শুক্রবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১০ ১৪৩২   ০৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রংকসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাকির চৌধুরীর পেছনে ঐক্যবদ্ধ। নিউইয়র্

আজকাল রিপোর্ট -

সাপ্তাহিক আজকাল

প্রকাশিত : ০৫:৩৭ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার

এসেম্বলিম্যান পদপ্রার্থী জাকিরের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি
     
 
ব্রংকসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাকির চৌধুরীর পেছনে ঐক্যবদ্ধ। নিউইয়র্ক স্টেট এসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-৮৭’র এসেম্বলিম্যান হিসেবে আগামী নির্বাচনে তিনি প্রার্থী। এসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-৮৭ এ প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি ভোটার বাস করেন। তারা ভোট দিতে গেলে এবং দেশি প্রার্থীর প্রতি সর্মথন জানালে তার বিজয় নিশ্চিত। অতীতে এই আসনে ৪ হাজার ভোট পেয়ে এসেমব্লিম্যান নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড রয়েছে।  নিউইয়র্ক সিটি এবং স্টেটের মূলধারায় বাংলাদেশী আমেরিকানদের সরব উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে সিটি কাউন্সিলে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত শাহানা হানিফের পরপর দুবার জয় আর জজ পদে বাংলাদেশী-আমেরিকান সোমা সাঈদের জয়ের ঘটনায় কমিউনিটির অনেকেই মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠছেন। অনেকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শাহানা হানিফ ও সোমা সাঈদ নির্বাচিত হওয়ার পর মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারিতে অংশ নিতে তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতেই গত ১১ জানুয়ারি রোববার জাকিরের নির্বাচনী এলাকা ব্রংকসে আয়োজন করা হয় বিশাল কিক-অফ র‌্যালি। জুন মাসে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রংকসের স্টারলিং-বাংলাবাজারে আয়োজিত এই র‌্যালিতে প্লাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়। ফলে অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭-এর  ক্যাসেলহিল ও আশেপাশের এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। ‘জাকির ফর দ্য ব্রংকস’ ব্যানারে এই র‌্যালির আয়োজন করা হয়।  

র‌্যালিতে জাকির চৌধুরী সহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবং সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। এর আগে রং বেরংএর এক গুচ্ছ বেলুন উড়িয়ে র‌্যালির উদ্বোধন করা হয়। 

কিক-অফ র‌্যালিতে জাকির চৌধুরী নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করে বলেন, মাত্র ২১ বছর বয়সে আমি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হিসেবে আসি। আমি বেসমেন্টে থেকেছি, ট্যাক্সি চালিয়েছি, উবার ও লিফট চালিয়েছি। কিন্তু কখনো লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থেকে সরে যাইনি। আমি বিশ্বাস করতাম শিক্ষাই পরিবর্তনের একমাত্র পথ। তাই কষ্ট করে, সংগ্রাম করে লেখাপড়া চালিয়েছি এবং পরবতীর্তে অ্যাকাউন্টিংয়ে ডিগ্রি অর্জন করে সিপিএ হয়ে নিজস্ব ব্যবসা শুরু করেছি। তিনি বলেন, আমি অভিবাসীদের সমস্যার কথা জানি। তাই ইমিগ্রান্টদের অধিকার, যুব উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই মূলধারার রাজনীতিতে এসেছি। তিনি বলেন, সবার সহযোগিতায় সুয়োগ পেলে শিক্ষা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে পরিবর্তন আনতে কাজ করবেন তিনি।