রোববার   ২৪ মে ২০২৬   জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪৩৩   ০৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

ইরানি প্রশিক্ষণ নিয়ে ট্রাম্পকন্যাকে হত্যার নীলনকশা

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০৯:০৪ পিএম, ২৪ মে ২০২৬ রোববার


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২০২০ সালে মার্কিন হামলায় ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে তিনি এ পরিকল্পনা করেছিলেন।

শনিবার (২৩ মে) নিউইয়র্ক পোস্টের বরাতে আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩২ বছর বয়সী ইরাকি নাগরিক মোহাম্মদ বাকের সাদ দাউদ আল সাদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হত্যার ‘অঙ্গীকার’ করেছিলেন। এমনকি তার কাছে ফ্লোরিডার বাড়ির একটি নকশাও ছিল।

নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, আল-সাদি সোলাইমানির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ট্রাম্প পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করছিলেন। সোলাইমানি ছিলেন ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান। তিনি ২০২০ সালে বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হন।
ইরানি প্রশিক্ষণ নিয়ে ট্রাম্পকন্যাকে হত্যার নীলনকশা, যুবক গ্রেপ্তার
ভারতীয়দের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ওয়াশিংটনে ইরাকি দূতাবাসের সাবেক উপ-সামরিক অ্যাটাশে এন্তিফাধ কানবার বলেন, সোলাইমানির মৃত্যুর পর আল সাদি ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হত্যার কথা বলেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল সাদি আরবি ভাষায় একটি হুমকিমূলক বার্তার সঙ্গে ফ্লোরিডার একটি আবাসিক এলাকার মানচিত্র পোস্ট করেছিলেন। এ এলাকাতেই ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও তার স্বামী জ্যারেড কুশনারের বাড়ি রয়েছে।

গত ১৫ মে তুরস্কে আল সাদিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে ১৮টি হামলা ও হামলার চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে তাকে কাতায়েব হিজবুল্লাহ ও ইরানের আইআরজিসির কথিত অপারেটিভ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়া আমস্টারডাম, লন্ডন, টরন্টো, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে মার্কিন ও ইহুদি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগ রয়েছে।

নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, আল সাদি আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগের আড়াল হিসেবে একটি ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবহার করতেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি আল-সাদির আইনজীবীও কোনো মন্তব্য করেননি।