বৃহস্পতিবার   ০৫ নভেম্বর ২০২৬   কার্তিক ২১ ১৪৩৩   ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্পকে নিয়ে কমেডিয়ানদের ‘ব্যঙ্গ’

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ১১:৫৫ এএম, ৫ নভেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপে মেতেছেন দেশটির জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপকরা। জিমি কিমেল, জিমি ফেলন, জন স্টুয়ার্ট ও সেথ মায়ার্স তাদের অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান, নির্বাচনী ফলাফল এবং বিভিন্ন মন্তব্যকে কৌতুকের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন জিমি কিমেল। তার জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘জিমি কিমেল লাইভ’-এর একক সংলাপে ডেমোক্র্যাটদের বিজয় নিয়ে নানা কৌতুক করেন তিনি। নির্বাচনের ফলাফলকে ‘ব্লু সুনামি’ বা নীল সুনামি হিসেবে উল্লেখ করেন কিমেল। একই সঙ্গে ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ব্যঙ্গ করে তাকে ‘লেম ডাক’ প্রেসিডেন্ট বলে অভিহিত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ‘লেম ডাক’ বলতে সাধারণত মেয়াদের শেষ পর্যায়ে থাকা বা রাজনৈতিক প্রভাব কমে আসা প্রেসিডেন্টকে বোঝানো হয়।

কিমেল তার কৌতুকগুলো আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। নির্বাচন পরিচালনা এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তার মন্তব্যগুলো দ্রুত বিনোদন অঙ্গনের আলোচনায় জায়গা করে নেয়।

অন্যদিকে, ট্রাম্পকে নিয়ে কৌতুক করতে পিছিয়ে নেই জিমি ফেলনও। ‘দ্য টুনাইট শো স্টারিং জিমি ফেলন’ অনুষ্ঠানে তিনি ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা, প্রকাশ্য বক্তব্য এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি নিয়ে আগেও নিয়মিত কৌতুক করেছেন। ট্রাম্পের কথাবার্তা ও ব্যক্তিত্ব অনুকরণ করে তার পরিবেশিত ইমপ্রেশনও দর্শকদের কাছে পরিচিত।

রাজনৈতিক ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন জন স্টুয়ার্ট ও সেথ মায়ার্স। ‘দ্য ডেইলি শো’-এর উপস্থাপক হিসেবে পরিচিত স্টুয়ার্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও বিভিন্ন বক্তব্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি সেগুলো নিয়ে কৌতুক করে থাকেন।

অন্যদিকে, ‘লেট নাইট উইথ সেথ মায়ার্স’ অনুষ্ঠানের জনপ্রিয় ‘এ ক্লোজার লুক’ পর্বে মায়ার্স সমসাময়িক রাজনৈতিক ঘটনাগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বিশেষ করে ট্রাম্পকে ঘিরে বিতর্ক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি তার ব্যঙ্গাত্মক আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠে।

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন লেট-নাইট টেলিভিশনের নির্বাচন কাভারেজেও কিছুটা পরিবর্তন এনেছে। আগের নির্বাচনগুলোর মতো এবার বড় অনুষ্ঠানগুলোতে প্রচলিত সরাসরি নির্বাচন-রাতের বিশেষ আয়োজন দেখা যায়নি। তবে জিমি কিমেলের অনুষ্ঠান নির্বাচনের বিভিন্ন অগ্রগতি তাদের নিয়মিত কাভারেজের সঙ্গে যুক্ত করতে পেরেছে।