ব্র্রংকস কমিউনিটির উদ্যোগে আলবেনিতে বাংলাদেশ ডে
আজকাল রিপোর্ট -
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০২:১৮ এএম, ২৮ মার্চ ২০২৬ শনিবার
লাল-সবুজের পতাকা হাতে বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতিতে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউজে গত ২৩ মার্চ ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপিত হয়েছে। এতে মূলত ব্রংকস কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। গত ১৪ বছর ধরে প্রতিটি স্বাধীনতা দিবসেই নিউইয়র্ক স্টেটের রাজধানী আলবেনীতে নানা আয়োজনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ডে’ হিসেবে। এবারও স্টেট সিনেটে গত ১০ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ওপর রেজুলেশন পাস হয়। যেখানে স্বাধীনতার স্থপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম এবং বঙ্গবন্ধুর পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার বার্তা রেডিওতে পাঠের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
একদিন পর ২৪ মার্চ বাংলাদেশ সোসাইটির উদ্যোগে স্টেট এসেমব্লি ও সিনেট সদস্যরা আলাদাভাবে বাংলাদেশ ডে উদযাপন করেন। এতে কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। বাংলাদেশ ডে উদযাপনের এই বিভক্তি নিয়ে কমিউনিটিতে বিরুপ সমালোচনাও হচ্ছে। অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের স্বাধীণতা দিবস ঘিরে একাধিক অনুষ্ঠান হতেই পারে। এতে দোষের কিছু নেই।
বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস ও বাংলাদেশি কমিউনিটির যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও স্থান পেয়েছে বরাবরের মতই। স্টেট সেক্রেটারি আলেজান্দ্রা এন পোলিনো স্বাক্ষরিত এবং নিউইয়র্ক স্টেট গভর্নর ক্যাথি হোকুল ঘোষিত ২৬ মার্চকে নিউইয়র্ক স্টেটে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস’র রেজ্যুলেশনের শেষ প্যারায় ‘নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার একটি বার্তা প্রচার (রেডিও-তে) করেন’। এই রেজুলেশনের কপি অনুষ্ঠানে সমবেত প্রবাসীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
দিবসটি উদযাপনের জন্য গত সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় ব্রঙ্কসের বাংলাবাজার এলাকার ইউনিয়ন পোর্ট রোড থেকে নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীর উদ্দেশ্যে একটি বাস ও দু’টি প্রাইভেট কারে প্রবাসীরা স্টেট হাউজে জড়ো হন। বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ আলবেনিতে পৌঁছান সকাল ১১টায়। এসময় সিনেটর লুইস সেপুলভেদা ও সিনেটর ন্যাথালিয়া ফার্নান্ডেজকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশিরা ‘বাংলাদেশ ডে’ ব্যানার হাতে সিনেট ভবন এলাকায় সংক্ষিপ্ত শোভাযাত্রায় অংশ নেন। সিনেট ভবনের লবিতে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপনকারীদেও নিয়ে ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়। ফটোসেশনে অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যারীনেস রেইসও অংশ নেন। এরপর মধ্যাহ্ন ভোজ পরিবেশন করা হয়।
‘বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস’ বাফা’র মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে ইভেন্ট কমিটির আহ্বায়ক মো. শামিম মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আবদুস শহীদ, প্রধান সমন্বয়কারী আবদুর রহিম বাদশা, কমিটির মুখপাত্র ইমরান শাহ রন, চেয়ারম্যান জুনেদ আহমেদ চৌধুরী, কো-চেয়ারম্যান রোকন হাকিম ও সামাদ মিয়া জাকারিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক শামিম আহমেদ, সদস্য সচিব এ ইসলাম মামুন, যুগ্ম সদস্য সচিব রেজা আব্দুল্লাহ, উপদেষ্টা সাখাওয়াত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর আহমেদ, এডভোকেট রেদওয়ানা রাজ্জাক ও সরাফত আলী পাটোয়ারী, সমন্বয়কারী নুরল ইসলাম মিলন ও মুনতাসিম বিল্লাহ তুষার, সদস্য জামাল আহমদ ও সাদিকুর রহমান ।
