শনিবার   ০৬ জুন ২০২৬   জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪৩৩   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ভাঙ্গনের মুখোমুখি

আজকাল রিপোর্ট

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০১:৪৬ এএম, ৬ জুন ২০২৬ শনিবার


 
বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ভাঙ্গনের মুখোমুখি। চলছে অব্যাহতি ও অনাস্থার ঘটনা। পেশাধারীদের ঐতিহ্যবাহী এমন একটি সংগঠনের সোশাল মিডিয়ার গ্রুপে অশালীন ভাষা প্রয়োগ হচ্ছে  প্রতিপক্ষের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এতে উস্মা প্রকাশ করছেন সিনিয়র আইনজীবিরা। অথচ কয়েকজন বিচারপতিও এই সংগঠনের সদস্য। ৩০৭ জন বাংলাদেশি আইনজীবি নিয়ে এই সংগঠন। গেল ডিসেম্বরেই উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি গঠিত হয়। এতে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হস যথাক্রমে আব্দুল ওয়াহিদ ও কামাল উদ্দীন। ৬ মাস পার না হতেই তারা কার্যনির্বাহী কমিটির ৬ জনকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি। অভিযোগ এসেছে কার্যকরি কমিটির বৈঠক ছাড়াই সংবিধান বর্হিভূতভাবে ৬ জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।এর প্রতিবাদে ১ জুন কার্যনির্বাহী কমিটির ১২ জন সদস্য জরুরী ভিত্তিতে জুম বৈঠকে মিলিত হন। তারা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক কর্তৃক একতরফাভাবে ৬ জন কর্মকর্তার পদ শূন্য /অব্যাহতি দেবার নিন্দা করেন। ্এই জুম বৈঠকেই সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ ও সাধারন সম্পাদক কামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গৃহিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহসভাপতি ব্যারিষ্টার আকমাম খান। পরিচালনা করেন যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান সাবু। উপস্থিত ছিলেন কার্যকরি কমিটির এড. সোনিয়া সুলতানা, নুরুল করিম জুয়েল, এড. মাহবুব আলম, এডভোকেট জয়জিত আচার্য,এড. রুবিনা মান্নান, সাব্বির আহমেদ, পর্ণা ইয়াসমীন,কাজী জুয়েল ও হাসনাত কবির ফাহিম। আজ শুক্রবার ৫ জুন নবান্ন রেষ্টুরেন্টে কার্যকরি কমিটির ১২ সদস্য ফিজিক্যালি বৈঠকে বসে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। 
এ ব্যাপারে সাধারন সম্পাদক কামাল উদ্দীনের দৃষ্টি আর্কষন করলে তিনি বলেন,  আপনার নিউজের সোর্স কি? কে বলেছে? আমাদের সংগঠনের সিদ্ধান্ত হলে আমরা জানাবো। ভুল নিউজ করবেন না। এটি আমাদের ঘরোয়া বিষয়। নিউজ করার মতো কিছু না। ৬ জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সাধারন সম্পাদক বলেন, যা ঘটেছে সংবিধান অনুসারে। এ নিয়ে কোন নিউজ ‘কইরেন’ না। এমনিতেই আমাদের কমিউনিটিতে ভাঙ্গাগড়া বেশি। 
বিগত কমিটির ৩৩ হাজার ডলার বিধিবর্হিভূত খরচ নিয়েও সংগঠনে বিরোধ রয়েছে। ৩৫টি কবর কেনার সাংগঠনিক এখতিয়ার নিয়েও বিতর্ক তুলছেন অনেকে। অবশ্য এ কবরগুলো কেনা হয়েছিল শামসুদ্দোহা, মতিউর রহমান ও জামাল আহমেদ জনির নেতৃত্বে।