ইয়েমেনে কয়েক মিনিটেই ভাঙল যুদ্ধবিরতি
নিউজ ডেস্ক
আমাদের নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত : ০৫:১৩ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার
ইয়েমেনে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা ভাঙা হয়েছে। যুদ্ধ বিরতি ভাঙার অভিযোগটি জানিয়েছেন ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত নির্বাসিত সরকারপন্থি এক কর্মকর্তা।
দেশটিতে মধ্যরাতের পর মঙ্গলবার থেকে যুদ্ধরত পক্ষগুলো বন্দর শহর হুদায়দায় যুদ্ধবিরতি করতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু সেখানে হুতি বিদ্রোহী ও সরকারপন্থি বাহিনীর মধ্যে এখনও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। - খবর বিবিসির
হুদায়দা বন্দরটি ইয়েমেনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই বন্দর দিয়েই যুদ্ধের কারণে প্রায় দুর্ভিক্ষের প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া ইয়েমেনে জরুরি মানবিক ত্রাণ সরবরাহ প্রবেশ করে থাকে।
হুদায়দায়ের পূর্ব দিকে অবস্থানরত সরকারি বাহিনীর ওপর বিদ্রোহীরা গোলাবর্ষণ করছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের।
দু’পক্ষের মধ্যে এখনো সংঘর্ষ চলছে বলে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ‘এএফপি’কে এক সরকারপন্থি কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
জাতিসংঘের উদ্যোগে সুইডেনে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনায় বৃহস্পতিবার উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। এটি প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে চলমান ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার ‘শুরুর মূহুর্ত’ হতে পারে বলে অনেকেই আশা করেছিলেন।
কিন্তু এর ঠিক পরের দিন শুক্রবারই বিমান হামলা ও তীব্র লড়াইয়ের খবর আসার পর যুদ্ধবিরতি পিছিয়ে যায়।
রাজধানী সানা থেকে ১৪০ কিলোমিটার পশ্চিমের হুদায়দাহ ইয়েমেনের চতুর্থ-বৃহত্তম শহর এবং লোহিত সাগরে দেশটির প্রধান বন্দর। ২০১৪ সালের শেষ দিকে বিদ্রোহীরা দখল নেওয়ার আগে দেশটির অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল এ শহরটি।
বন্দর শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য জুন থেকে সরকারপন্থি বাহিনীকে সমর্থন দেওয়া সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী এখানে হামলা শুরু করে।
এই বন্দর দিয়ে আমদানি করা খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের ওপর ইয়েমেনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ লোক সরাসরি নির্ভরশীল। দুই কোটি ২০ লাখ ইয়েমেনির কোনো না কোনো ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন, আর পরের বেলার খাবার কীভাবে সংগ্রহ করবে ৮০ লাখ ইয়েমেনির তা জানা নেই।
