অমুসলিম মনীষীদের চোখে আমাদের প্রিয়নবী (পর্ব-১)
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি ২০১৯
যেকোনো মুসলমানকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেমন ছিলেন! সে হয়ত এক কথায় উত্তর দিবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব। কিন্তু অন্য ধর্মাবলম্বীরা মহানবী (সা.) সম্পর্কে কী ভাবে তা কী আমরা জানি?
আসুন জেনে নেই অমুসলিম মনীষীদের চোখে আমাদের প্রিয়নবী (সা.) কেমন?
নেপোলিয়ন বানাপার্ট: নেপোলিয়ন বানাপার্ট বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরব বাসীদের ঐক্যের সবক দিয়েছেন। তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-কলহ নিরসন করেছেন। অল্প কিছু দিনের ভেতর তাঁর অনুসারী উম্মত বিশ্বের অর্ধেকের চেয়েও বেশি অংশ জয় করে ফেলে। পনের বছর সময়ের মধ্যে আরবের লোকেরা প্রতিমা এবং মিথ্যা দেবতাদের পূজা থেকে তওবা করে ফেললো। মাটির প্রতিমা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হলো। এ বিস্ময়কর সাফল্য মুহাম্মাদ (সা.) এর শিক্ষা ও তার ওপর আমল করার কারণেরই সূচিত হয়েছে।
জর্জ বার্নার্ড শ: জর্জ বার্নার্ড শ বলেন, আমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে অধ্যয়ন করেছি। আমার বিশ্বাস তাঁকে মানব জাতির ত্রাণকর্তা বলাই যথাযথ হবে। আমি বিশ্বাস করি, যদি তাঁর মত কোনো ব্যক্তি আধুনিক জগতের একনায়কত্ব গ্রহণ করতেন, তবে তিনি এর সমস্যাগুলো এরূপতাবে সমাধান করতে পারতেন যাতে বহু আকাঙিত শান্তি ও সুখ অর্জিত হত। আমি ভবিষৎ বাণী করছি, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আল্লাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ধর্ম আগামী দিনে পূর্ণ স্বীকৃতি লাভ করবে যেমন আজকের ইউরোপ তাঁকে স্বীকৃতি দিতে শুরু করেছে।
প্রফেসর সাধু টি এল বাম্বনী: দুনিয়ার অন্যতম মহৎ বীর হিসেবে মুহাম্মাদ (সা.) কে আমি অভিবাদন জানাই। মুহাম্মাদ (সা.) এক বিশ্ব শক্তি, মানব জাতির উন্নয়নে এক মহানুভব শক্তি।
লিও টলষ্টয়: তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কর্মপদ্ধতি ছিল মানব চরিত্রের বিষয়কর দৃষ্টান্ত। আর এ কথা বিশ্বাস করতে আমরা বাধ্য। যে, হজরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর শিক্ষা ও আদর্শ ছিল একান্ত বাস্তবভিত্তিক।
মহাত্মা গান্ধী: প্রতীচ্য যখন গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত, প্রাচ্যের আকাশে তখন উদিত হলো এক উজ্বল নক্ষত্র এবং আর্ত পৃথিবীকে তা দিলো আলো ও স্বস্তি। ইসলাম একটি সত্য ও ন্যায়ের ধর্ম। শ্রদ্ধার সঙ্গে হিন্দুরা তা অধ্যয়ন করুক, এবং আমার মতোই ইসলামকে ভালোসো
এ ডার্মিংহাম: এ ডার্মিংহাম বলেন, আরবরা ছিল উশৃংখল ও বিভেদপ্রিয়। মুহাম্মাদ (সা.) তাদের ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে দুঃসাধ্য এক অলৌকিক কাজ করেছেন। নিঃসন্দেহে পৃথিবীতে কোনো ধর্মীয় পথ এমন ভাবে প্রদর্শিত হননি; যা মুহাম্মাদ (সা.) এর মতো বিশ্বস্ত অনুসারী মিলেছে। মুহাম্মাদ (সা.) এর শিক্ষা ও আদর্শ আরবদের জীবনধারা বদলে দিয়েছিল। এ কথা কে অস্বীকার করতে পারে?
মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর আদর্শে নারী জাতিকে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। এ মর্যাদা নারী জাতি ইতোপূর্বে আর কোনো দিন পায়নি। দেহব্যবসা, সাময়িক বিবাহ এবং অবাধ যৌনাচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাদী-দাসী ও রক্ষিতা প্রভুদের চিত্তবিনোদনই ছিল যাদের কাজ তাদের বিশেষ সুযোগ ও অধিকার দেয়া হয়েছে।
বিভিন্ন কারণবশত দাসপ্রথা এ যুগে বাকী থাকলেও ক্রীতদাসকে মুক্ত-স্বাধীন করে দেয় অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। দাসদের সঙ্গে সাম্যের ব্যবহার প্রচলিত হয়েছে এবং গোলামেরা ইসলামী আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সু-উচ্চ পদ ও আসনে সম্মানিত করা হয়েছে।
মুহাম্মাদ (সা.) এরশাদ করেন। ‘তোমাদের গোলাম তোমাদেরই ভাই। যে একটি গোলাম আযাদ করলো তার ওপর জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে গেলো। নিজের গোলামদের তা-ই খেতে দাও যা তোমরা নিজেরা খাও। তাদেরকে নিজেদের মতো পোশাক পরতে দাও। সাধ্যাতীত কোনো কাজ এদের দিয়ে করিও না।’
একবার কেউ হজরত বিলাল (রা.)-কে ‘হাবশীর বাচ্চা’ ডাকলো। তখন, মুহাম্মাদ (সা.) ওই ব্যক্তিটিকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘তোমার মধ্যে এখনো জাহেলী যুগের লক্ষণ পাওয়া যায়।’ মুহাম্মাদ (সা.) যা কিছু করে দেখিয়েছেন, সেসব সামনে রাখলে তার মহত্তর ব্যক্তিত্বের সামনে শ্রদ্ধার অর্থ নিবেদন করতে আমরা বাধ্য হয়ে পড়ি। কোরআনের আদর্শকে সামনে রাখুন অতঃপর সমগ্র বিশ্বের স্বীকৃত সৌন্দর্যগুলোকে আপনি দেখতে পাবেন
- ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর
- চাঁদা না পেয়ে হামলা-ককটেল বিস্ফোরণ
- ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছ
- সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
- ইরান যুদ্ধে ‘আটকে’ গেছেন ট্রাম্প
- ‘পাকিস্তানে এক প্লেট বিরিয়ানির জন্য বিক্রি হয়ে যায় মানুষ’
- কান নষ্ট ভয়ংকর শব্দে
- বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নেই কোনও ট্রাফিক সিগন্যাল
- ফিলিস্তিনের দুটি মসজিদে ইসরায়েলিদের অগ্নিসংযোগ
- এবার কি ভারতে!
‘পোস্ট ডিলিট করো, নয়তো সমস্যা হবে’ - পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
- দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ!
- ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’ দিচ্ছে বিনামূল্যে কাপড় শুকানোর ড্রায়া
- জামালপুর সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ইয়েলো সোসাইটির বনভোজন অনুষ্ঠিত
- লং আইল্যান্ডে বৃহত্তম ইসলামিক হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
- এনসিপি ডায়াসপোারার স্মরণসভা ১ আগস্ট
- জ্যামাইকায় ‘জল খাবার’ রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন
- নিউইয়র্ক সিনিয়র ডে কেয়ারের বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ৯ আগস্ট সাউথ এশিয়ান প্যারেড জ্যাকসন হাইটসে
- মুনার বনভোজন অনুষ্ঠিত
- জামায়াতে ইসলামীতে নজীরবিহীন কান্ড!
- সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা
- মোদি সরকার বেকায়দায়
- কে হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তি রাষ্ট্রপতি
- রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বললেন: কোথায় কি, কোথায় পদত্যাগ!
- আজকাল ৯৩২
- ভারতের আন্দোলনে রসদ যোগাচ্ছে ব্যাঙ্গাত্মক মিম ও রিলস
- ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ
- কানাডায় বন্দুক সহিংসতা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯২১
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯০৭
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯০৮
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- বিয়ে করছেন রাফসান-জেফার!
- আজকাল ৯০৯
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯১২
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- স্বামী-স্ত্রী সর্বোচ্চ কতদিন কথা না বলে থাকা জায়েয?
- শিয়া সুন্নী দ্বন্দ্বের আদ্যোপান্ত
- পাঁচ অবস্থার আগে পাঁচ অবস্থার মূল্যায়ন করুন
- দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী
- মৃতের আত্মা কখনও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসে না
- কবরে কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্নোত্তর করা হবে?
- কেমন হবে হাশরের ময়দান
- হিজামার স্বাস্থ্য উপকারিতা
- পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য সম্পর্কে নবীজির ১০ বাণী
- ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসার কুফল
- জীবনে সুখী হওয়ার পাঁচ পরামর্শ
- মুসলিম হিসেবে মৃত্যু লাভের দোয়া
- পথ চলার আদব!
- কোরআন-হাদিসের আলোকে কবর জিয়ারতের দোয়া
- সন্তানের প্রতি লোকমান হাকীমের ১১ উপদেশ (প্রথম পর্ব)
