ধণীদের ওপর ট্যাক্স বাড়াতে মামদানির আহবান
আজকাল রিপোর্ট -
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০২:৫৮ এএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহারান মামদানি স্টেট আইনপ্রণেতাদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, সম্পদশালী বাসিন্দাদের ওপর আয়কর বাড়ানোর অনুমতি দিয়ে “অর্থের রক্তক্ষরণ” বন্ধ করতে হবে।
গত ১১ ফেব্রƒয়ারি বুধবার বার্ষিক “টিন কাপ ডে” বাজেট শুনানিতে অংশ নিতে তিনি আলবানিতে যান। এ দিনে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের কাছে আর্থিক ও নীতিগত সহায়তার দাবি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আইনপ্রণেতারাও সিটি প্রশাসনের নানা ইস্যুতে মেয়রকে প্রশ্ন করেন।
ডেমোক্র্যাটিক সোশালিস্ট হিসেবে পরিচিত মামদানি গভর্নর ক্যাথি হোকুলের সঙ্গে জোটে থাকলেও কর বৃদ্ধির প্রশ্নে তিনি চাপ অব্যাহত রেখেছেন। আইনপ্রণেতাদের মতে, রাজ্য বাজেট প্রক্রিয়ায় এই ইস্যুতে মামদানি ও তার মিত্ররা কতটা দৃঢ় অবস্থান নেন, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
মামদানি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি বহু বিলিয়ন ডলারের ঘাটতির মুখে রয়েছে। যার জন্য তিনি সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামসকে দায়ী করেন। পাশাপাশি সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমোকেও তিনি সমালোচনা করেন। তার অভিযোগ সিটিকে দীর্ঘদিন ধরে “ব্যবহারযোগ্য সম্পদ” হিসেবে দেখা হয়েছে।
তার ভাষায়, “নিউইয়র্ক সিটি এখনো এক প্রান্তিক অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। এখান থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে দায়িত্বশীল উপায় হলো নির্দিষ্ট ও পুনরাবৃত্ত রাজস্বের ব্যবস্থা করা, যাতে নিউইয়র্কবাসী প্রাপ্য সেবা পেতে পারে। রাজ্যের সঙ্গে আমাদের আর্থিক ভারসাম্যহীন সম্পর্ক সিটির সম্পদ চুষে নিচ্ছে। আমরা এই ‘ড্রেইন’ বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি।”
অন্যদিকে গভর্নর হোকুল-যার পুনর্নির্বাচনে মামদানি সম্প্রতি সমর্থন দিয়েছেন-রাজ্যের আয়কর বাড়ানোর পক্ষে নন বলে জানিয়েছেন। তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে শিশু যত্ন কর্মসূচি সম্প্রসারণে ১.৭ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
হোকুল বলেন, মেয়র তার ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক বাজেট উপস্থাপনের আগে রাজ্যের কর্মকর্তারা সিটির বাজেট ঘাটতি নিয়ে আলোচনা করছেন। “শহরের বাজেটকে সঠিক অবস্থানে এনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি,” মন্তব্য করেন গভর্নর।
এদিকে রিপাবলিকানরা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে হোকুল ও মামদানিকে সমালোচনা করছেন। তবে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত স্টেট অ্যাসেম্বলি ও সিনেট জানিয়েছে, ৩১ মার্চের মধ্যে পাস হওয়ার কথা থাকা রাজ্য বাজেটের অংশ হিসেবে কর বৃদ্ধির বিষয়টি তারা বিবেচনায় রাখতে প্রস্তুত।
