তাজমহলে মার্কো রুবিওর ছবি নিয়ে কটাক্ষ ইরানের
আজকাল রিপোর্ট
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ১১:২২ এএম, ৩০ মে ২০২৬ শনিবার
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার চারদিনের ভারত সফর শেষ করে ফিরে গেলেও এ নিয়ে আলোচনা থামছে না। ভারত সফরের একাধিক মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখনো আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
এই তালিকায় যেমন তাজমহলের সামনে তার ছবিকে কেন্দ্র করে ইরানের কর্মকর্তাদের 'কটাক্ষ' রয়েছে, তেমনই রয়েছে জয়পুর থেকে মি. রুবিওর বিদায়ের সময় ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি।
আগ্রার তাজমহলের সামনে মি. রুবিও ও তার স্ত্রী ছবি তুলেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের তীব্র সংঘাতের আবহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ছবিকে ঘিরে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি হায়দ্রাবাদে ইরানি কনস্যুলেট। সামাজিক মাধ্যমে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে লেখা হয়- "রুবিও যদি এর ইতিহাস বা স্থাপত্য সম্পর্কে জানতেন, তবে তিনি এখানে ছবি তোলার জন্য পোজ দিতেন না।"
অন্যদিকে মার্কো রুবিও যখন রাজস্থানের জয়পুর থেকে রওনা দেন, তখন তাকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে কোনো বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বা ঊর্ধ্বতন কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন না- যা অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই অভ্যর্থনা বা বিদায়-সংক্রান্ত প্রোটোকল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে কূটনৈতিক রীতি অনুযায়ী, মার্কো রুবিওর জয়পুর সফর আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য-পর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না।
তার জয়পুর ও আগ্রা সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন। প্রটোকল অনুযায়ী এই জাতীয় সফরের সময় মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা সিনিয়র রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিত থাকার প্রয়োজন হয় না।
তবে ঘটনাকে ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া মিলেছে। শেষপাল বৈদ্য নামের একজন ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, "মোদী সরকার বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তির তৃতীয় সবচেয়ে ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মর্যাদাকে একজন থানার এসএইচও-র পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। এর আগে অন্তত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এমন অশালীন আচরণ আমি দেখিনি। ট্রাম্পের 'হেলহোল' মন্তব্যের এটা কেমন জবাব?"
