বৃহস্পতিবার   ০১ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ১৭ ১৪৩২   ১২ রজব ১৪৪৭

পশ্চিম তীর শান্ত রাখতে নেতানিয়াহুকে বার্তা ট্রাম্পের

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০১:৫০ এএম, ১ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

অধিকৃত পশ্চিম তীর নিয়ে ইসরায়েলকে তার নীতি পরিবর্তন করার আহ্বান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার শীর্ষ উপদেষ্টারা। যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

 

পশ্চিম তীরে প্রায় ২৭ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করছে। ভবিষ্যতে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনার অঞ্চলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

 

মার্কিন প্রশাসনের আশঙ্কা, পশ্চিম তীরে সহিংসতা বাড়লে গাজায় শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা ব্যাহত হবে। একই সঙ্গে ট্রাম্পের মেয়াদের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তির পরিধি সম্প্রসারণও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

 

সূত্রগুলো জানায়, গত রবিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠকে পশ্চিম তীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। নেতানিয়াহুকে উসকানিমূলক পদক্ষেপ এড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আহ্বান জানান।

 

আলোচনায় ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সহিংসতা, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আর্থিক অস্থিতিশীলতা ও ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়।

 

মার্কিন পক্ষের বার্তা ছিল, পশ্চিম তীরের নীতিতে পরিবর্তন আনা জরুরি। কেননা, ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক মেরামত এবং ভবিষ্যতে আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

সূত্রটি জানায়, বৈঠকে নেতানিয়াহু বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

তবে, ট্রাম্পের এ বার্তার পরেও পশ্চিম তীরে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। বুধবার উত্তরাঞ্চলের একটি শরণার্থী শিবিরের ২৫টি ভবন ভাঙার কার্যক্রম শুরু করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, ওই এলাকায় সশস্ত্র ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা দমন করতে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

১৯৬৭ সাল থেকে পশ্চিম তীর দখল করে রেখেছে ইসরায়েল। ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার পর বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য নূর শামসসহ এসব শরণার্থী শিবির গড়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো ঘন জনবসতিতে পরিণত হয়েছে।

 

সূত্র: আরব নিউজ