ইইউ’র কালো তালিকাভুক্ত সৌদি আরব
আমাদের নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত : ১২:৫৪ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার
সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও অবৈধ অর্থপাচার ঠেকাতে ব্যর্থ বিশ্বের কয়েকটি দেশকে কালো তালিকাভূক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বুধবার প্রকাশিত এ তালিকায় নতুন করে সাতটি দেশকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবও রয়েছে। এ তালিকায় আরো রয়েছে পানামা ও নাইজেরিয়াসহ আরো কয়েকটি দেশ। আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে ইইউর এই কালো তালিকাভূক্তি।
ইইউ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই তালিকার লক্ষ্য হচ্ছে অর্থপাচার এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের ঝুঁকি আরো ভালোভাবে প্রতিহত করতে ইইউর আর্থিক ব্যবস্থাকে রক্ষা করা।
কালো তালিকাভূক্তির ফলে ইইউ’র অর্থপাচারবিরোধী আইনের আওতায় যেসব ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এসব দেশের গ্রাহক এবং প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করবে।
ইইউ’র প্রকাশিত কালো তালিকায় সৌদি আরব ছাড়া আরো রয়েছে- আফগানিস্তান, আমেরিকান সামোয়া, দ্য বাহামাস, বতসোয়ানা, উত্তর কোরিয়া, ইথিওপিয়া, ঘানা, গুয়াম, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, পানামা, পুয়ের্তো রিকো, সামোয়া, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, তিউনিশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন দ্বীপ ও ইয়েমেন।
বসনিয়া হারযেগোভিনা, গায়ানা, লাওস, উগান্ডা ও ভানুয়াতুকে এ তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাশোগির নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কোনঠাসা হয়ে থাকা সৌদি আরবের জন্য এই মুহূর্তে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কালো তালিকাভূক্তির ঘটনা বড় ধরনের ধাক্কা।
ওয়াশিংটন পোস্টের ওই সাংবাদিক গত বছরের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে খুন হন। দুর্বৃত্ত অভিযানে খাশোগি খুন হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে সৌদি আরব। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক কূটনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে দেশটি।
