শেষ পর্যন্ত টিকেই গেলেন থেরেসা মে
আমাদের নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত : ০২:৩৭ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার
ব্রেক্সিট ইস্যুতে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর অবশেষে টিকেই গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর থেরেসা মে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মাত্র ১৯ ভোটের ব্যবধানে আস্থা ভোটে টিকে যান তিনি।
বুধবার অনুষ্ঠিত ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মে'র প্রতি আস্থার পক্ষে ভোট পড়েছে ৩২৫টি। আর অনাস্থার পক্ষে জানিয়েছেন ৩০৬ জন।
এর আগে মঙ্গলবার ব্রেক্সিট সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব বিষয়ে আয়োজিত ভোটাভুটিতে বিশাল ব্যবধানে তিনি পরাজিত হন। তার ব্রেক্সিট প্রস্তাবটি ২৩০ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বাতিল হয়।
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্স এর ৪৩২ এমপি ওই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন। আর এর পক্ষে ভোট পড়ে ২০২টি। ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সর্বোচ্চ ব্যবধানে পার্লামেন্টে পরাজিত হন থেরেসা মে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আস্থা ভোটের মুখে পড়েন তিনি।
২৩০ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজয়ের পর বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন থেরেসা মে’র সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন।
বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এই প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হয়। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এ আস্থা ভোটের মধ্য দিয়েই মীমাংসা হল থেরেসা মে প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার বিষয়টি।
আস্থা ভোটে টিকে থাকার প্রতিক্রিয়ায় মে এমপিদের বলেন, তিনি গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দেশের জনগণকে দিয়েছেন, তা পূরণ করতে তিনি কাজ চালিয়ে যাবেন।
ব্রেক্সিটের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য থেরেসা মে বুধবার রাত থেকেই সব পার্টির নেতাদেরকে সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করারও আমন্ত্রণ জানান।
এ সময় তিনি সবার কাছে ‘গঠনমূলক মনোভাব’ নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।
মে জানান, আমাদের এমন একটি সমাধানে আসতে হবে যেটা আলোচনা সাপেক্ষ এবং পার্লামেন্টের জন্যও সহায়ক হবে।
