পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০১:৫১ এএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার
১৯৬৭ সালে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের পর প্রথমবারের মতো অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিশাল এলাকাকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে তেল আবিব।
ইসরায়েলি পাবলিক ব্রডকাস্টার কেএএন-এর বরাত দিয়ে আল জাজিরা রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে, প্রস্তাবটি উগ্র ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জমা দিয়েছিলেন।
প্রতিবেদন অনুসারে, বেশিরভাগ ফিলিস্তিনি জমি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত নয়। কারণ এটি একটি দীর্ঘ জটিল প্রক্রিয়া, যা ইসরায়েল ১৯৬৭ সালে বন্ধ করে দিয়েছিল।
এর আগে, অধিকৃত পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে বেশ কিছু কঠোর সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেয় ইসরায়েলি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। ফিলিস্তিনি জমি ইহুদি বসতকারীদের কাছে বিক্রি সহজ করা এবং ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইসরায়েলি কর্তৃত্ব বাড়ানোর পথ খুলছে এসব ব্যবস্থা।
ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অনুমোদিত নতুন ব্যবস্থায় পশ্চিম তীরে ভূমি নিবন্ধন পদ্ধতি উন্মুক্ত করা হচ্ছে, যা ইসরায়েলি বসতকারীদের জন্য ফিলিস্তিনি জমি কেনা সহজ করবে। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার কমিয়ে ইসরায়েলি সামরিক ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এই সিদ্ধান্তকে বিপজ্জনক এবং অবৈধ বলে আখ্যা দেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
অন্যদিকে হামাস পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের দখলদারীত্ব ও বসতকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। সৌদি আরব, জর্ডান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও মিশর এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা।
