ফান্দে পড়িয়া জামায়াত কান্দেরে
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০৭:৪০ এএম, ৪ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার
মন্তব্য প্রতিবেদন
রাজনীতিতে জামায়াত বরাবর বালখিল্য, কিন্তু একটা সময়ে বালখিল্যতাও তো কেটে যায়। কিন্তু জামায়াত আল্লাহ-রাসুলের কাছে ওয়াদাবদ্ধ, তারা বালখিল্যে থাকবেই। তাই সংসদে আরেকবার বালখিল্যতা প্রদর্শন করল জামায়াত। একবার করেছিল ১৯৮৬ সালের সংসদ থেকে পদত্যাগ করে। এরশাদ মুর্খ ছিল, কে তাকে র্দুবুদ্ধি দিয়েছিল, তিনি সংসদ ভেঙে দিয়েছিলেন। আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করে উপনির্বাচন দিয়ে দিলেই হতো।
জুলাই সনদ যে গেজেট প্রকাশের এক মাসের মধ্যে তামাদি হয়ে যাবে, তাও বোঝেনি বুড়োশিশুরা। এখন বিতর্ক করবেন, করুন। প্রস্তাব টকড আউট হয়ে যাবে।
তবে বিতর্কের রেকর্ড সংসদ লাইব্রেরিতে কিয়ামততক ধাকবে। বগল বাজানো জন্য যথেষ্ট। চব্বিশের দেড় হাজার শহীদের আত্মা, অনগনন আহত, পরিবারগুলো কষ্টের অশ্রুপাতের কি হবে!
জামাতি ভাইয়েরা ইসলাম বোঝেন, রাজনীাত বোঝেন না। সাড়ে আট দশক আগে জামায়াতের প্রসবকাল থেকে তারা সময়ে অসময়ে ফান্দে পড়েছেন, ফান্দের মধ্যেই লাফঝাপ করেছেন।
সামনে দিন তো পড়েই আছে, জোরে জোরে তসবিহ ঘোরালে, সিজদায় মাথা ঠুকলেও কোনো কাজ হবে বলে আমি বিশ্বাস করি না।
কেন করি না? যৎসামান্য অভিজ্ঞকার কারণে---- ইলমে মারিফা’ বলে সুফিবাদে একটি কথা আছে --সাধারণ জ্ঞানের বাইরে চূড়ান্ত সত্যের ঐশ্বরিক বাস্তবতা উপলব্ধি করা। আল্লাহর মাঝে মগ্ন হওয়া। আল্লাহ-বিল্লাহ করলে এভাবেই করা উচিত। হাফ হার্টেড ইসলাম, হাফ হার্টেড রাজনীতি দিয়ে দুনিয়া -্আখিরাত কোথায়ও সুবিধা করা য্ােব না। হিদায়াতের মালিক আল্লাহ। দোয়া করি, হে আল্লাহ, মেহেরবান, দোজাহানের মালিক, তুমি এত নাদান বান্দা দুনিয়াতে কেন প্রেরণ করেছো। একটু বোধবুদ্ধি দিয়ে পাঠালে কি এমন ক্ষতি হতো?
