প্রেসিডেন্ট পদে ওকাসিওকে মেয়র মামদানীর সর্মথন!
আজকাল রিপোর্ট
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০২:৫২ এএম, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার
নিউইয়র্ক সিটি মেয়র জোহরান মামদানি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলীয় কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্টেেেকই সর্মথন জানালেন। প্রকাশ্যে ঘোষণানা দিলেও মামদানি নীরবে ‘ডেমোক্রেটিক সোশালিস্টস অফ আমেরিকা’র (ডিএসএ) নিউ ইয়র্ক সিটি শাখার একটি আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। ওই আবেদনে ওকাসিও কর্টেজকে “২০২৮ সালে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য বামপন্থী শিবিরের সবচেয়ে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রাার্থী” হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। এ পদের জন্য সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হারিসও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান। কমলা ও ওকাসিও ২ জনই আনুষ্ঠানিক প্রার্থীতা ঘোষণা করলে ২০২৮সালের র্নিাচনেরআগে নিজ দল ডেমোক্র্যাটিক মধ্যে প্রাইমারিনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।এ নির্বাচনে যিনি জিতবেন তিনিই হবেন নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের দলীয় প্রার্থী। তাকে লড়তে হবে রিপাবল্যিান প্রার্থীর বিরুদ্ধে। টার্ম লিমিটের কারনে ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচন করতে পারবেন না। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স হবেন রিপাবলিক্যান প্রার্থী। (সূত্র-নিউজব্রেক)
গত মার্চে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই, মামদানি নীরবে ‘ডেমোক্রেটিক সোশালিস্টস অফ আমেরিকা’র (ডিএসএ) নিউ ইয়র্ক সিটি শাখার একটি আবেদনে স্বাক্ষর করেছিলেন। ওই আবেদনে ওকাসিও কর্টেজকে ২০২৮ সালে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য বামপন্থী শিবিরের সবচেয়ে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী” হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। এই আবেদনটির শিরোনাম ছিল দঘণঈ-উঝঅ ভড়ৎ অঙঈ’। এটি মূলত কংগ্রেসে ওকাসিও-কর্টেজের ২০২৬ সালের পুনঃনির্বাচনকে সমর্থন করার ওপর গুরুত্ব দিলেও, এতে তাঁর সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট হওয়ার আকাক্সক্ষার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছিল। সংগঠনটি মনে করে “এওসি-র সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও গভীর করা” প্রয়োজন।
অবশ্য মামদানির একজন উপদেষ্টা বুধবার জোর দিয়ে বলেছেন, মেয়র ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে সমর্থন জানাননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন , নিউ ইয়র্কের অন্যান্য নির্বাচিত ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট জনপ্রতিনিধিদের সাথে মামদানিও পিটিশনটিতে স্বাক্ষর করেছেন। তাঁরা সবাই এই কাজটিকে নিজেদের "কর্তব্য" হিসেবেই দেখেছেন।
ওকাসিও কর্টেজ যখনই কোনো উচ্চতর পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উদ্যোগ নেন, তখন মামদানির তাঁর পাশে দাঁড়ানো বা তাঁকে সমর্থন করাটা খুব একটা বিস্ময়কর নয়। তাঁরা উভয়েই ডিএসএ-এর নিয়মিত সদস্য এবং নিউ ইয়র্কের রাজনীতিতে তাঁদের উত্থানের মধ্যে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। অনলাইন পত্রিকা 'পলিটিকো'র মতে তাঁদের রাজনৈতিক মৈত্রী এতটাই গভীর যে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের সমর্থনের বিষয়েও তাঁরা একে অপরের সাথে সমন্বয় করে কাজ করেন।
তবে ২০২৮ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নিজের পছন্দের বিষয়ে মামদানিকে বেশ সতর্ক ও নীরব থাকতে দেখা গেছে। ওকাসিও-কর্টেজকে নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য কার্যত আহ্বান জানিয়ে করা পিটিশনে মামদানির স্বাক্ষর করাটা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ এবং প্রগতিশীল শিবিরের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে মামদানির সমর্থন ওকাসিও কর্টেজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, যদি শেষ পর্যন্ত ওকাসিও হোয়াইট হাউসের দৌড়ে শামিল হন।
