শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬   কার্তিক ১ ১৪৩৩   ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

হুইপ জি কে গউছকে নিউইয়র্কে সংবর্ধনা

আজকাল রিপোর্ট

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০১:৫৬ এএম, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার


 
নিউইয়র্কে জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. জি কে গউছকে সংবর্ধনা দিয়েছে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক। গত ১০ অক্টোবর জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে এ সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, পাঠানো নথিপত্রের দ্রুত নিষ্পত্তি, নিউইয়র্ক-ঢাকা রুটে বিমান যোগাযোগ, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কার্যকর করা এবং জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগসহ বিভিন্ন দাবি তার মাধ্যমে সরকারের কাছে তুলে ধরেন। জি কে গউছ এসব সমস্যা সমাধানে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। 
জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার সভাপতি বদরুল খানের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকন হাকিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিথিরা। এ সময় জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য এম এম শাহীন জি কে গউছের রাজনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। মতবিনিময় সভায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের প্রবাসী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে জিকে গউস বলেন, প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে কথা বলে সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।  প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম যেন বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়ে, সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে জাতীয় সংসদের এই হুইপ বলেন, বিগত সরকারের আমলে মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্পের টেন্ডার ও ঠিকাদার নিয়োগ হলেও জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। জনগণকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে, বোকা বানানো হয়েছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর আমি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে বসেছি এবং বিভিন্ন বাধা দূর করেছি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে হবিগঞ্জ অংশের ৮২ কিলোমিটার সড়কের জন্য ৫০ ভাগ জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৪ মাসের মধ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি। এই মহাসড়কের কাজ সম্পন্ন হলে সিলেট বিভাগের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জি কে গউছ বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশে ব্যাপক উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে মসজিদ, মাদ্রাসাসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে ৩০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে রাস্তাঘাট, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ এবং সংস্কারের জন্যও ব্যাপক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।