ফের বেপরোয়া পাথরখেকোরা
সাপ্তাহিক আজকাল
প্রকাশিত : ০১:৩৫ এএম, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার
সিলেটে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে পাথরখেকো সিন্ডিকেট। বাকি সব কোয়ারিতে চুরি প্রায় বন্ধ থাকলেও কোম্পানীগঞ্জের সারপিন টিলায় চলছে লুটের মহোৎসব। শতাধিক ‘বোমা’ মেশিন দিয়ে ৫০-৬০ ফুট গর্তের নিচ থেকে তোলা হচ্ছে পাথর। দিনের আলোতে চলে পাথর উত্তোলন আর রাতে পরিবহন করে নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন ক্রাসার মেশিনে। পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হলেও কোনোভাবেই থামছে না এই লুট। প্রশাসনের চেয়ে যেন শক্তিশালী হয়ে উঠেছে পাথরখেকো সিন্ডিকেট। সাদাপাথর লুটকাণ্ড আলোচিত হয়েছিল সারা দেশে। গত বছরের আগস্টে পাথর লুটকাণ্ডে যখন সিলেট উত্তপ্ত তখন জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দেন র্যাবের একসময়কার আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। তার কঠোর হস্তক্ষেপে সিলেটের সবকটি কোয়ারি থেকে পাথর চুরি বন্ধ হয়। লুটকৃত সাদাপাথর উদ্ধার করে প্রতিস্থাপন করা হয়। ওই সময় কিছুদিনের জন্য কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরেফিন টিলা (সারপিন টিলা) থেকে পাথর লুট বন্ধ হয়। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতে ফের লুটেরা চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। গত বছরের নভেম্বরের প্রথম দিকে সারপিন টিলা পরিদর্শনে গিয়ে লুটপাটের ক্ষতচিহ্ন দেখে হতবাক হন তিনি। পাথর লুট বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, সারপিন টিলায় পাথর লুট বন্ধে প্রতিদিনই অভিযান চালানো হচ্ছে। আগের দিন অভিযান হলে পরের দিন লুটেরা চক্রের সদস্যরা ফিরে আসে। এলাকার অধিকাংশ মানুষ এই পাথরের সঙ্গে জড়িত হওয়ায় কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না লুট। গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকজনকে পাথর লুটের ঘটনায় আটক করা হয়েছে। লুট সিন্ডিকেটের ৪৭ জন হোতার নামে মামলাও হয়েছে। কিন্তু এরা এলাকায় না থাকায় গ্রেপ্তার করতে বেগ পেতে হচ্ছে।
