শনিবার   ০৪ এপ্রিল ২০২৬   চৈত্র ২১ ১৪৩২   ১৬ শাওয়াল ১৪৪৭

নিউইয়র্কে গ্যাস ট্যাক্স স্থগিতের আহ্বান

আজকাল রিপোর্ট -

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০৭:৩৮ এএম, ৪ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

 

 
গ্যাসের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় আইনপ্রণেতারা নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলকে জনস্বার্থে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত এক মাস বা তারও বেশি সময় ধরে, নিউ ইয়র্ক জুড়ে গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী হয়ে ওঠায় গ্যাস পাম্পগুলোতে গিয়ে আমরা সবাই এখন পকেট ওপরে বাড়তি চাপ বা ভোগান্তি অনুভব করছেন নিউইয়র্কবাসী। । মার্চের শুরু থেকে এক গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এক ডলার বেড়ে গেছে; এবং দেখে মনে হচ্ছে না যে এই মূল্যবৃদ্ধি অদূর ভবিষ্যতে থামবে বা এর গতি কমবে। এমতাবস্থায় গ্যাস ট্যক্স স্থগিতের আহবান জানিয়েছেন আইনপ্রণেতারা। গত বুধবার নিউইয়র্ক সিটিতে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম চিল ৪.০৭ ডলার। যা ২০২২ সালের পর এটাই সর্বোচ্চ। ক্যালিফোর্নিয়ায় তা গ্যালন প্রতি ৬.৫৫ ডলারের ওপরে। 

হাডসন ভ্যালির অধিকাংশ গ্যাস স্টেশনে, এখন প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম ৪ ডলার। কয়েক সপ্তাহ আগেও এই দাম ৩ ডলারের নিচে ছিল। গ্যাসের এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে হাডসন ভ্যালির কয়েকজন আইনপ্রণেতা গভর্নর হোকুলকে অনুরোধ জানিয়েছেন যেন তিনি সাময়িকভাবে রাজ্যের গ্যাস কর প্রত্যাহার করে নেন; তাদের আশা, এর মাধ্যমে গ্যাসের দাম কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।


ডাচেস কাউন্টির অ্যাসেম্বলিম্যান অনিল বিফান সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা দিয়েছেন যে, তার দপ্তর থেকে গভর্নর হোকুলের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে তিনি গভর্নরকে অনুরোধ জানিয়েছেন যেন তিনি জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে বিপাকে পড়া নিউ ইয়র্কবাসীদের সহায়তায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

ঐ চিঠিতে বিফান রাজ্যের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন যেন তারা সাময়িকভাবে গ্যাস কর স্থগিত করে।

তিনি বলেন, “আমি আপনাকে জোরালোভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি যেন আপনি পেট্রোলের ওপর আরোপিত রাজ্যের করটি সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। এমনটা করা হলে সেইসব বাসিন্দারা সরাসরি ও তাৎক্ষণিক আর্থিক স্বস্তি পাবেন, যারা তাদের কর্মসংস্থান, সন্তানদের দেখভাল, চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়োজনে যানবাহনের ওপর নির্ভরশীল।”

বর্তমানে নিউ ইয়র্কবাসীরা প্রতি গ্যালন গ্যাসের ওপর রাজ্যের কর হিসেবে ২০ সেন্টের কিছু বেশি অর্থ প্রদান করে থাকেন। এই করটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হলে-তা সাময়িকভাবে হলেও-মানুষ কিছুটা স্বল্পমেয়াদী স্বস্তি পাবে এবং পারিবারিক বাজেটের ওপর থেকে আর্থিক চাপ লাঘব করতে তা সহায়ক হবে।