সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত গফরগাঁওয়ের যুবকের মৃত্যু
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০৭:১৭ পিএম, ১৮ মার্চ ২০২৬ বুধবার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত বাংলাদেশি প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় আল খারিজ শহরের সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এ নিয়ে একই হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়ালো। নিহত মামুন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। তিনি এক সন্তানের বাবা।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরের ‘আল তোয়াইক বলদিয়া’ কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই দুই বাংলাদেশি নিহত হন এবং মামুনসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের বাবা শহীদ সওদাগর ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোক বিরাজ করছে।
মামুনের মামাতো ভাই শাওন মড়ল বলেন, ‘ভাইকে বাঁচাতে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। এখন আমাদের একটাই দাবি, সরকারের সহযোগিতায় যেন দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।’
এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই হামলায় নিহত অপর দুই বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছিল। তারা হলেন— কিশোরগঞ্জের কটিয়াদির বাচ্চু মিয়া এবং টাঙ্গাইলের সখীপুরের মোশাররফ হোসেন। মামুনের মৃত্যুতে এই হামলায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশির সংখ্যা এখন তিনজন।
