বৃহস্পতিবার   ১২ মার্চ ২০২৬   ফাল্গুন ২৭ ১৪৩২   ২৩ রমজান ১৪৪৭

‘কুমারীত্ব পরীক্ষা যৌন হয়রানি’

আমাদের নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ১২:২২ পিএম, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শনিবার

ভারতের কয়েকটি এলাকায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ের আগে নারীদের কুমারীত্ব পরীক্ষার রীতি রয়েছে। সেই রীতির বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন মুম্বাইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের প্রাক্তনী বিবেক এবং তার পরিচিত আরও ৭৪ জন।

 

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সেই লড়াইয়ের জয় হল বুধবার। দেশটির মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার বলেন, কোনো নারীকে বিয়ের আগে কুমারীত্ব পরীক্ষায় বাধ্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রঞ্জিত পাতিল এই ইস্যু নিয়ে সামাজিক কয়েকটি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেছেন। ওই প্রতিনিধিদলে শিবসেনার মুখপাত্র নীলম গোরে ছিলেন।

পরে সাংবাদিকদের রঞ্জিত পাতিল বলেন, কুমারীত্ব পরীক্ষাকে যৌন হয়রানির ধরন হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। আইন ও বিচার বিভাগের সঙ্গে আলোচনার পর এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এটিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

কারজারভাট সম্প্রদায়সহ বেশ কিছু সম্প্রদায়ে এ ধরনের প্রথা চালু রয়েছে। এসব সম্প্রদায়ের মানুষ এই প্রথার বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রচার চালাচ্ছেন।

 

কারজারভাট জনজাতির মধ্যে গত ৪০০ বছর ধরে এটা প্রচলিত প্রথা। সেই প্রথার বিপক্ষে গিয়ে গত বছর মে মাসে পুণের মহিলা কমিশন এবং পুলিশের সাহায্য নিয়ে স্ত্রী ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করেন তিনি। সতীত্বের পরীক্ষা ছাড়াই। তারপর আরও অনেক প্রতিবাদীকে নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে ফেলেন। তার মাধ্যমেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন এতদিন।