রব ও মান্না নেই বিএনপির সাথে
আজকাল রিপোর্ট -
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০৫:১০ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার
বিএনপির জোট থেকে বেরিয়ে গেলো আ স ম রবের জেএসডি ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য। এ দুটি দলই বহুবছর ধরে বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলনে থাকলেও নির্বাচনে তাদের কোন প্রার্থীকে জোটের মনোনয়ন দেয়নি। লক্ষীপুর আসনে আ স ম রবের স্ত্রী তানিয়া রবকে জোটের প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। তাকে মনোয়ন দিতে বিএনপি অপারগতা প্রকাশ করে। সরকারে গেলে জেএসডিকে মুল্যায়ন করা হবে বলে আশ্বাস দেয়া হয়। আ স ম রব তা মানেন নি। তানিয়া রব জেএসডির টিকেটে নির্বাচন করছেন।
নাগরিক ঐক্যোর মাহমুদুর রহমান মান্নার নির্বাচন করবেন ২টি আসন থেকে। ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২। শুরুতে কেবল ঢাকা থেকে করার কথা থাকলেও জোটের সিদ্ধান্তে বগুড়া থেকে নমিনেশন নেন। তখন মোটামুটি ঠিক ছিল তিনি বগুড়া থেকে নির্বাচন করবেন জোটের প্রার্থী হিসেবে। তবে সেখানে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি নেতা শাহে আলমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে করে অসন্তোষ সৃষ্টি হলেও ভরসা ছিল বিএনপি হাইকমান্ডের উপর। তবে শাহে আলম আর শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। ক্ষমতায় গেলে মান্নাকে মন্ত্রী করা হবে বলে প্রতিশ্রুতিও দেয়া হয় বিএনপির শীর্ষ মহল থেকে। মান্না এ প্রস্তাব প্রত্যখান করেন।
জোট থেকে বেরিয়ে গেছেন মান্না। তিনি এখন বগুড়া-২ এর পাশাপাশি ঢাকা-১৮ আসনেও নির্বাচন করবেন। এর বাইরে আরও ১০টি আসনে তার দলের প্রার্থী রয়েছে।
আরেক দল জেএসডিও এককভাবে নির্বাচন করবে। দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রব তার স্ত্রীর জন্য লক্ষ¥ীপুর-৪ আসনে মনোনয়ন চান। ২০১৮ সালে এই আসনে তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু বিএনপি আসনটি ছাড়েনি। ফলে তারাও শেষ পর্যন্ত জোট থেকে বের হয়ে গেছে।
বিএনপি ২৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে এবং ৮টি আসন জোটসঙ্গীদের দেয়। কিন্তু এই ৮ আসনের ৬টিতেই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে।
আ স ম রব ও মাহমুদুর রহমান মান্না ডাকসুর ভিপি ছিলেন। ছিলেন স্বাধীনতার পরবর্তীকালে জাসদের ডাকসাইটে নেতা। আ স ম রব স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক। সাবেক মন্ত্রী। মান্না জাসদ-বাসদ হয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সংস্কারবাদী তকমায় ছিটকে পড়েন আওয়ামীলীগ থেকে। রাজনীীতর পিচ্ছিল পথে তারা আজ একা হয়ে পড়েছেন। লড়াইয়ের পথটি এখনও ছাড়েন নি।
