সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬   আশ্বিন ৫ ১৪৩৩   ০৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০১:২৫ এএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক একের পর এক বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে গত ১২ দিনে তার বেশ কিছু কর্মকাণ্ড ভোটারদের মধ্যে তার নেতৃত্বের ধরন নিয়ে থাকা প্রশ্নকে আরও সামনে এনেছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সিএনএনের এক বিশ্লেষণে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ট্রাম্প, রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিককে ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। রয়টার্স-ইপসসের জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের ৬৬ শতাংশ এ প্রস্তাবকে ‘অনুপযুক্ত’ বলেছেন, বিপরীতে ১৮ শতাংশ একে উপযুক্ত বলেছেন।

উত্তর ক্যারোলাইনায় ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হলে দুর্যোগ সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প। পরে তিনি দাবি করেন, মন্তব্যটি তিনি রসিকতা করে করেছিলেন। তবে তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাট-শাসিত অঙ্গরাজ্যগুলোর সঙ্গে সরকারি অনুদান ও সহায়তার ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে।

৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকীর আগে ওই হামলার সময় নিজের অবস্থান নিয়ে একটি বর্ণনাও দেন ট্রাম্প। তবে সিএনএনের ফ্যাক্টচেক অনুযায়ী, তার ওই বক্তব্যের পক্ষে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া ২০২৪ সালে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে তাকে হত্যাচেষ্টাকে ‘ডেমোক্র্যাটদের ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেলও জানিয়েছেন, হামলাকারী টমাস ক্রুকস অন্য কারও সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন এমন কোনো প্রমাণ নেই।

এদিকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার না কমালে বাণিজ্য ঘাটতি থাকা দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প। একই সময়ে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

যদিও কয়েকটি জরিপে ট্রাম্পের নেতৃত্ব নিয়ে ভোটারদের সংশয়ও উঠে এসেছে। এক জরিপে ৬৭ শতাংশ বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ট্রাম্প যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করেন না; ৭১ শতাংশ বলেছেন, তিনি ‘মেজাজ নিয়ন্ত্রণে স্থির’ নন। সূত্র: সিএনএন