প্রকৃতির ছায়ায় একখন্ড সিরাজগঞ্জ
আজকাল রিপোর্ট
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০৯:৪৬ এএম, ১ আগস্ট ২০২৬ শনিবার
আপনজনের সান্নিধ্য, বন্ধুদের মিলনমেলা ও প্রকৃতির কোলে ফিরে নেবার আয়োজনটি করেছিল প্রবাসী সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতি। ওয়েস্টচেষ্টার কাউন্টির জর্জেস আইল্যান্ড পার্কে গত ২৫ জুলাই শনিবার সমিতির এ বনভোজন পরিণত হয়েছিল কমিউিনিটির মিলন মেলায়। চারিদিকে লেক মধ্যখানে আইল্যান্ডের উপর প্যাভিলিয়নে শতশত প্রবাসী বাংলাদেশিদের হাট বসে। খাওয়া দাওয়া,গল্প, খেলা, লাগামহীন বক্তৃতা পর্ব ও শিল্পীদের গান-নাচে মাতোয়ারা ছিল সিরাজগঞ্জবাসী। তবে অনেকের অভিযোগ ছিল জেলার বাসিন্দাদের বাইরের অন্য জেলার লোকজনদের অতিমাত্রায় উপস্থিতি। যা শতকরা ৪০ ভাগের বেশি। তাদের অধিকাংশই অবশ্য বিভিন্ন সমিতির নেতা কিংবা সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্র্থী। অনেকে ছিলেন স্পন্সর ও ডোনার। অবশ্য অতিথি পরায়ণতায় সিরাজগঞ্জ সমিতির খ্যাতি ও সুনাম রয়েছে। তবে আয়োজনটি ছিল চমৎকার। সিরাজগঞ্জ সমিতির সাড়ে ৪ শত লোকের আয়োজন থাকলেও উপস্থিতি ছিল ৬ শতাধিক। এ কারনে দুপুরের খাবারের সংকট দেখা দেয়। সমিতির কমিটির কর্মকর্তারা না খেয়ে অতিথিদেরই আপ্যায়ন করেন। অন্যান্য খাবারেও ঘাটতি ছিল। সিরাজগঞ্জ সমিতির ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা প্রথম। অতীতে প্রত্যেকটি বনভোজনে সবকিছুই উদ্বৃত্ত থাকতো।খাবারের কমতি ছাড়া পুরো আয়োজনটি প্রসংশা পাবার দাবিদার। আয়োজকরা এতবড় বিশাল আয়োজন সুশৃংখলভাবে পরিচালনা করেছেন। কমিটির কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও বিনয়ে সকলেই হাসিমুখে বিদায় নিয়েছেন। সিরাজগঞ্জ সমিতির পিকনিকের বড় আর্কষণ থাকে র্যাফেল ড্র। এবারও প্রায় ২০টি পুরষ্কারের ব্যবস্থা ছিল। সোনার চেইন, টিভি কিংবা ল্যাপটপ নিয়ে বিজয়ীরা বীরের বেশে বাসায় ফিরেছেন। মহিলাদের পিলো নিক্ষেপ ছিল অন্যতম আর্কষন। প্রায় দেড় শতাধিক মহিলা এতে অংশ নেন। সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম পিকনিক চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এম্বুলেন্স এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার অবস্থা এখন স্বাভাবিক। তবে তিনি এখনও ওয়েস্টচেষ্টারের হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান স্পন্সর ও প্রধান অতিথি ছিলেন আকাশ রহমান। উল্লেখ্য বনভোজনের খাবারও নেয়া হয়েছিল আকাশ রহমানের আশা রেষ্টুরেন্ট থেকে। বনভোজনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সোসাইটির সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী,সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আল আমীন, কামরুজ্জামান কামরুল, এশা রহমান, সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মার্ক, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক, নর্থবেঙ্গলের আতাউল আলম,আশরাফুজ্জামান, মোহাম্মদ কাশেম, রিয়েলটর জাকির এইচ চৌধুরী, নওশাদ হায়দার. মোহাব্বত আকন্দ, রাশেদ মান্নান, আব্দুর রব টেনিস, মো: আশরাফ, হাসান জিলানী,এনাম এলাহী তরফদার, এহতেশাম রোকনী, জাকারিয়া সরকার,হাসান বিন নোমান,জহুরুল ইসলাম সুজন, কামাল পাশা, খান হোসেন বিপু, আহাম্মদ শরিফ মৌসুমী, নাদির উজ্জ্বল,ফারুক হোসেন রনি, আব্দুর রব টেনিস,আব্দুল মোমেন মানিক,জহিরুল ইসলাম টিপু,গনেশ নাথ চৌধুরী, উত্তম কুমার সাহা,মহিউল ইসলাম মনি, সেলিম রেজা, রেজোয়ানা রাজ্জাক সেতু,এস ইসলাম শফি,রুবেল হাসান মুন্সী, হাসান আলী,আব্দুল হালিম ও মাহবুব মুন্না।
