শনিবার   ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ভাদ্র ২৭ ১৪৩৩   ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

চিকিৎসকের অবহেলায় ডা. ডোরার মৃত্যুর অভিযোগে স্মারকলিপি প্রদান

আজকাল রিপোর্ট

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০২:১৬ এএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার


 
চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে বাংলাদেশের চিকিৎসক ডা. ডোরা  মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে তার স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনায় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ সেপ্টেম্বর মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কাছে ডা. ডোরার মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। ডা. ডোরা ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
কর্মসূচিতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, ডা. ডোরার পরিবারের সদস্য এবং কমিউনিটির কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। এ সময় প্রদর্শিত ব্যানারে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচারের দাবি তুলে ধরা হয়।
ডা. ডোরার পিতা, যিনি একজন মার্কিন নাগরিক এবং উপস্থিত কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন চিকিৎসকের মর্মান্তিক মৃত্যুর পেছনে যদি চিকিৎসাগত অবহেলা বা দায়িত্বে গাফিলতির কোনো প্রমাণ থাকে, তাহলে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
তারা বলেন, তাদের উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তদন্তের আগেই দোষী সাব্যস্ত করা নয়। বরং চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি, হাসপাতালের রেকর্ড, চিকিৎসকদের দায়িত্ব, চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে যাচাই করে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা।
প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মিয়ামি-এর সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, কনস্যুলেট বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে ডা. ডোরার পরিবারকে ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ডা. ডোরার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা কোনো প্রতিহিংসা নয়—সত্য, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা চান।