মিথ্যা বলাও চাকরির এক ধরনের যোগ্যতা
প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০১৯
মিথ্যা বলা মহাপাপ। আবার জীবন বাঁচাতে মিথ্যা বলা কয়েক ক্ষেত্রে জায়েজ। আবার অনেক ক্ষেত্রে তথ্য বিভ্রান্তিতে কৌতুক করেও মিথ্যা বলতে নেই। মিথ্যা কথা বলা নিয়ে সময়োপযোগী নানা দিক নির্দেশনা থাকলেও এ নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বিতর্কেরও শেষ নেই। সময়ের চাহিদায় মিথ্যা বলা হয়ে উঠেছে অনেক চাকরির যোগ্যতার মাপকাঠি। পেশার ক্ষেত্রে দেখা যায়, যে যত সুন্দর করে গুছিয়ে বিশ্বাসযোগ্যভাবে মিথ্যা বলতে পারবে, সেই তত ভালো।
যেমন ধরুন সেলসম্যান বা বিমানবালা। এসব পেশার মানুষ হাসিমুখে নিজের পণ্যের গুণ একটু বাড়িয়েই বলবে।
কিংবা বিমানে আপনি কোন বড় বিপদের মধ্যে থাকলেও বিমানবালা কখনোই আপনাকে মুখ গোমড়া সে খবর দেবে না।
নতুন এক গবেষণা বলছে কোন কোন পেশায় মিথ্যা ভালো বলার কারণেই টিকে থাকা যায়। কেননা সেসব পেশায় কর্মীদের ছোটখাটো মিথ্যা বলাটা জরুরি।
বিপণন বিষয়ক এক জরিপে দেখা গেছে, ক্রেতাদের নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের মতে ক্রেতারা চান পণ্য কিনে না ঠকতে। সেলস বা বিনিয়োগ বিষয়ে পড়ছেন বা কাজ করেন এমন ৫শ জনকে বলা হয়েছিল, তাদের দৃষ্টিতে কারা মিথ্যা বলেন বেশি।
বেশিরভাগ উত্তরদাতার বিশ্বাস যারা বেশি কপটতা দেখাতে পারে বা মিথ্যা বলতে পারে তারা সফল হয়। বড় কোন বিপণন কাজের জন্য মিথ্যা বলতে পারেন এমন মানুষকে বেছে নিতে চেয়েছেন ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা।
আবার কম বা ছোট জিনিস বিক্রির জন্য তুলনামূলক সৎ ব্যক্তিকে বেছে নিতে মত দিয়েছেন ৭৫ শতাংশ মানুষ।
মিথ্যা বলাকে কিছুক্ষেত্রে স্বাভাবিক বলে মনে করেন মনোবিজ্ঞানীরা। অনেক দার্শনিক হয়তো বলবেন, প্রকৃতিতে কতকিছুই তো লুকনো থাকে।
চাকরির দরখাস্ত লিখতে গিয়েও দু'একটা যোগ্যতা সবাই বাড়িয়ে লেখেন। এটাও কিন্তু এক ধরনের মিথ্যাচার। আর নিয়োগকারীরাও সেটা ঠিকই জানেন।
তবে ধরুন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, বারটেন্টার বা মনোবিজ্ঞানী, তারা কোন খারাপ খবর সরাসরি কাউকে দেন না। গুছিয়ে যা বলেন, তার প্রধান উদ্দেশ্য প্রশ্নকারী যেন আহত না হন তা নিশ্চিত করা। এগুলো এমন মিথ্যা যেগুলো আমাদের ক্ষতি করে না, কিন্তু ব্যাপারটা সত্যও নয়।
এক জরিপে দেখা গেছে, কর্মীদের মধ্যে একটা বিশ্বাস থাকে যে, যেসব প্রস্তাব তারা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না, সহকর্মীরা তা তাদের ওপর চাপানো যাতে না হয়, তা দেখবেন।
অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকরাও আমাদের মিথ্যা বলেন। কোন ধরনের খারাপ রিপোর্ট আসলেও আপনাকে হয়তো সেটা না জানিয়ে চিকিৎসক জানাবেন যে, রিপোর্ট ভালো এসেছে।
এ ধরনের মিথ্যা বা ছলনার আশ্রয় নেয়ার মূল উদ্দেশ্য থাকে অন্যকে সাহায্য করা। এর পেছনে একটা বড় কারণ হচ্ছে সমাজের এক ধরণের সাংস্কৃতিক প্রভাব। সমাজের বিভিন্ন স্তর ও জায়গা থেকে আসা মানুষ শান্তি রক্ষায় একটি স্বস্তির পরিবেশ রাখার জন্য অনেক সময় মিথ্যা বলে থাকেন।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ যারা দক্ষিণ কোরিয়া ও গ্রীস থেকে এসেছেন তারা বেশি মিথ্যা বলেন। এর কারণ তারা সমষ্টিগত সমাজের মধ্য থেকে এসেছেন। ফলে অনেক মানুষের সাথে মিলে চলতে হয় তাদের।
আবার একক পরিবার বেশি এমন সমাজ যেমন জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা মানুষের মধ্যে লুকোচুরি কম। আবার অনেক মনোবিজ্ঞানী বলে থাকেন যে, ভিন্নভাবে দেখার দৃষ্টি যাদের আছে কিংবা যাদের কল্পনাশক্তি অত্যন্ত প্রবল তাদের মধ্যেও মিথ্যা বলার অভ্যাস থাকে। কিন্তু সে মিথ্যাও কোন গুরুতর অপরাধ নয়।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ নিয়ে উদ্বেগ
- শামসুল হককে বিজয়ী করার আহবান
- ধনীদের বাড়ীতে অতিরিক্ত ট্যাক্স
- লায়ন্স ক্লাবের নির্বাচন ৫ মে সভাপতি পদে রাসেল, জিলানী ও আলম সম্ভা
- বাংলাদেশ প্যারেডের ওপর নিষেধাজ্ঞায় মামলা করলেন শাহ শহিদুল হক
- বিএনপির সভায় হট্রগোল ও চেয়ার নিক্ষেপ
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- কে হচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব?
- `গুপ্ত` ইস্যুতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
- আলোচিত মুখগুলো বাদ
- শাহ নেওয়াজ লায়ন্সের ফার্স্ট ভাইস গর্ভনর নির্বাচিত
- দুই মাসেই সরকার চ্যালেঞ্জের মুখে
- আজকাল ৯১৯
- জার্মানিতে তেল সরবরাহে বড় ধাক্কা
- তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
- ইরানের জন্য কোনো যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বেঁধে দেননি ট্রাম্প
- লোডশেডিং চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল
- পাম্পে আসা তরুণের গায়ে হাত তুললেন ইউএনও
- ট্রাম্পের খামখেয়ালি মন্তব্যই শান্তির পথে প্রধান বাধা
- জ্বালানি তেলের জন্য প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ১৪৯৪২ জন
- মনোনয়ন না পেয়ে যা বললেন অভিনেত্রী চমক
- মধ্যরাতে এনসিপির যুবশক্তি ছাড়লেন সদস্যসচিব
- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ
- তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে
- ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ‘ওবামা আমলের চেয়ে অনেক ভালো হবে
- যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে চলছে ইসরায়েলের হামলা
- হেফাজত আমিরের দোয়া নিলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ
- শর্ত সাপেক্ষে ইরানের নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
- ঝুঁকিতে গুম কমিশনের স্পর্শকাতর তথ্যপ্রমাণ
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- আজকাল ৮৯৫
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- বড় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
- ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ডলারের মালিক হলেন ইলন মাস্ক
- আজকাল ৯০২
- নোয়াখালী ও কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে মানববন্ধন
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- যুক্তরাষ্ট্রে এনআইডি কার্ড বিতরণ শুরু
- আজকাল ৯০০
- আজকাল ৮৯৭
- এআই বিভাগ থেকে ৬০০ কর্মী ছাঁটাই করবে মেটা
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
