ডা. জুবাইদা রহমান প্রশংসিত
আজকাল রিপোর্ট -
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০১:৫৯ এএম, ২৮ মার্চ ২০২৬ শনিবার
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার : গ্লোবাাল কোয়ালিশন সামিট’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ মহলে এই প্রথম নিজের উপস্থিতি ও গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়ে প্রশংসিত হন ডা. জুবাইদা রহমান। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ৪৫ দেশের ফার্স্ট লেডিদের শীর্ষক এই সম্মেলনে তিনি বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ডা. জুবাইদা রহমানের অবস্থান। তাঁর নিজের ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞার বিকাশ কয়েক যুগ ধরেই দেশে এবং বিদেশে প্রশংসিত হয়ে আসছিল। ক্ষমতার বলয়ের মধ্যমণি হয়েও কোন পদপদবি তিনি কখনো গ্রহণ করেননি। এবার আন্তর্জাতিক মহল থেকে অর্থাৎ হোয়াইট হাউজ থেকে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ডা. জুবাইদাকে আমন্ত্রণ জানালেন। হোয়াইট হাউজে গত ২৪ ও ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বিশ্বের ৪৫-এর অধিক দেশের ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রনেতাদের সহধর্মিণী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ডা. জুবাইদা রহমান একজন চিকিৎসক হিসেবে প্রতিটি শিশুর জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতির কথা সম্মেলনে জোর দিয়ে বলেন। গত ২৫ মার্চ সকালে হোয়াইট হাউসে মার্কিন ফার্স্ট লেডি ও সম্মেলনের আয়োজক মেলানিয়া ট্রাম্প ডা. জুবাইদা রহমানসহ আগত সকল অতিথিদের স্বাগত জানান। মার্কিন ফার্স্ট লেডির স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় আবারও শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সকলকে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান ডা. জুবাইদা রহমান । পরে মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং কুশলাদি বিনিময় করেন এবং শিশুদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার জন্য একমত হন।
গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য মেলানিয়া ট্রাম্পকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান ডা. জুবাইদা রহমান। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রনেতাদের সহধর্মিণীদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশলাদি বিনিময় করেন তিনি। সবশেষে গ্রুপ ফটো সেশন ও রিসিপশনে অংশ নেন ডা. জুবাইদা রহমান। এর আগে মঙ্গলবার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তিনি। তার বক্তব্যে শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ ও উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারী বিশ্বনেতাদের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞতার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং শিশুদের কল্যাণে বাংলাদেশের সাথে একযোগে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের পক্ষে ডা. জুবাইদা রহমানের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এ সময় প্রশ্নের জবাবে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞানার্জন এবং বিশ্বের সকল শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য অন্যান্য ফার্স্ট লেডি ও স্পাউসদের সাথে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
সম্মেলনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও প্রয়োগ উপস্থাপন করা হয়। ডা. জুবাইদা রহমান এবং তার প্রতিনিধিদল তা পরিদর্শন করেন।
