ফেসবুক বুস্টিং ও ডিজিটাল প্রচারের হিসাব দিতে হবে ইসিতে
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০৭:৫২ এএম, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব রিটানিং অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-তে উল্লেখ রয়েছে—‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে।’
তবে সে ক্ষেত্রে (ক) প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি প্রচার-প্রচারণা শুরুর আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করবেন।’
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এ নির্বাচনি ব্যয়সীমা সম্পর্কে বিধি ২২-এর (২) এ আরও উল্লেখ রয়েছে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব প্রচার-প্রচারণার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনি ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করবেন।’
এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় যে ব্যয় হবে, তা নির্বাচনি ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং অফিসারকে দাখিল করার বিধান রয়েছে।
এ অবস্থায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় উল্লিখিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে, সে-সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।’
