শনিবার   ১৭ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ৩ ১৪৩২   ২৮ রজব ১৪৪৭

নির্বাচনী ব্যালট জেএফকে’র গুদামে বস্তাবন্দি

আজকাল রিপোর্ট -

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০৭:১০ এএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার

 

 
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালট পেপার নিয়ে কেলেংকারি ঘটে গেল। প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের নামে আসা হাজারো ব্যালট পেপার নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরের পোস্টাল বিভাগ বস্তাবন্দী করে ফেলে রাখে। পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের গুদামে থাকা শতাধিক ব্যালট ইতোমধ্যে গার্বেজ করা হয়েছে।  বিলির অযোগ্য আখ্যায়িত করে অবশিষ্ঠ ব্যালট গুলো রাখা হয়েছিল স্টোরেজে। নির্দিষ্ট সময় পর তা গার্বেজ হিসেবে ফেলে দেবার প্রস্তুতি নেয় মার্কিন পোস্টাল বিভাগ। 
বাাংলাদেশি আমেরিকান এক পোস্টাল কর্মির নজরে আসে বিষয়টি। তিনি কৌতুহল নিয়ে তা পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র অফিসারের নজরে আনেন। তিনি এই ব্যালট পেপারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। নজরে আনা হয় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও ওয়াশিংটন দূতাবাসের। টনক নড়ে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের। জরুরী ভিত্তিতে ইউএস পোস্টাল ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ও দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মধ্যে জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। কেন এমনটি হলো তা জানার চেষ্টা করা হয়। 
এ ব্যাপারে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের দৃষ্টি আকর্ষন করলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে চিঠি বিলি হয় জিপ কোডের ভিত্তিতে। কিন্তু কিছু ব্যালটের চিঠির ঠিকানায় পিও বক্স লেখা ছিল। এই ধরনের চিঠিগুলো ডেলিভারি না হয়ে পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের স্টোরেজে জমা ছিল। বিষয়টি নজরে আসার পর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন , দূতাবাস ও ইউএস পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তাদের সাথে জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। তারা আমাদের সুপারিশ সাপেক্ষে তা সঠিকভাবে বিতরনের ব্যবস্থা করবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। আশা করছি প্রবাসী ভোটাররা তা সময় মতো হাতে পাবেন। 
জেএফকে থেকে মিসিং হওয়া ব্যালটের একজন ভোটার আবু জায়েদ ভূঁইয়া। বসবাস করেন নিউইয়র্কের বাফেলোতে। সাপ্তাহিক আজকালের পক্ষ থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, ব্যালট পেপার পাইনি। আমার ব্যালট পেপার যদি গার্বেজে ফেলে দেয়া হয় তা দুঃখজনক। অনেক আশা নিয়ে ভোটার হয়েছিলাম। দেশ্টা আর ভালো হবে না।