সিটির স্যানিটেশন কমিশনা ও কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টের হিলসাইড অ্যাভ
আজকাল রিপোর্ট
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০৮:১৬ এএম, ৮ নভেম্বর ২০২৬ রোববার
কমিউনিটিতে সেবার মান বাড়াতে বাংলাদেশি অধ্যুষিত হিলসাইড অ্যাভিনিউ পরিদর্শন করেন কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডোনাবান রিচার্ড (জুনিয়র) ও নিউইয়র্ক সিটির স্যানিটেশন বিভাগের কমিশনারের গ্রেগরী এন্ডারসন। গত বৃহস্পতিবার এ সময় তারা রাস্তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও পর্যায়ক্রমে হিলসাইড অ্যাভিনিউতে আরো গার্বেজ ক্যান বসানো হবে বলেও জানান তারা। বুরো প্রেসিডেন্টর অফিস ও স্থানীয় কমিউনিটি বোর্ডের সদস্যসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চলতি বছরের গত আগস্ট মাসে কুইন্স সেন্ট্রাল লাইব্রেরি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত টাইল হল মিটিংয়ের ফলোআপ হিসেবে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় তারা ১৬৭ স্ট্রিট অ্যান্ড হিলসাইড অ্যাভিনিউর কর্নারে কমিউনিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং রাস্তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে প্রশাসন ও সিটির পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পরে তারা ১৬৭ স্ট্রিট থেকে ১৬৮ স্ট্রিট পর্যন্ত হিলসাইড অ্যাভিনিউ ঘুরে দেখেন এবং বরো প্রেসিডেন্ট স্থানীয় পুরনো স্টোর ফাতেমা গ্রোসারি ও মান্নান বেকারি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করেন।
এ সময় কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট অফিসের ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাদেক, কমিউনিটি বোর্ড-৮-এর চেয়ারপারসন মার্থা টেইলর, পার্ক কমিটির চেয়ার বিথিহারা ফুলটন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার এবং জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, সম্পাদক এনায়েত মুন্সী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জে মোল্লা সানি, ফার্মাসিস্ট সাহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
হিলসাইড অ্যাভিনিউতে স্যানিটেশন বিভাগের কমিশনার গ্রেগরি এন্ডারসন সাংবাদিকদের বলেন, সিটির পাঁচ বরোর সাইডওয়াকে স্যানিটেশন ডিপার্টমেন্টের প্রায় ২৫ হাজার গার্বেজ ক্যান রয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ ক্যান হারিয়ে গেছে। এই হারিয়ে যাওয়া ক্যানগুলো কে বা কারা নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তিনি আরো জানান যে, আমরা নতুন ডিজাইনের আধুনিক বাস্কেট স্থাপন করছি। তবে সর্বত্রই এই বাস্কেট বা গার্বেজ ক্যান স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম চলবে এবং চলতি বছরের মধ্যেই পাঁচ বরোর নির্দিষ্ট রাস্তার সাইড ওয়াকে বাস্কেট স্থাপন করা সম্ভব হবে।
বরো প্রেসিডেন্ট ডনোভান রিচার্ডস বলেন, হিলসাইড অ্যাভিনিউ ছাড়াও জ্যামাইকা অ্যাভিনিউতে গার্বেজ ক্যান অনেক বড় ইস্যু। এই রাস্তাটির দিকেও নজর দিতে হবে। এ সময় কমিশনার জানান, আমরা সেখানেও কাজ করছি।
