শুক্রবার   ১৩ মার্চ ২০২৬   ফাল্গুন ২৯ ১৪৩২   ২৪ রমজান ১৪৪৭

দেয়াল তুলতে এক চুলও ছাড় দেবেন না ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক

আমাদের নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৭:৪৪ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ বুধবার

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল তুলতে এক চুলও ছাড় দিচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার চাওয়া বরাদ্দও দিতে রাজি নন কংগ্রেসের নিুকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ডেমোক্র্যাটরা। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের অচলাবস্থা চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে।

 

উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অটল থাকায় শিগগিরই সংকট নিরসনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের অর্থায়নকে ঘিরে ২২ ডিসেম্বর থেকে চলছে এ অচলাবস্থা। শাটডাউন নিয়ে সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘দেয়াল নির্মাণে বরাদ্দ না পাস হওয়া পর্যন্ত চলবে এ অচলাবস্থা।’ খবর ইউএসএটুডের।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আগে থেকেই ট্রাম্প সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিলেন। ডেমোক্র্যাটরা বলছে, জনগণের করের টাকায় তারা প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি পূরণের অযৌক্তিক দাবিতে অনুমোদন দেবে না।

রয়টার্স জানায়, দুই পক্ষের এ অনড় অবস্থানের কারণে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও বিভাগের লাখ লাখ কর্মী ২৪ দিন ধরে বেতনহীন রয়েছেন। প্রভাবশালী রিপাবলিকান লিন্ডসে গ্রাহাম চলতি সপ্তাহেই অচলাবস্থার কারণে বন্ধ সরকারি সংস্থা ও বিভাগগুলো সাময়িক সময়ের জন্য খোলার ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

সীমান্তে নিরাপত্তা নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মধ্যস্থতাকে উৎসাহিত করতে তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে প্রকাশ। কিন্তু সোমবার ট্রাম্প গ্রাহামের এ অনুরোধও প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘লিন্ডসে এ ধরনের একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন, আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। আমি এর সমাধান দেখতে চাই।’

মেক্সিকো সীমান্তে একটি নিরাপত্তা দেয়াল নির্মাণের লক্ষে চলতি বছর কংগ্রেসের কাছে ৫৭০ কোটি ডলার চেয়েছিলেন ট্রাম্প। প্রতিনিধি পরিষদ দেয়াল বাদ দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষায় ড্রোনসহ নানা ধরনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি মোতায়েনে ১৩০ কোটি ডলার দিতে রাজি হলেও তাতে মন গলেনি ট্রাম্পের।

গত সপ্তাহে হাউসের ডেমোক্র্যাট স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারের সঙ্গে এক বৈঠক ‘ওয়াক আউট’ করেন তিনি। সোমবার নিউ অরলিয়ন্সে আমেরিকান ফার্ম ব্যুরোর সম্মেলনেও ট্রাম্প ফের কংগ্রেসের কাছে দেয়াল নির্মাণের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়েছেন।