রোববার   ১৫ মার্চ ২০২৬   চৈত্র ১ ১৪৩২   ২৬ রমজান ১৪৪৭

ফেরিওয়ালার হাঁকে স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক 

আমাদের নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:০৯ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে ফেরিওয়ালাদের চাহিদা। জীবিকার তাগিদে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বেছে নিয়েছেন স্বল্প পুঁজির এ ব্যবসা। বাড়ি বাড়ি পণ্য ফেরি করেই অনেকে ঘুড়িয়েছেন নিজেদের ভাগ্যের চাকা।

সবজি, মাছ, ফলপ্ল্যাস্টিক সামগ্রী, কক্সমেটিক্সসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে তাদের হাঁকডাক চলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। কম দামে ও হাতের নাগালে প্রয়োজনীয় পণ্য থাকায় কষ্ট কমেছে ক্রেতাদের।

আখাউড়া পৌর শহরের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পণ্য ফেরি করেই চলছে অন্তত অর্ধশত পরিবারের আহার-নিদ্রা। পৌর শহরের দেবগ্রামতারাগনরাধানগরকলেজপাড়ামসজিদপাড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউপির নুরপুরহিরাপুরবাউতলায় দেখা গেছে কেউ ভ্যান গাড়ি, সাইকেলে আবার কেউ কাঁধে নিয়ে প্রয়োজনীয় সব পণ্য ফেরি করে বেড়াচ্ছেন।

সবজি ফেরিওয়ালা মো. তৈয়ব আলী বলেনবাজার থেকে সবজি কিনে দুই-এক টাকা লাভে বাড়িতে বাড়িতে বিক্রি করি। প্রতিদিন খরচ বাদে শ তিনেক টাকা হাতে থাকে।

মাছের ফেরিওয়ালা আলফু মিয়া বলেন, বাজার থেকে নানা প্রকার মাছ কিনে আনি। দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই ৬০-৭০ কেজি মাছ বিক্রি হয়। দিনে ৫০০ টাকার বেশি লাভ হয়।

তৈয়ব আলী, আলফু মিয়ার মতো মানুষের দ্বারে দ্বারে পণ্য ফেরি করে বেড়ান সবুজ মিয়াআনু মিয়াগোপালমালেক মিয়ামামুনসহ আরো অনেকে।

পৌর শহরের তারাগন গ্রামের গৃহিনী লুৎফা আক্তার বলেন, আমার স্বামী দেশে থাকেন না। তাই বাজারে যাওয়া সম্ভব হয় না। ফেরিওয়ালারা বাড়ির কাছে আসায় তাদের কাছ থেকেই নিত্যদিনের বাজার করি।

পৌর শহরের পোশাক শ্রমিক মো. খোরশেদ মিয়া বলেনপ্রতিদিন অফিস শেষে বাজারে যেতে কষ্ট হয়। তাই বাসায় ফেরার পথে ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে নেই