান্টাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয়, সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য
- বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ সরকারের ব্যাংকঋণ
- ৪ মন্ত্রীর পদত্যাগ, গভীর সংকটে কিয়ার স্টারমার
- দম্ভ ছেড়ে শি জিনপিংয়ের দরবারে যাচ্ছেন ট্রাম্প
- আমি আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন মানুষ: সিদ্দিকুর রহমান
- রাষ্ট্রপতির হার্টে ব্লক শনাক্ত, বসানো হয়েছে রিং
- ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে উড়িয়ে টাইগারদের ইতিহাস
- হাম ওয়ার্ডে ধুঁকছে শিশু বাড়ছে মৃত্যু, আহাজারি
- ৫৮ ঘণ্টা চুমুর রেকর্ড, ভাঙল সেই দম্পতির সংসার
- পড়ে থাকা আম কুড়ালে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
- মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ সুপার
- বরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই
- ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা `সাজানো` মনে করেন অনেক মার্কিন নাগরিক
- সড়কে অটোরিকশার নৈরাজ্য
- বাংলাদেশ কখনোই ভারতের জন্য হুমকি ছিল না
- আইআরজিসির অর্থের উৎস জানতে কোটি ডলারের পুরস্কার ঘোষণা
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ : ট্রাম্প
- ইসরায়েলি হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত
- হামে কেন এত মৃত্যু
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯৪
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- আজকাল ৮৯৭
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- আজকাল ৮৯৬
- সেক্স কমে গেলে যেসব শারীরিক সমস্যা হয় (ভিডিও)
- নবজাতকের মায়েদের স্তনের পাঁচটি সমস্যা এবং তার সমাধান
- ‘ওরাল সেক্স’র আগে-পরে দাঁত ব্রাশ করতে নিষেধ চিকিৎসকদের
- দেহ বিষমুক্ত রাখতে গরম পানি পানের উপকারিতা
- স্যানিটারি প্যাড তরুণ প্রজন্মের ভয়াবহ নেশা!
- ফ্যাটি লিভারের যত সমস্যা
- প্লাস্টিক বা কাচ নয় পানি পান করুন স্বাস্থ্যকর মাটির বোতলে
- দেশের প্রধান তেলবীজ সরিষা : অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প
- মিষ্টি বা টক দই কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?
- ৬ মেডিকেল কলেজের নতুন নামকরণ
- দেশে কম বয়সে হৃদরোগ-মৃত্যু বাড়ছে
- দায়িত্বে অবহেলা হলে চিকিৎসকদের ওএসডির নির্দেশ
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার সাতটি সহজ উপায়
- শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি বুঝবেন কীভাবে?
- মাত্র ১০ মিনিটে ক্যানসার শনাক্ত! এরপর চিকিৎসা…
