সুপ্রিমকোর্টে ধাক্কা খেল মোদি সরকার
নিউজ ডেস্ক
আমাদের নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত : ০৫:৫৭ পিএম, ৯ জানুয়ারি ২০১৯ বুধবার
ভারতে নরেন্দ্র মোদির সরকার সুপ্রিমকোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেল। সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) পরিচালক অলোক বর্মাকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ মঙ্গলবার খারিজ করে দিয়েছেন শীর্ষ আদালত। ফলে ফের সিবিআই প্রধান পদ ফিরছেন নির্বাসিত বর্মা।
তবে আপাতত তিনি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। এ রায়ের ফলে অলোক বর্মা আংশিক জয় পেলেন বলেই ব্যাখ্যা আইনজীবী মহলের। যদিও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির দাবি, সরকার সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিল। খবর এনডিটিভির।
গত ২৩ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকার মধ্যরাতে হঠাৎই অলোককে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয়। এ পদক্ষেপ খারিজ করে সুপ্রিমকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘ওই নির্দেশিকার মাধ্যমে বর্মাকে যে অপদস্থ করার চেষ্টা হয়েছিল, তা স্পষ্ট।’
শীর্ষ আদালতের রায়ে পদ ফিরে পেলেও নীতিগত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না অলোক বর্মা। তার পদ এবং অবস্থান নির্ধারণের জন্য সিলেকশন কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ওই কমিটিতে রয়েছেন প্রধান বিচারপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা।
অলোক বর্মার সঙ্গে স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানার ক্ষমতা নিয়ে সংঘাত চরমে ওঠে। এর জেরে মোদি সরকার অলোক-রাকেশ দু’জনকেই বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছিল। কিন্তু ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে দুটি মামলা হয়। একটি করেন অলোক বর্মা নিজে। অন্যটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের।
মঙ্গলবার অলোক বর্মার মামলার রায় দিয়েছেন শীর্ষ আদালত। একই আদেশে আদালত অলোকের জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান নাগেশ্বর রাওয়ের নিয়োগও বাতিল করে দিয়েছে।
অলোক বর্মার দাবি ছিল, মধ্যরাতের ওই নির্দেশিকা আইনবিরুদ্ধ। সিবিআই’র আইন অনুযায়ী, সিবিআই ডিরেক্টরের মেয়াদ দু’বছরের জন্য নির্দিষ্ট। তার মধ্যে তাকে সরানের ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র প্রধান বিচারপতি অথবা তার মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে গঠিত নিয়োগ কমিটির। অলোকের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি।
রায়ের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, ‘সেই সময় যেভাবে অলোক বর্মা এবং রাকেশ আস্থানার সংঘাত সামনে চলে এসেছিল, সেটা সামাল দিতে সরকার সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিল। চিফ ভিজিল্যান্স কমিশনের সুপারিশেই ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল।
