বিমানবন্দরে আইস পুলিশ মোতায়েন
আজকাল রিপোর্ট -
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০২:১৩ এএম, ২৮ মার্চ ২০২৬ শনিবার
যুক্তরাষ্ট্রে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) শাটডাউনের জেরে বিমানবন্দরগুলোতে দীর্ঘ নিরাপত্তা লাইনের চাপ কমাতে সোমবার থেকে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) এজেন্ট মোতায়েন হলো। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়ে উঠেছে।
গত রবিবার সিএনএনের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ অনুষ্ঠানে হোম্যান বলেন, আমরা বিমানবন্দরে থাকব এবং টিএসএকে লাইনের চাপ কমাতে সহায়তা করব। তিনি জানান, আইস এজেন্টরা মূলত এক্সিট ডোর পাহারার মতো কাজ করবেন, যাতে টিএসএ কর্মকর্তারা যাত্রী স্ক্রিনিংয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন। কোন কোন বিমানবন্দর থেকে মোতায়েন শুরু হবে, তা সোমবার সকালে চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন, শাটডাউনের কারণে বিমানবন্দরে যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইস এজেন্ট মোতায়েন করা হতে পারে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ডিএইচএস শাটডাউনের ফলে বেতন না পেয়ে অনেক টিএসএ কর্মী ছুটি নিয়েছেন বা চাকরি ছেড়েছেন। এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাটডাউন শুরুর পর থেকে ৪০০-রও বেশি টিএসএ কর্মকর্তা চাকরি ছেড়েছেন।
আমেরিকান ফেডারেশন অব গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সভাপতি এভারেট কেলি এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, আইসিই এজেন্টরা বিমান নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষিত বা সার্টিফাইড নন। টিএসএ কর্মকর্তারা বিস্ফোরক, অস্ত্র ও নিরাপত্তা হুমকি শনাক্তে মাসের পর মাস বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন। তিনি বলেন, ‘অপ্রশিক্ষিত লোকজনকে নিরাপত্তা চেকপয়েন্টে বসানো শূন্যতা পূরণ করে না, বরং নতুন ঝুঁকি তৈরি করে।’ তিনি কংগ্রেসকে টিএসএর জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
হাউস ডেমোক্র্যাটিক নেতা হাকিম জেফরিও এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ‘বিমানবন্দরে অপ্রশিক্ষিত আইসিই এজেন্ট মোতায়েন আমেরিকানদের হয়রানি ও প্রাণহানির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।’ তিনি দাবি করেন, কার্যকর পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আইসিইকে করদাতাদের অর্থ দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে।
