মঙ্গলবার   ১০ মার্চ ২০২৬   ফাল্গুন ২৬ ১৪৩২   ২১ রমজান ১৪৪৭

গভীর রাতে গোয়ায় মূখ্যমন্ত্রীর শপথ

আমাদের নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৫:০১ পিএম, ১৯ মার্চ ২০১৯ মঙ্গলবার

ভারতের গোয়া রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপি নেতা প্রমোদ সাওয়ান্ত। সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি ও আনন্দবাজার জানায়, স্থানীয় সময় সোমবার রাত ২টার দিকে তিনি শপথ নেন।

মনোহর পারিকরের অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন প্রমোদ সাওয়ান্ত।

 

উপমুখ্যমন্ত্রী পদেও শপথ নিয়েছেন দু’জন। তারা হলেন মহারাষ্ট্র গোমন্তক পার্টির (এমজিপি) সুদিন ধাভালিকার এবং গোয়া ফরোয়ার্ড পার্টির (জিএফপি) নেতা বিজয় সরদেশাই। তাদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো দশ মন্ত্রী।

যদিও প্রয়াত পারিকরের উত্তরাধিকার মনোনীত করা মোটেই সহজ ছিল না বিজেপির। মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য দাবি তুলেছিলেন বিজেপির দুই শরিক এমজিপি এবং জিএফপি। নিজ দলের ভেতরেও মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে ছিলেন প্রমোদ এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বজিৎ রাণে।

রোববার বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে করেন কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন এবং দুই শরিক দলে আস্থা অর্জনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

সোমবার সন্ধ্যার পর গডকড়ি ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্তের। তিনি বলেন, আমি সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত গোয়ায় ছিলাম। কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তা চূড়ান্ত হয়েছে। তবে শরিকদের নিয়ে কিছু সমস্যা আছে।

আপাতত শরিকদের উপমুখ্যমন্ত্রিত্ব দিয়ে সন্তুষ্ট করা হলেও সমর্থনের চিঠি জোগাড় করতে বিজেপিকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। সোমবার রাতে এ নিয়ে দু’দফা বৈঠক করেন গডকড়ি।

 

৪০ আসনের গোয়া বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক ১২ জন। গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি, এমজিপি এবং নির্দলের কাছে রয়েছে তিনজন বিধায়ক। অর্থাৎ, সবমিলিয়ে ২১ জন বিধায়ক রয়েছে বিজেপি জোটের।

কংগ্রেসের রয়েছে ১৫ জন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে চারজন কম। মনোহর পাররিকরের মৃত্যুর পর এখন মোট চারটি বিধানসভা আসন খালি হলো। দুটি বিজেপির ও দুটি কংগ্রেসের আসন।

২০১৭ সালে গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস বৃহত্তম দল হিসাবে জেতার পর ঝুলন্ত বিধানসভা হয়। ওই সময়ে জোট গঠন করে বিজেপি সরকার গঠন করেন নীতিন গডকড়ি। বিজেপির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন মনোহর পারিকর।

এবার পারিকরের মৃত্যুতে ফের গোয়াতে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে লড়াই হতে যাচ্ছে। গত দু'দিনে দু'বার রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে সরকার গঠনের অনুমতি দেয়ার আবেদন করে কংগ্রেস।