শুক্রবার   ১০ এপ্রিল ২০২৬   চৈত্র ২৭ ১৪৩২   ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

‘ঠিকানা’র ৩৬ বছরপূর্তি অনুষ্ঠান

‘ঠিকানা টিভি’র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

আজকাল রিপোর্ট -

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০৪:৫৬ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার



 

 
ঠিকানার ৩৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে সেখানে আয়োজন করা হয় এক বর্ণিল পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের। মূলধারার রাজনীতিবিদ, কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কবি-সাহিত্যিক, লেখক-সাংবাদিকসহ প্রবাসের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এতে অংশ নেন। তারা ঠিকানাকে জানান ফুলেল শুভেচ্ছা। কমিউনিটির ভালোবাসায় ৩৬ বছর পেরিয়ে ৩৭ বছর পদার্পনে ঠিকানার নতুন অধ্যায় ‘ঠিকানার টিভি’ ও ‘ঠিকানা ডিজিটাল’-এর সাফল্য কামনা করেন তারা। 
অনুষ্ঠানের ছিলÑউদ্বোধনী পর্ব, গান, শুভেচ্ছা বক্তব্য, বিদায় সংবর্ধনা এবং ঠিকানা টিভি ও ঠিকানা ডিজিটালের শুভযাত্রা। অনুষ্ঠনের শুরুতে ঠিকানার পরিচিতি তুলে ধরা হয়। এর পরই আসে উদ্বোধনী ঘোষণা। বাজানো হয় বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সংগীত। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা দাঁড়িয়ে দুই দেশের প্রতি সম্মান জানান। অনেকেই বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। এরপর ছিল উদ্বোধনী গান। ‘ধন ধান্যে পুষ্প ভরা’ দেশের গানটি গাওয়া হয়। এতে কণ্ঠ দেন কৃষ্ণা তিথি, বিন্দু কনা ও টিনা রাসেল। শিল্পীদের পরিবেশনা অতিথিদের মুগ্ধ করে। উপস্থিত দর্শকেরা তাদের সঙ্গে এই গানে কণ্ঠ মেলান।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা বলেন, প্রবাসীদের আস্থা ও বিশ্বস্ততার আরেক নাম ঠিকানা। পত্রিকাটি ছোট-বড় সকল মহলের পাঠযোগ্য। কেবল সংবাদ প্রকাশের মধ্যেই পত্রিকাটি নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখেনি, প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটি বিনির্মাণেও প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সত্যকে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করতে ঠিকানার বিকল্প নেই। প্রবাসে বাংলাদেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি তুলে ধরে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঠিকানা। 
বক্তারা আগামী দিনেও ঠিকানার পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই মিলনমেলায় বিশিষ্টজনদের সামনে ঠিকানার পক্ষ থেকেও সত্য প্রকাশে অবিচল থাকা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
এরপর ঠিকানার ৩৭ বছরে পদার্পণের শুভক্ষণে পত্রিকাটির বিগত ৩৬ বছরের অর্জন সম্পর্কে সøাইড শো প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঠিকানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মুশরাত শাহীন অনুভা। তিনি তার বক্তৃতায় ঠিকানার শুরু, পথচলা, সাফল্য, কমিউনিটি বিনির্মাণে এর অবদান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তার বাবা এম এম শাহীন এবং স্বামী রুহিন হোসেন তার জীবনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    
 

এরপর ঠিকানার পথচলা, এগিয়ে যাওয়া, ব্যক্তিগত জীবনের অনুভূতি, কমিউনিটির কাছে প্রত্যাশা নিয়ে বক্তব্য  দেন ঠিকানার বার্তা সম্পাদক শহীদুল ইসলাম। ঠিকানার সিনিয়র সাংবাদিক নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী ঠিকানা ও ঠিকানা টিভির পথচলা অব্যাহত রাখতে আগামী দিনেও পাঠক ও কমিউনিটিকে পাশে থাকার আহ্বান জানান। 
ঠিকানা টিভি নিয়ে নিজেদের স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন ঠিকানা গ্রুপের চিফ অ্যাডভাইজর রুহিন হোসেন ও ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন। 
ঠিকানা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন ঠিকানা টিভির উদ্বোধনী ঘোষণা দেন। উদ্বোধনী পর্বে ঠিকানা টিভির শো-রিল প্রদর্শন করা হয়। ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরি’ এবং চিত্রনায়ক জায়েদ খান অভিনীত ‘আমেরিকান ড্রিম’ নামেও দুটি ইভেন্ট ছিল।
অনুষ্ঠানে সদ্য অবসরে যাওয়া ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক মুহম্মদ শামসুল হককে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়। 
তিনি নির্বাহী সম্পাদক জাভেদ খসরুসহ ঠিকানার পরিবারের সবাইকে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। সেই সঙ্গে বিদায়ী প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান এবং বিদায়ী সহযোগী সম্পাদক শামসুল হকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ও তাদের অবসর জীবন সুন্দর ও শুভ হোক সেই কামনা করেন।
গত ৩ এপ্রিল ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার মেরিনায় ঠিকানা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঠিকানা টিভির হেড অব প্রডিউসার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবীর আলমগীর। তাকে সহযোগিতা করেন ঠিকানার বার্তা সম্পাদক শহীদুল ইসলাম ও সিনিয়র সাংবাদিক নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী। 
ঠিকানার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মূলধারার রাজনীতিক দিলীপ চৌহান, নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিসের চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মীর বাশার, নিউইয়র্ক সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইয়ুথের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার নুরুস সালাম, ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার (সচিব পদমর্যাদা) গোলাম মোর্তোজা, সাবেক যুগ্ম সচিব আলতাফ হোসেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র ও নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্সের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নকিবুর রহমান। 
ঠিকানার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে শুভানুধ্যায়ী, কমিউনিটির বিশিষ্টজনদের মধ্যে বক্তব্য দেন মূলধারার রাজনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, জেবিবিএর প্রেসিডেন্ট গিয়াস আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ নেওয়াজ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দীন দেওয়ান, যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, ব্রঙ্কসের কমিউনিটি বোর্ড-৯ এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এন মজুমদার, ফোবানার নেতা কাজী ফিরোজ আহমেদ ও কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজর মিজানুর রহমান, কমিউনিটির প্রবীণ ব্যক্তিত্ব নাসির আলী খান পল, সিপিএ জাকির চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হোসেন খান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, লে. কমান্ডার (অবসরপ্রাপ্ত) শামসুল হক, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজর মিজানুর রহমান, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি, বীর মুক্তিযোদ্ধ গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ ও আব্দুল মুকিত চৌধুরী প্রমুখ। 
আরো উপস্থিত ছিলেন- নিউইয়র্কে বাংলাদেশের ডেপুটি কনসাল জেনারেল মো. আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান ট্রাস্টি ও জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকম হাকিম, বাংলা ট্রাভেলের কর্ণধার বেলায়েত হোসেন বেলাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনজুরুল ইসলাম, ১০৯ প্রিসিঙ্কটের কমান্ডিং অফিসার ও বাপার সাবেক সভাপতি ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি, ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সরকার, আশা হোমকেয়ারের প্রেসিডেন্ট আকাশ রহমান, মাওলানা সাইফুল সিদ্দিকী, আরটিভি ইউএসএ’র প্রযোজক অলিভ আহমেদ, নিউইয়র্ক পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সেকশন কমান্ডার মুস্তাফিজুর রহমান, ডা. প্রতাপ চন্দ্র দাশ, তানভীর রাব্বানী, জমজম ট্রাভেলসের কর্ণধার তাওহীদ মুন্না, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক হাসান জিলানী, রিয়েলটর সরোয়ার খান বাবু, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট দুলাল মিয়া হাজী এনাম প্রমুখ। 
আরও উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সংগঠক হাসানুজ্জামান হাসান, ফরহাদ হোসেন, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, ডা. মুজিবুল হক, মাহবুব হোসেন, লেখক রুপা খানম, লেখক নন্দিনী মুস্তাফী, আব্দুর রহমান, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, নাঈমা খান, অ্যাটাবের সেক্রেটারি মাসুদ মোর্শেদ,  রিয়েলটর ওবায়েদ বাবু, এম এম আলম, নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব হেলথের পরিচালক ডা. সৈয়দ আল-আমীন রাসেল, নারী নেত্রী অধ্যাপিকা হুসনে আরা, সংস্কৃতিকর্মী ও জনপ্রিয় বাচিক শিল্পী মুমু আনসারী, সাংবাদিক রওশন হক, জেবিএ সেক্রেটারি সৈয়দ রাব্বী, সানম্যানের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসুদ রানা তপন।
আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরন, বাংলা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও হককথা সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, এনটিভি উত্তর আমেরিকার ব্যুরো প্রধান ফরিদ আলম, সাপ্তাহিক প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার নির্বাহী সম্পাদক মনজুরুল হক, চ্যানেল আই যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি রাশেদ আহম্মেদ, প্রতিনিধি মোহাম্মদ হোসেন দীপু, আজকালের বিশেষ প্রতিনিধি মনোয়ারুল ইসলাম ও সিটি এডিটর অনিক রাজ, দৈনিক প্রথম আলোর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি তোফাজ্জল লিটন, আওয়াজ বিডি সম্পাদক শাহ আহমেদ, ইয়র্ক বিডি সম্পাদক শাহ ফারুক, আইবি টিভির সিনিয়র সাংবাদিক সৌরভ ইমাম, তুষার পিক, ফারুক বিপ্লব, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মনোয়ার হোসেন পাঠান, জনপ্রিয় অভিনেতা টনি ডায়েস, সাংবাদিক ও অভিনেতা শামীম শাহেদ, জামান মনির, লিটা শাহরিন, মীর নওশাদ, সাংবাদিক ও সংস্কৃতি কর্মী ছন্দা বিনতে সুলতান, লেখিকা রুপা খানম, কিউটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফরিদ উদ্দিন, আইটি বিশেষজ্ঞ ইফতেখার আহমেদ, লেখক সুফের মামা, লেখিকা সোনিয়া কাদির। 
উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, ব্রঙ্কসের মূলধারার রাজনীতিক আব্দুস শহীদ, ড. দীলিপ নাথ, রোকেয়া আকতার, আবিদা ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট কলামিন্ট শামসুদ্দিন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, কার্যকরী সদস্য আশরাফুজ্জামান, রিয়েলটর ও নারী নেত্রী মোর্শেদা জামান, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, রিয়েলটর আজিজুল হক মুন্না, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা আব্দুস সবুর, এবাদ চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন সবুজ, এম এ বাতিন, একেএম রফিকুল ইসলাম ডালিম, গ্লোবাল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের সিইও মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বশির, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাঈদ আহমদ, লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শওকত আলী, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি ও কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার আহসান হাবিব, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট লায়ন আহসান হাবিব, প্রমোটার খায়রুল ইসলাম খোকন, লায়ন আহমেদ সোহেল, খানস টিউটোরিয়ালের চেয়ারপারসন নাঈমা খান, ফার্মাসিস্ট মোস্তাক আহমেদ, বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট এবিএম সালেহ উদ্দিন, জনপ্রিয় ছড়াকার মনজুর কাদের, সংস্কৃতিকর্মী ও বাচিকশিল্পী মুমু আনসারী, বিশিষ্ট গীতিকার মাহফুজুর রহমান, সংগীত শিল্পী কামরুজ্জামান বকুল, শাহ মাহবুব, কমিউনিটি লিডার নূরুল হক, কুলাউড়া সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদ, বহ্নিশিখা সঙ্গীত একাডেমির পরিচালক সবিতার দাশ প্রমুখ।