মামলা নিষ্পত্তি না হলে নির্বাচন বিলম্বিত
আজকাল রিপোর্ট
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০১:৩০ এএম, ১৩ জুন ২০২৬ শনিবার
চট্রগ্রাম সমিতির সংবাদ সম্মেলন
- মাকসুদ-মাসুদের লোকজনই ভাড়া দিচ্ছে না
চট্রগ্রাম সমিতি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছে, নির্বাচনে মাকসুদ-মাসুদ প্যানেলের ২ জন প্রার্থীই চট্রগ্রাম ভবনের ভাড়াটিয়া। তারাই ভাড়া দিচ্ছে না। এই ২ জন সহ মোট ৩ জনের কাছে প্রাপ্য অর্থে পরিমান লাখ ডলারের কাছাকাছি। এ অর্থ না পাওয়ায় ভবন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষন কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। গত সোমবার জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে সাধারন সম্পাদক আপিফুল ইসলাম এ দাবি করেন। এক প্রশ্নের জবাবে সভাপতি আবু তাহের বলেন, সমিতি সংক্রান্ত একটি পক্ষের মামলা নিষ্পত্তি না হলে আগামী নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে। উল্লেখ্য সমিতির আসন্ন নির্বাচন হবার কথা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি আবু তাহের, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুর রহিম, সাবেক সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ, সাবেক সভাপতি ও বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মনির আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ রিজভী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিঠু, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য এনাম চৌধুরী, উপদেষ্টা সাহাবুদ্দিন চৌধুরী লিটন, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, উপদেষ্টা শাহজাহান, জামাল চৌধুরী, মোহাম্মদ কামাল, মতিউর রহমান চৌধুরী, সহ-সভাপতি টি আনাম, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সফিক, সহ কোষাধ্যক্ষ নূরুল আমিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক তানিম মহসীন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এনাম চৌধুরী, সহ-অফিস সেক্রেটারি ইমরুল কায়সার, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইছা, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আক্তার, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মহিউদ্দিন ও কার্যকরি সদস্য নাছির উদ্দিন ।
লিখিত বক্তব্যে আরিফুল ইসলাম বলেন, আপনারা অনেকেই অবগত আছেন চট্টগ্রাম ভবনের একটি অন্যতম আয়ের উৎস হলো এই ভবনের ছয়টি এপার্টমেন্টের ভাড়া। এই ভবনের এই আয়ের উৎস নানা সময়ে নানা মহল তসরুফ করেছেন। বিশেষ করে বিবাদমান দুই দলের পক্ষ এবং বিপক্ষ নিয়ে কতিপয় অসাধু ভাড়াটিয়া সুযোগ গ্রহণ করে আনছেন। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মাকসুদ- মাসুদ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দু’জন প্রার্থী চট্টগ্রাম ভবনের ভাড়াটিয়া। নির্বাচনের পর থেকে নিয়ে আজ অবধি এই দুইজন এবং তাদের যোগসাজশে অন্য আরো একজন ভাড়াটিয়া কোনো ভাড়া পরিশোধ করেননি। ভাড়া আদায় করতে গেলে তারা বলেছেন, তারা নাকি অন্য পক্ষকে ভাড়া দিয়েছেন। নানা চেষ্টা তদবির করার পর ও যখন তারা ভাড়া পরিশোধ করেননি তখন উপায়ান্তর না দেখে ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পরামর্শের ভিত্তিতে ল্যান্ডলর্ড এবং টেনান্ট কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম সমিতির ভাড়া আদায়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে চুক্তিবদ্ধ করা হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সময়ে, পরবর্তীতে বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ আবু তাহের এবং আরিফুল ইসলাম চট্টগ্রাম সমিতির পক্ষে পুরানো চুক্তি নবায়ন করেন। আজ অবধি এই তিনজন ভাড়াটিয়ার কাছে চট্টগ্রাম সমিতির পাওনা ভাড়ার পরিমাণ ৯৭৭১১.২০ সেন্ট। (সাতানব্বই হাজার সত্য এগারো ডলার বিশ সেন্টস)। বর্তমানে এই অনাদায়ী ভাড়ার মামলাটি ট্রায়াল এর জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, অচিরেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই তিনজন ভাড়াটেকে আমরা উচ্ছেদ কোর্টে সমর্থ হবো এবং অনাদায়ী অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ফিরিয়ে আনতে সমর্থ হবো।
সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেন, সত্যিকারের মিডিয়া সমাজের নানা ছবি মানুষের সামনে তুলে ধরে। অন্যায়, অবিচার, মিথ্যাচারকে পরাজিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তেমনি একটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ক্রমাগত মিথ্যাচার, গোয়েবেলসিও প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের নিরপেক্ষ সহযোগিতায় আমরা এইসব মিথ্যাচার এবং প্রোপাগান্ডার জবাব দিতে সক্ষম এবং সত্যিকারের পরিস্থিতি, প্রমাণ সহকারে চট্টগ্রামবাসী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সামনে তুলে ধরতে সমর্থ হবো।
তিনি বলেন,ঐকমতের ভিত্তিতে গঠিত নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে ২০ অক্টোবর ২০২৪ চট্রগ্রাম সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গ্রহণ শেষে আনুষ্ঠানিক ফল গণনায় একাধিক পদের ভোটের পার্থক্য চ্যালেঞ্জড ভোটার সংখ্যানুপাতে বিবেচনাযোগ্য হওয়ায় নির্বাচনের দিন নির্বাচন কমিশন পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা থেকে বিরত থাকেন। ছয়টি চ্যালেঞ্জড ভোটের ন্যায্যতা নির্ধারণ এবং গণনা শেষে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে তাহের-আরিফ পরিষদের সদস্যরা নয়টি পদে এবং অন্য প্যানেলের দশজন নির্বাচিত হন। এখানে উল্লেখ্য যে, চ্যালেঞ্জড ভোটসহ সকল ভোটার গণনার কাজ ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিস সম্পন্ন করেছেন, নির্বাচন কমিশন চুক্তি এবং বিধি অনুযায়ী শুধু ফলাফল ঘোষণা করেন। ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিসের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে পাঁচজন নির্বাচন কমিশন পূর্ণ ঐক্যমতের ভিত্তিতে তাদের অফিসিয়াল ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল ঘোষণা করার পরপরই নির্বাচনে পরাজিত একজন সভাপতি পদপ্রার্থী নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং স্থানীয় কিছু পত্রপত্রিকায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেন। এই অপপ্রয়াসের অংশ হিসেবে ফেসবুক লাইভে এসে ওই ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনের প্রধানসহ সম্মানিত চট্টগ্রামবাসীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে নানা ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করে। যার ভিডিও এখনো অনেকের কাছে সংরক্ষিত আছে- যদিও চট্টগ্রামবাসীর তীব্র প্রতিবাদের মুখে এবং জনরোষের ভয়ে ওই পোস্টটি সরিয়ে নেয়া হয়।
আরিফ বলেন, নির্বাচন কমিশন আর্টিকেল ১৫ দশমিক ২৫ অনুযায়ী নির্বাচিত সকল সদস্যের ৩ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। তাহের-আরিফ পরিষদের সকল সদস্য শপথ গ্রহণ করলে ও অন্য প্যানেল থেকে নির্বাচিত সদস্যগণ শপথ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেন। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় নির্বাচনের ফল ঘোষণার ১৫ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের বিধান থাকলে ও পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময় অপেক্ষা করার পরও শপথ না নেওয়ায় সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং নির্বাহী ক্ষমতাবলে নব-নির্বাচিত সভাপতি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে সংগঠনের দায়িত্ব অর্পণ করেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত হবার পর থেকেই ১৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিরলসভাবে চট্টগ্রাম সমিতিকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে নির্বাচনে জয়লাভ করা সত্ত্বেও, একদল তরুণ, প্রতিশ্রুতিশীল নতুন নেতৃত্ব কতিপয় অহংকারী, স্বার্থপর এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ক্রীড়নকদের অশুভ ইচ্ছার বলির পাঠা হয়েছেন।
ল্যান্ডলর্ড এবং টেনান্ট কোর্টের মামলা
নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি, বর্তমান কার্যকরি কমিটি এবং ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিসের বিরুদ্ধে সিভিল মামলা: নির্বাচনী প্রচারকালে চট্টগ্রামবাসীর কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে পরাজিত মাকসুদ- মাসুদ প্যানেলের সদস্য এবং তাদের কিছু সহযোগী বর্তমান কার্যকরি কমিটি, ইলেকশন কমিশন, নির্বাচন পরিচালনাকারী সংস্থা ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিস এর বিরুদ্ধে একটি সিভিল মামলা দায়ের করে। মামলার বিবরণীতে তারা নিজেদের চট্টগ্রাম সমিতির মালিক দাবি করে আদালতের কাছে বিচার চান। আসলে এর পেছনে অন্য কাহিনী লুকায়িত আছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন। অন্যথায় আজ অবধি তাদের দায়ের করা এই মামলা আলোর মুখ দেখেনি, চট্টগ্রামবাসীদের এবং সংশ্লিষ্ট মহলকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে এই মামলার শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২০২৭ সালের গ্রীষ্মকালীন সময়ে। এই মামলার অজুহাত দেখিয়ে তারা চট্টগ্রামবাসীর সামনে তাদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে চায়। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা এই মামলার নম্বর #৫৩৫১৪৬/২০২৪।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান
আরিফ লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, চট্টগ্রাম সমিতির বর্তমান নেতৃত্ব দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে এবং এই অবস্থান অব্যাহত থাকব। চট্টগ্রামবাসীর হকের অর্থ, লাশ দাফনের অর্থ যারা মেরে দিয়েছেন, তাদের কোনোভাবেই রেহাই দেওয়া হবে না, বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং হয়েছে। যেই অর্থে চট্টগ্রামবাসীর কল্যাণ হবার কথা ছিলো, সেই অর্থ ব্যক্তিবিশেষের পকেটস্থ হয়েছে, যে অর্থে চট্টগ্রামবাসীর লাশ দাফন হবার কথা ছিলো, সেই অর্থে ব্যক্তিবিশেষ ভোগ বিলাস করেছে। ২০২১ সালে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি গঠনের পূর্বে ভুয়া নির্বাচন দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে প্রায় ৩৫০০০ হাজার ডলার। ৯০০ সদস্য প্রদর্শন করে নির্বাচনের প্রহসন করে ‘অনেস্ট ব্যালট’কে ২৫ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে বলে দাবি করলেও সদস্য ফির অর্থ কোথায় জমা হয়েছে তার হদিস এখনো তৎকালীন নেতৃবৃন্দ দিতে পারেননি।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আবু তাহের, আরিফুল ইসলাম ও কামাল হোসেন মিঠু।
প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষন
ভোটের রাতে নির্বাচন কমিশন চ্যালেঞ্জড ভোট বিবেচনায় না এনেই আংশিক ফলাফল ঘোষণা করে। এতে মাকসুদুল হক চৌধুরী এগিয়েছিলেন। এরফলে মাকসুদ-মাসুদ প্যানেল নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে আনন্দ উল্লাস করে। কমিউনিটির বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে তারা শুভেচ্ছা পেতে থাকেন। কিন্তু রাত ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশন জানায়, পেনসিলভানিয়ার চ্যালেঞ্জড ভোট এর নিষ্পত্তি না হওয়ায় আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করছি না। পরবর্তীতে এই চ্যালেঞ্জড ভোটের নিষ্পতি করা হয় এবং তাহের-আরিফকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। মাকসুদ-মাসুদ প্যানেল এই ফলাফল প্রত্যাখান করে এবং নিজেদের বিজয়ী সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসেবে দাবি করতে থাকেন। মূলত নির্বাচনের রাতে নির্বাচন কমিশনের আংশিক ফলাফল ঘোষণার কারণেই আজকের চট্রগ্রাম সমিতির সংকট। অর্থের অভাবে কমিউনিটির জনপ্রিয় সংগঠনটি এগুতে পারছে না। ভবনের ট্যাক্স, গ্যাস ও ইলেকট্রিক বিল ও মেইনট্যানেন্স খরচ যোগাতে তাহের-আরিফরা হিমশিম খাচ্ছেন। অথচ ভাড়া পেলে সংগঠনটি পরিচালনায় তাদের জন্য সহজ হতো। উল্লেখ্য আনুষ্ঠানিক ফলাফলে ১৯টি পদের মধ্যে ১০টি পদে মাকসুদ-মাসুদ প্যানেল জয়লাভ করে। তাহের-আরিফ পরিষদ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ ৯ পদে বিজয়ী হয়।
মাকসুদ চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া
এদিকে মাকসুদ চৌধুরী সোশাল মিডিয়ায় সংবাদ সম্মেলনের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই সাংবাদিক সম্মেলনের নামে মানুষের চরিত্র হনন এবং অর্থের ( ফান্ডের ) অভাব দেখিয়ে ৩ লক্ষ ডলার আত্মসাতের নতুন ফন্দি ! সভাপতি পুতুল আর আতেল বাবুর মিথ্যার ফুলঝুরি,বর্ন চোরার আর্তনাদ’।
