পীর পরাজিত ও মান্নার জামানত নেই
আজকাল রিপোর্ট -
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০৩:০৬ এএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার
আলোচিত প্রার্থী পীর ফয়জুল করীম দুই আসনেই হেরেছেন এবং মাহমুদুর রহমান মান্না জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) ও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) এ দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর পীর সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। এরমধ্যে বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের চেয়ে ৪০ হাজার ১০২ ভোট কম পেয়েছেন। মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফয়জুল করিম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট। একইভাবে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের চেয়ে ২৬ হাজার ২২৯ ভোট কম পেয়েছেন। আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১৭ ভোট ও ফয়জুল করিম ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। বরিশাল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. খাইরুল আলম সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তবে শেষপর্যন্ত তিনি প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি। কেটলি প্রতীকে ভোট পাওয়ার সংখ্যা মাত্র ৩,৪২৬, ফলে তিনি জামানত হারিয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৪২,১৫৫, এর মধ্যে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২,৪৩,৮০২, যা মোট ভোটারের ৭২.৬৩ শতাংশ। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ (১২.৫%) ভোট পেতে হয়। বগুড়া-২ আসনে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০,৪৭৬ ভোট। কিন্তু মান্না পেয়েছেন মাত্র ৩,৪২৬ ভোট, যা মোট বৈধ ভোটের প্রায় ১.৪ শতাংশ।
প্রথমে আসনটি বিএনপির পক্ষ থেকে মান্নাকে ছেড়ে দেওয়ার আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটি নিজস্ব প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়। মান্না পরে জোটে না গিয়ে নিজের দলীয় প্রতীকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
