বৃহস্পতিবার   ১২ মার্চ ২০২৬   ফাল্গুন ২৭ ১৪৩২   ২৩ রমজান ১৪৪৭

সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে জরুরি অবস্থা ট্রাম্পের

আমাদের নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ১০:০০ এএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শনিবার

প্রতিবেশি দেশ মেক্সিকোর সঙ্গে নিজ দেশের সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে অর্থ সংগ্রহের জন্য সেখানে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শুক্রবার হোয়াইট হাউজ রোজ গার্ডেন থেকে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বক্তৃতায় তিনি এ ঘোষণা দেন। খবর নিউ ইয়র্ক টাইমস’র।

ট্রাম্প জানান, মেক্সিকো সীমান্ত হয়ে আসা মাদকদ্রব্য, অপরাধী ও অবৈধ অভিবাসীদের থেকে দেশকে রক্ষার্থে তিনি এই ঘোষণাপত্রে সই করবেন।

 

এসময় মেক্সিকোকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্য ও অপরাধীরা যেভাবে আমাদের দেশে ঢুকছে, তা এক ধরনের আগ্রাসন। আমরা জাতীয় নিরাপত্তা সংকটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। তাই আমরা যেকোনো উপায়ে এ সীমান্ত দেয়াল নির্মাণ করবই।

এদিকে, হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা জানান, এ ঘোষণার ফলে সামরিক নির্মাণ প্রকল্পগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার সীমান্ত দেয়াল নির্মাণে ব্যয় করতে পারবেন ট্রাম্প। এছাড়া মাদক নির্মূল কর্মসূচির আড়াই মিলিয়ন ডলার এবং ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ ফান্ডের ৬০০ মিলিয়ন ডলার কাজে লাগাতে পারবেন তিনি।

এর আগে এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ জানায়, সরকারি অচলাবস্থা এড়াতে সীমান্ত নিরাপত্তা বিলে সই করবেন ট্রাম্প। তবে কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে দেয়াল নির্মাণের অর্থ সংগ্রহে জরুরি অবস্থা জারি করবেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট নেতারা ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘ক্ষমতার চরম অপব্যবহার’ এবং ‘আইন বহির্ভূত কাজ’ করার অভিযোগ করেন।

 

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন ট্রাম্প। কিন্তু দুই বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার পরও এর জন্য কংগ্রেসের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হন তিনি।

বৃহস্পতিবার সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য প্রায় ১৪০ কোটি ডলার বরাদ্দ দিতে রাজি হয় কংগ্রেস। যদিও এই অর্থ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবির তুলনায় অনেক কম। তিনি সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য ৫৭০ কোটি ডলার বরাদ্দ চান।